কৃষির প্রযুক্তিমৎস্যসম্পদমাছ চাষসাম্প্রতিক পোষ্ট

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ পদ্ধতি বিস্তারিত

বায়োফ্লক প্রযুক্তি মাছ চাষের একটি টেকসই এবং পরিবেশগত ভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ মাছ চাষ পদ্ধতি। বায়োফ্লক হল প্রোটিন সমৃদ্ধ জৈব পদার্থ এবং অণুজীব, যেমন- ডায়াটম, ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া, অ্যালজি, ফেকাল পিলেট, জীবদেহের ধ্বংসাবশেষ এবং অন্যান্য অমেরুদণ্ডী প্রাণী ইত্যাদির ম্যাক্রো-এগ্রিগেট। এটি এমন একটি একোয়াকালচার সিস্টেম যা কার্যকর ভাবে পুষ্টি উপাদানের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে খুব কম পানি পরিবর্তন বা একবারও পানি পরিবর্তন না করে। এই প্রযুক্তি পানিতে বিদ্যমান কার্বন ও নাইট্রোজেন এর সাম্যাবস্থা নিশ্চিত করে পানির গুণাগুণ বৃদ্ধি ও ক্ষতিকর রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু নিয়ন্ত্রণ করে। বায়োফ্লক প্রযুক্তির মূলনীতি হল ইহা হেটারোট্রপিক ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে, পানিতে উচ্চ কার্বন-নাইট্রোজেন অনুপাত নিশ্চিত করার মাধ্যমে যা ক্ষতিকর অ্যামোনিয়াকে অণুজীব আমিষে রূপান্তর করে। এটি একটি পরিবেশ বান্ধব বিক...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষি প্রযুক্তিকৃষির তথ্যমৎস্যসম্পদমাছ চাষ

বাড়ির চৌবাচ্চাতে মাছ চাষ করে উপার্জন করুন

বাড়ির চৌবাচ্চাতে মাছ চাষ করে উপার্জন করুন আমাদের অনেকেরই বাড়ির মধ্যে চৌবাচ্চা আছে। অনেকে তা ব্যবহার করে থাকি, আবার অনেকের অব্যবহারে তা পরিত্যক্ত। কিন্তু জানেন কি এই চৌবাচ্চায় আপনি করতে পারেন কই, সিঙি মাছের চাষ। কম সময়ে অধিক পরিমাণে মাছ চাষ করতে নতুন কৌশলের প্রশিক্ষণ কৃষি দপ্তরের। পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের করুঞ্জি গ্রামে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ শুরু করা হয়েছে। যারা চাষে আগ্রহী, কৃষি দপ্তর থেকে তাদের মাছের চারা দেওয়া হচ্ছে। করুঞ্জি গ্রামে দু’জন উপভোক্তাকে ৫০০০টি করে মাছের চারা দেওয়া হয়েছে। তারা তাদের বাড়ির চৌবাচ্চায় একজন কই ও অপরজন সিঙ্গি মাছের চাষ করছেন। পূর্ব বর্ধমানের উপ কৃষি অধিকর্তা আবদুস সালাম জানান, “আতমা প্রকল্পে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে খুব কম সময়ে অল্প জায়গায় বেশি পরিমাণে মাছচাষ শুরু করা হয়েছে। বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে সরকারিভাবে এই চাষের প্রশিক্ষণ এবং চারামা...

বিস্তারিত পড়ুন
মৎস্যসম্পদমাছ চাষসাম্প্রতিক পোষ্ট

ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ পদ্ধতি

ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ পদ্ধতি খাঁচায় হাঁস-মুরগী পালনের পাশাপাশি এবার নদীতে ও পুকুরে মানুষ খাঁচায় বা জালের খাঁচায় মাছের চাষ শুরু করেছেন যা সত্যি অবাক করার মতো ব্যাপার। খাঁচায় মুরগী পালনের পদ্ধতিটি যেমন ত্বরিৎ গতিতে প্রসারিত হয়েছে, ফলশ্রুতিতে অনেক মানুষই আজ এ পেশায় নিজের কর্ম সংস্থানের ব্যাবস্থা করে নিয়েছেন। জালের খাঁচায় মাছের চাষ পদ্ধতিও একদিন জনপ্রিয় হবে এবং এ খাতে হাজারও মানুষের কর্মের সংস্থান হবে, উপরন্তু আমিষের চাহিদাও পূরণ হবে। যাদের পুকুর নেই মাছ চাষ আজ আর তাদের জন্য সমস্যাই নয়। জালের খাঁচায় মাছ চাষের আদর্শ ক্ষেত্রই হচ্ছে নদী-নালা, খাল-বিলসহ উন্মুক্ত জলাশয়। যেখানে প্রবল স্রোত নেই অথচ আছে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ। মাছ চাষের জন্য উত্তম জায়গা হচ্ছে এমন উৎসগুলো। মশারির মতো বিশাল আকারের জাল প্রবহমান পানিতে ডুবিয়ে চারকোণা বেধেঁ তাতে ২”- ৩” সাইজের পোনা ছেড়ে চার মাস লালন-পা...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষির তথ্যমৎস্যসম্পদমাছের রোগবালাই দমনসাম্প্রতিক পোষ্ট

