অন্যান্য ফসলচাষাবাদ পদ্ধতিসাম্প্রতিক পোষ্ট

আগর গাছের চাষ পদ্ধতি ও বাজার সম্ভাবনা

আগর গাছের চাষ পদ্ধতি ও বাজার সম্ভাবনা সুগন্ধি বিশিষ্ট এক ধরনের কাঠ যা সারা বিশ্বে আগর গাছ নামে পরিচিত। আজ কিভাবে আপনি গড়ে তুলতে পারবেন এই আগর গাছের বাগান। আর এই আগর শিল্পের সম্ভাবনা সম্পর্কে। তাই আজকে আলোচনা করা হবে আগর গাছের চাষ পদ্ধতি এবং এর বাজার সম্ভাবনা নিয়ে। আগর গাছের পরিচিতি: আগর মূলত একটি গাছের নাম। আগর শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো উৎকৃষ্ট বা সুগন্ধি বিশিষ্ট কাঠ। ইংরেজিতে এর নাম এলো ওড (Aloe Wood বা Wagle Wood), আরবিতে বলে উদ, দক্ষিণ এশিয়ায় পরিচিত নাম গাডরউদ, মালয়েশিয়ান ভাষায় গাহারু বলে পরিচিত ও সমাদৃত। বাংলা, আরবি এবং ফারসিসহ বিভিন্ন ভাষার সংমিশ্রণে অপভ্রংশ হয়ে আগর নামটির উৎপত্তি হয়েছে। পৃথিবীতে কবে কোথায় আগর-আতরের চাষাবাদ শুরু হয়েছে তার সঠিক ইতিহাস বের করা মুশকিল। তবে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার রেইন ফরেস্টই আগর গাছের আদিস্থান হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে। আগর গাছ থেকে বিশেষ ...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষি সংবাদসাম্প্রতিক পোষ্ট

করোনার অজুহাতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নিবে র‍্যাব

করোনার অজুহাতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নিবে র‍্যাব করোনা ভাইরাসের অজুহাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। র‌্যাব সদর দফতরে আজ বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক প্রেসব্রিফিংয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের মুখপাত্র (পরিচালক) লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার-বিন-কাশেম সাংবাদিকদের বলেন ‘বর্তমান বাজার মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব বাজার তদারকি ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছে’। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সারওয়ার-বিন-কাশেম বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যেন সহনীয় পর্যায়ে থাকে, সে’জন্য আমরা অসাধু ব্যবসায়ীদের নিবৃত করার চেষ্টা করছি’। করোনা নিয়ে আতঙ্কিত না হবার আহ্বান জানিয়ে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, বাজারে নিত্যপণ্যের অভাব নেই। সংকটও নেই বরং যথেষ্ট জোগান রয়েছে। সুতরাং বেশি বেশি কেনাকাটা করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করবেন না। করোনায় আতঙ্কিত...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষি তথ্যকৃষি স্বাস্থ্যসাম্প্রতিক পোষ্ট

হাস-মুরগিরও কী করোনা আক্রান্ত হয়?

হাঁস-মুরগিও করোনা আক্রান্ত হয়, তবে মানুষে ছড়ায় না শুধু মানুষেই নয় হাঁস-মুরগি, পাখি, মাছ ইত্যাদিও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়। তবে পশুপাখি ও মাছ যে করোনাভাইরাস দিয়ে সংক্রমিত হয় তার ধরণ আলাদা। সেগুলো জুনোটিক নয় অর্থাৎ আক্রান্ত পশুপাখি ও মাছের করোনাভাইরাস দিয়ে মানুষ সংক্রমিত হয় না। হাঁস-মুরগির (পোল্ট্রি) করোনাভাইরাস নিয়ে ভয়ের কিছু নেই, কারণ এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন বাজারে সহজলভ্য। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইনফেকশাস ব্রঙ্কাইটিস ভাইরাসকে (আইবিভি) পোল্ট্রির করোনাভাইরাস বলা হয়।          শুধু মানুষেই নয় হাঁস-মুরগি, পাখি, মাছ ইত্যাদিও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়। তবে পশুপাখি ও মাছ যে করোনাভাইরাস দিয়ে সংক্রমিত হয় তার ধরণ আলাদা। সেগুলো জুনোটিক নয় অর্থাৎ আক্রান্ত পশুপাখ...

