কৃষি তথ্যকৃষি প্রতিষ্ঠানকৃষির তথ্য

মুড়ি ও চিড়া তৈরি ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন

মুড়ি ও চিড়া তৈরি ব্যবসা কিভাবে শুরু করবেন ভুমিকা প্রধান খাদ্য ভাতের পাশাপাশি মুড়ি ও চিড়া মুখরোচক খাবার হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। নতুন ধান কাটার পর বাড়িতে পিঠা তৈরির পাশাপাশি চিড়া ও মুড়ি তৈরির ধুম পড়ে যায়। গ্রামের বাড়িতে অতিথি আসলে অনেক সময় মুড়ি চিড়া দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়। আবার শহরের বাড়িতেও মুড়ি, চিড়ার কদর কোনো অংশে কম নয়। রোজার মাসে ইফতারিতে মুড়ি ও চিড়া বেশ জনপ্রিয় খাবার। মুড়ি-চিড়া অনেক দিন ভালো থাকে এবং এগুলো তৈরি করে সরাসরি ফেরি করেও বিক্রি করা যায়। এছাড়া বিভিন্ন দোকানেও সরবরাহ করা সম্ভব। গ্রাম বা শহর যেকোন জায়গাতে ছোট বড় সবার কাছেই মুখরোচক খাদ্য হিসেবে মুড়ি ও চিড়ার চাহিদা আছে। অল্প পুঁজিতে মুড়ি ও চিড়ার ব্যবসা বেশ লাভজনক। মুড়ি চিড়ার ব্যবসা করে যেকোন ব্যক্তি স্বাবলম্বী হতে পারেন। ভাতের বিকল্প বা নাস্তা হিসেবে মুড়ি ও চিড়া সাধরণত গুঁড়, চিনি, ফলমূল বা অন্য কোন মিষ্টি জাতীয় দ্রব্যের সাথে খাওয়

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষি তথ্যকৃষি প্রতিষ্ঠানকৃষি সংবাদকৃষির তথ্যকৃষির প্রযুক্তিমৎস্যসম্পদমাছ চাষ

আবার মিলবে হাঁড়িয়ে যাওয়া গুতুম মাছ

আবার মিলবে হাঁড়িয়ে যাওয়া গুতুম মাছ নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের স্বাদুপানি উপকেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা গুতুম মাছের কৃত্রিম প্রজনন ও পোনা উৎপাদনে সফলতা লাভ করেছেন। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা বলছেন, গুতুম মাছের প্রতিপালন, কৃত্রিম প্রজনন ও পোনা উৎপাদনে সফলতা মেলায় প্রকৃতিতে যেমন এর সংরক্ষণ হবে, তেমনি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। সৈয়দপুর স্বাদুপানি উপকেন্দ্রের প্রধান ড. খোন্দকার রশীদুল হাসান জানান, প্রথমে ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে প্রাকৃতিক জলাশয় থেকে ছোট আকারের গুতুম মাছ সংগ্রহ করে স্বাদুপানি উপকেন্দ্রের পুকুরে পরিবেশ ও পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য মজুদ করা হয়। মে-জুন মাসের মধ্যেই গুতুম মাছগুলো প্রজননক্ষম হয়। তিনি আরও জানান, গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, এদের পরিপক্ব স্ত্রী মাছের ডিম ধারণ ক্ষমতা প্রতি গ্রাম দেহের ওজনে ১৭০০ থেকে ৪৫০০ পর্যন্ত এবং প্রজননকাল এপ্রিল-সেপ্টেম্বর মাস। এ