শীতকালীন মাছের রোগ ও সমাধান

শীতকালীন মাছের রোগ ও সমাধান আমাদের দেশে শীতকালে মাছের বিশেষ কিছু ‍কিছুরোগ দেখা যায়। এসময় সঠিকভাবে মাছের যত্ননা নিলে এসব রোগে আক্রান্ত হয়ে মাছমরে যেতে পারে। চলতি মৌসুমে মাছের ক্ষতরোগ,লেজ ও পাখনা পচা রোগ, ফুলকা পচা রোগ এবং উদরফোলা রোগ দেখা দিতে পারে। বিশেষ যত্ন ওপরিচর্যা করলে মাছের উৎপাদন স্বাভাবিকরাখা যায়। শীতকালে মাছের বিশেষ যত্ন নেয়া প্রয়োজন।কারণ এ সময়ে পুকুরের পানি কমে যায়, পানি দূষিতহয়, মাছের রোগবালাই হয়। ফলে মাছের বৃদ্ধি ওউৎপাদন ব্যাহত হয়। বিশেষ যত্ন ওপরিচর্যা করলে মাছের উৎপাদন স্বাভাবিকরাখা যায়। মাছের ক্ষতরোগ: এফানোমাইসেস ছত্রাকপড়ে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়।বাংলাদেশে প্রায় ৩২ প্রজাতির স্বাদু পানিরমাছে এ রোগ হয়। যেমন- টাকি, শোল, পুঁটি, বাইন,কই, শিং, মৃগেল, কাতলসহ বিভিন্ন কার্পজাতীয়মাছে এ রোগ হয়। লক্ষণ- প্রথমে মাছের গায়ে ছোট ছোট লাল দাগ দেখা যায়।লাল দাগে ঘা ও ক্ষত হয়।...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষির প্রযুক্তিমৎস্যসম্পদসাম্প্রতিক পোষ্ট

পুকুর খননে মাটির হিসাব

পুকুর খননে মাটির হিসাব সমস্যা – ১ মনে করি ১১৪ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৪০ ফুট প্রস্থের একটি পুকুরকে ৬ ফুট গভীর করতে হবে। তাহলে কত ঘনফুট মাটি কাটতে হবে। উল্লেখ্য, উক্ত পুকুরের ঢাল হবে ১ অনুপাত ১.৫ অর্থ্যাৎ গভীরতা অনুপাত ঢাল = ১ অনুপাত ১.৫। প্রতি হাজার মাটি কাটতে ১০০০/- টাকা লাগলে পুকুরটি খনন করতে মোট কত টাকা খরচ হবে? সমাধানঃ সম্পূর্ণ পুকুরটি আয়তাকারে খনন করলে মাটি কাটতে হতো- ১১৪ × ৪০ × ৬ = ২৭৩৬০ ঘনফুট কিন্তু যখন ঢাল রাখা হচ্ছে তখন এই পরিমাণ মাটি খননের দরকার হচ্ছে না, কারণ ঢাল যে পর্যন্ত বিস্তৃত সে পর্যন্ত আয়তাকারে মাটি খনন করলে যে পরিমাণ মাটি কাটার প্রয়োজন হতো ঢাল থাকার কারণে তার অর্ধেক পরিমাণ মাটি কাটার প্রয়োজন হবে। অর্থ্যাৎ ঢাল থাকার কারণে ২৭৩৬০ ঘনফুট মাটি কাটার দরকার হবে না। প্রকৃত মাটি খননের পরিমাণ এর চেয়ে কম হবে। যখন ঢাল ১অনুপাত ১.৫ তখন ঢালের নীচের প্রান্ত পুকুরের পাড় থেকে ৯ ...

বিস্তারিত পড়ুন