কৃষি তথ্যকৃষির তথ্যচাষাবাদ পদ্ধতিমসলা চাষমাঠ ফসল চাষ

কম সময়ে বেশি মুনাফার ফসল ধনিয়াপাতা

কম সময়ে বেশি মুনাফার ফসল ধনিয়াপাতা সবজি চাষের এলাকা হিসেবে পরিচিত রংপুরের মিঠাপুকুর, গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চাষিরা মৌসুমে একই জমিতে চারবার ধনেপাতার চাষ করছে। কম খরচে বেশি লাভ পাওয়ায় তারা নিজেরাই এই কৌশল রপ্ত করেছে। প্রতিদিন এসব এলাকা থেকে ট্রাকে করে ধনেপাতা ঢাকায় নিয়ে যায় পাইকাররা। সরেজমিনে মিঠাপুকুরের রানীপুকুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আঁকাবাঁকা মেঠোপথের দুই পাশে মাঝেমধ্যেই চোখে পড়ছে ধনেপাতার ক্ষেত। সেখানে নারীরা ব্যস্ত ধনেপাতা তোলায়। এ বছর ধনেপাতার ভালো ফলনের পাশাপাশি ভালো দামও পাচ্ছে কৃষকরা মৌসুম শুরুর আগেই প্রথম দফায় আগাম চাষকৃত ধনেপাতার ব্যাপক চাহিদা থাকায় পাইকাররা সরাসরি ক্ষেতে এসে প্রতি কেজি ধনেপাতা ২০০ টাকা দরে কিনছে। বাজারে যা বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে। অর্থাৎ প্রতি ১০০ গ্রাম ধনেপাতা ২৮ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কৃষকরা জানায়, ...

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য ফসলচাষাবাদ পদ্ধতিমসলা চাষ

কালোজিরা চাষ পদ্ধতি

কালোজিরা চাষ পদ্ধতি পরিচিতিঃ মাঝারী জাতীয় নরম মৌসুমী গাছ, একবার ফুল ও ফল হয়ে মরে যায়। বৈশিষ্ট্যঃ উচ্চতায় ২০-৩০ সেমি (৮-১২ ইঞ্চি), পাতা সরু ও চিকন, সবুজের মধ্যে ছাই- ছাই রং মেশানো। জোড়া ধরে সোজা হয়ে পাতা জন্মায়। ফুলঃ স্ত্রী, পুরুষ দুই ধরণের ফুল হয়, নীলচে সাদা (জাত বিশেষ হলুদাভ) রং। পাঁচটি পাঁপড়ি। ফলঃ গোলাকার ফল, কিনারায় আঁকর্শির মত বাড়তি অংশ থাকে। বীজঃ কালো রং এর প্রায় তিন কোণা আকৃিতর বীজ। বীজকোষ খাঁজ আকারে ফলের সাথে লম্বালম্বিভাবে থাকে। প্রতিটি ফলে ২০-২৫ টি বীজ থাকতে পারে। ব্যবহারঃ মশলা হিসাবে ব্যাপক ব্যবহার। পাঁচফোড়নের একটি উপাদান। ইউনানী, কবিরাজী ও লোকজ চিকিৎসায় বহ রকমের ব্যবহার আছে।প্রসাধনীতেও ব্যবহার হয়। যে অংশটি ব্যবহার করা হয়ঃ  শুকেনা বীজ ও বীজ থেকে পাওয়া তেল। কালোজিরা বপন পদ্ধতি পরিবেশঃ প্রচুর রোদ লাগে এমন যে কোন সমতল জমি প্রয়োজন। মাটিঃ যে কোন মাটিতেই জন্মায়। বেলে-দোআঁশ মাটি

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য ফসলচাষাবাদ পদ্ধতিমসলা চাষ

এলাচ চাষ পদ্ধতি

এলাচ চাষ পদ্ধতি এলাচ বা এলাচী। মিষ্টি বা ঝাল সব রকম খাবারেই এটির ব্যপক ব্যবহার লক্ষিত হয়। এর বোটানিকাল নাম এলেটারিয়া কার্ডামোমাম (Elettaria cardamomum)ইংরেজিতে বলা হয় কার্ডামন (Cardamon)এটি মূলত আদা জাতীয় একটি গাছ যার গোড়ার দিক থেকে লম্বা ফুলের স্টিক বের হয়। এই ফুলের ফলই হচ্ছে আমাদের পরিচিত এলাচ। এলাচ দু রকমের বড় ও ছোট। বড় এলাচ এশিয়া, আফ্রিকা, অষ্টেলিয়া ও প্রশান্ত মহা-সাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের শীত প্রধান অঞ্চলে প্রচুর জন্মায়। বড় এলাচের ৫০ প্রজাতির মধ্যে এই উপমহাদেশে বহু আগে থেকে বেশ কয়েকটি প্রজাতি ফলন হয়। সিলেট অঞ্চলে যে এলাচ জন্মায় তার নাম মোরঙ্গ এলাচ। আমাদের দেশে ঝোপ জঙ্গলে যে আদা গাছ জন্মায় বড় এলাচ গাছ দেখতে অনেকটা সে রকম। গাছে এলাচগুলো সাধারণত: গাছের গোড়ায় মাটি সংলগ্ন হয়ে গুচ্ছাকারে জন্মে। আষাঢ় মাসে ফুল হয় ও পরে ফল ধরে। ভাদ্র আশ্বিন মাসেন এলাচ পাকে। ফলগুলো দেখতে কালচে লাল হ