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য ফসলচাষাবাদ পদ্ধতিফল চাষসাম্প্রতিক পোষ্ট

ফল গাছ রোপণের যাবতীয় নিয়ম

ফল গাছ রোপণের যাবতীয় নিয়ম গ্রীষ্মের শেষে প্রথম বৃষ্টি হলেই আমরা গাছ রোপণের কথা চিন্তা করি। ভাবি, বাড়ির আশপাশের ফাঁকা জায়গাটা এবার গাছে গাছে ভরিয়ে দেবো। বাদ যাবে না ঘরের বারান্দা কিংবা ছাদও। অনেকের চিন্তাটা মাথার ভেতরেই ঘুরপাক খেতে থাকলেও অনেকে বাস্তবায়ন করতে মাঠেও নেমে পড়ি। প্রিয় গাছের চারা বা কলম খুঁজতে ছুটে যাই সরকারি বা বেসরকারি নার্সারিতে। কাংখিত গাছের চারা বা কলম পেয়েও যাই। তাৎক্ষণিকভাবে রোপণের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় লাগিয়েও ফেলি। লাগিয়েই ভাবি, যাক কিছু দিনের মধ্যেই জায়গাটা সবুজে সবুজে ভরে যাবে। কিন্তু না, ভাবনার সাথে বাস্তবতাটা ঠিক মেলে না। ক’দিন পরেই দেখা যায় চারা বা কলম সঠিকভাবে বাড়ছে না। শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। কী যে হলো চারাগুলোর। চারা বা কলমের এই সমস্যাটা কিন্তু কিছু বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখলেই দূর করা যায়। তাহলে চলুন কারণগুলো একে একে জেনে নেয়া যাক। গ্রীষ্মের শ...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষি তথ্যকৃষি স্বাস্থ্যকৃষির তথ্যসাম্প্রতিক পোষ্ট

অতিরিক্ত সার ব্যবহারের অপকারিতা ও সঠিক সার প্রয়োগ পদ্ধতি

অতিরিক্ত সার ব্যবহারের অপকারিতা ও সঠিক সার প্রয়োগ পদ্ধতি যেকোনো ফসল চাষে নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশজাতীয় সারই বেশি ব্যবহার করা হয়। ইদানীং অনেকে জমির মাটি পরীক্ষা ছাড়া চুনও ব্যবহার করছেন। এ ছাড়া বাড়িতে তৈরী ছত্রাকনাশক হিসেবে কপারজাতীয় ছত্রাকনাশ বোর্দো মিশ্রণও ব্যবহার করছেন। জিঙ্ক সার হিসেবে সস্তায় পাওয়া যায় বলে দস্তা সারের অহেতুক ব্যবহারও কম নয়। পরিমাণের চেয়ে বেশি হলে বা ব্যবহারের প্রয়োজন না হলে যেকোনো রাসায়নিক সার মাটির ক্ষতি করতে পারে। তাই মাটি পরীক্ষার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানের অবস্খা বুঝে সার ব্যবহার করা উচিত। আবার এক ফসলে সার ব্যবহারের পরের ফসলে সার কম লাগে বা না দিলেও চলে সেদিকেও লক্ষ্য রাখা দরকার। জমিতে একবার চুন ব্যবহারের পর পরের এক বছর চুন ব্যবহার করতে হয় না। গাছের সমস্যার কারণে কপারজাতীয় ছত্রাকনাশক ব্যবহারের আগে মাটিতে তার অবস্খা জেনে ব্যবহার কর...

বিস্তারিত পড়ুন