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষি প্রতিষ্ঠান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েনিয়োগ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েনিয়োগ শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। জেনে নিন পদগুলোতে আবেদনের বিস্তারিত- পদ: অধ্যাপক বিভাগ ও পদসংখ্যা: কৃষি অর্থসংস্থান ও সমবায় ১টি বেতনস্কেল: ৫৬,৫০০/- ৭৪,৪০০/ টাকা পদ: সহকারী অধ্যাপক বিভাগ ও পদসংখ্যা: ক) কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন ১টি খ) ফসল উদ্ভিদবিদ্যা ১টি গ) কৃষিতত্ত্ব ১টি ঘ) জেনেটিক্স এন্ড ফিস ব্রিডিং ১টি ঙ) মেডিসিন ১টি বেতনস্কেল: ৩৫,৫০০/- ৬৭,০১০/ টাকা পদ: প্রভাষক বিভাগ ও পদসংখ্যা: ক) কীটতত্ত্ব ১টি খ) অ্যানিম্যাল সায়েন্স এন্ড নিউট্রিশন ১টি গ) ডেইরি এন্ড পোল্ট্রি সায়েন্স ১টি বেতনস্কেল: ২২,০০০/- ৫৩,০৬০/ টাকা পদ: ইলেকট্রিশিয়ান পদসংখ্যা: প্রকৌশল শাখা ১টি বেতনস্কেল: ১১,০০০/- ২৬,৫৯০/ টাকা পদ: নিরাপত্তা প্রহরী পদসংখ্যা: নিরাপত্তা শাখা ১টি বেতনস্কেল: ৮,৮০০/- ২১,৩১০/ টাকা আব

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য ফসলকুঁচিয়া চাষকৃষি উদ্যোক্তাকৃষি তথ্যকৃষি প্রতিষ্ঠানকৃষি প্রযুক্তিকৃষির তথ্যকৃষির প্রযুক্তিচাষাবাদ পদ্ধতিপ্রানিসম্পদ

কুমিরের প্রাকৃতিক প্রজনন ও সংরক্ষণ এবং কুমিরের খামার

কুমিরের প্রাকৃতিক প্রজনন ও সংরক্ষণ কুমির সরীসৃপজাতীয় প্রাণী। ইউরোপ ছাড়া পৃথিবীর সব মহাদেশেই প্রায় ১৭.৫ কোটি বছর পূর্বে ডাইনোসরের সমকালীন কুমিরের উদ্ভব ঘটলেও ডাইনোসরের বিলুপ্তির পর অদ্যবিধি এরা প্রথিবীর বিভিন্ন ভৌগলিক পরিবেশে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করে আসছে। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৩০টির মতো কুমিরের খামার আছে। খামার গুলো মেক্সিকো উপসাগরের পাড়ে লুসিয়ানা ও ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত। একবিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে যুক্তরাষ্টের দক্ষিণাঞ্চলে বিপুল হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকলে কুমিরের সংখ্যা হ্রাস পেতে থাকে এবং ১৯৭৩ সালে কুমিরকে বিপদাপন্ন প্রজাতির তালিকাভুক্ত করা হয়। অতঃপর ১৯৭৮ সাল থেকে ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের ফলে কুমিরের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং বর্তমানে এটি আর বিপদাপন্ন প্রজাতি নয়। উল্লেখ্য, কুমিরের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে কমে যাওয়ার কারণে ১৯৬০ সাল থেকেই এ সংরক্ষণের দিকে বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হ

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষি তথ্যকৃষি প্রতিষ্ঠানকৃষি প্রযুক্তিকৃষি যন্ত্রপাতিকৃষির তথ্যগরুপ্রানিসম্পদ

ঢাকায় ছাদের ওপর গরু পালন

ঢাকায় ছাদের ওপর গরু পালন ফারহানা পারভীন বিবিসি বাংলা, ঢাকা পুরান ঢাকার লালবাগের সরু অলিগলি পেরিয়ে খুঁজে নিতে হল বাড়িটি। ডুরি আঙ্গুল লেনের চারতলা বড় এই বাড়িটি দেখে বোঝার উপায় নেই এই বাড়ির ছাদেই রয়েছে একটি গরুর খামার।                       সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠেই এলো সেপের ছাদটিতে রয়েছে ফুলের গাছ আর গরু। খামারের মালিক হাজি হাবিবুর রহমান ও তার ভাই-বোন সবায়এই খামারের সাথে যুক্ত। এই ছাদে দাড়িয়ে কথা বলছিলাম মি. রহমানের বোন তাহমিনা আক্তারের সাথে। তিনি বলছিলেন ১০- ১২ বছর আগে এই খামার করার চিন্তাটা আসে। মি. রহমান সেবার ঈদে একটি গরু কিনে আনেন। কিন্তু কোরবানীর জন্য যথেষ্ট বয়স না হওয়ায় তিনি গরুটি রেখে দেন। এরপর নিয়ে আসেন আরেকটি গরু। আর এভাবেই শুরু। ছোট দুটি গরু নিয়ে বাসার ছাদে পালতে শুরু করেন, এখন ঐ খামারে সব সময

বিস্তারিত পড়ুন