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য ফসলকন্দাল ফসলচাষাবাদ পদ্ধতিমসলা চাষ

আদা চাষ পদ্ধতি

আদা চাষ পদ্ধতি পুষ্টিমূল্যঃ আদায় ক্যালসিয়াম ও প্রচুর ক্যারোটিন থাকে। ভেষজ গুণঃ পেট ফাঁপা ও ফোলা এবং সর্দি-কাশিতে আদা ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারঃ মসলা হিসেবে আদা জনপ্রিয়। উপযুক্ত জমি ও মাটিঃ পানি নিকাশের সুব্যবস্থা আছে এমন উঁচু বেলে-দো-আঁশ ও ও বেলে মাটি আদা চাষের জন্য উপযোগী। জাত পরিচিতিঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে উদ্ভাবিত উন্নত জাত বারি আদা-১। বারি আদা-১: প্রতিটি গোছায় রাইজোমের ওজন ৪০০-৪৫০ গ্রাম। প্রচলিত জাতগুলোর তুলনায় এর ফলন বেশি। স্থানীয় হাতের মতো বারি আদা-১ সহজে সংরক্ষণ করা যায়। তবে স্থানীয় জাত যেমনঃ রংপুরী, খুলনা, টেংগুরা ইত্যাদি জাতেরও চাষ করা হয়। চারা তৈরিঃ বীজ লাগানোঃ ফাল্গুন থেকে বৈশাখ মাস পর্যন্ত লাগানো যায়। সাধারণতঃ ১২-১৫ গ্রাম ওজনের ১-২টি কুঁড়ি বিশিষ্ট কন্দ লাগানো হয়। ৪০-৪৫ সে.মি. দূরে দূরে সারি করে ২০ সে.মি. দূরে ৫ সে.মি. গভীরে আদা লাগানো হয়। কন্দ লাগানো পর ভেলী কর

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য ফসলকৃষির তথ্যচাষাবাদ পদ্ধতিছাদ কৃষিছাদবাগান খুঁটিনাটিছাদে বাগানটবে চাষ পদ্ধতিবাগানবারান্দায় বাগানমসলা চাষসবজি ফসল চাষ

কারিপাতা বিস্তারিত ও চাষাবাদ নিয়ম

হিমালয়ের পাদদেশ থেকে শুরু করে সুন্দরবনসংলগ্ন জনপদেও দেখেছি কারিপাতার গাছ জন্মাতে। তবে কারিপাতার রান্না তামিলনাড়ুর চিদাম্বরমে আন্নামালাই বিশ্ববিদ্যালয়ে খেয়ে তবেই না এর স্বাদ বুঝেছি। কারিপাতাগাছ এ দেশে পরিচিত গাছ হলেও সুগন্ধি গাছ হিসেবে এর ব্যবহার প্রায় নেই বললেই চলে। কারিপাতা এদেশে কোথাও কোথাও নিমভুতগাছ হিসেবে পরিচিত। বনে জঙ্গলে জন্মে, আপনা আপনি হয়। কেউ কখনো এ গাছ লাগায় না। এগাছ অবশ্য কেউ কেউ কবিরাজী কাজে ব্যবহার করে থাকেন। তবে এর সুগন্ধি পাতা ব্যবহার করে এদেশে কেউ কখনো রান্না করেন না। কিন্তু ভারতের তামিলনাড়ুতে গিয়ে কারিপাতা ছাড়া রান্না কেউ না খেয়ে ফিরে এসেছে এমনটি শোনা যায়নি। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে দক্ষিণ ভারতে রান্নাকে সুগন্ধিযুক্ত করতে কারিপাতার ব্যবহার চলে আসছে। খাদ্যকে শুধু সুস্বাদু করাই নয়, এ পাতার কিছু ভেষজগুণও আছে। তাই আমাদের বুনো এ গাছটির পাতা তেজপাতার মতো মসলা হিসেবে

বিস্তারিত পড়ুন