উন্নত প্রযুক্তিকৃষি প্রযুক্তিকৃষির তথ্যকৃষির প্রযুক্তিছাদ কৃষিছাদবাগান খুঁটিনাটিছাদে বাগানটবে চাষ পদ্ধতিবাগানবারান্দায় বাগানসাম্প্রতিক পোষ্ট

বারান্দায় বা ছাদের টবে আলু চাষের পদ্ধতি

বারান্দায় বা ছাদের টবে আলু চাষের পদ্ধতি স্থান নির্ধারণ বাসার বারান্দায় এমন একটি স্থান বেছে নিন যেখানে প্রচুর আলো বাতাস পায়। অন্তত সকাল বেলাটা রোদ পড়ে এমন জায়গা আলু চাষের জন্য উপযোগী। খেয়াল রাখবেন সকাল-বিকাল বাদে শুধু দুপুরে রোদ পড়ে এমন জায়গায় আলু চাষ করবেন না। টব আলু চাষের জন্য টব বা প্লাস্টিক অথবা কাঠের কনটেইনারও ব্যবহার করা যায়। মাঝারি সাইজের একটি টব বেছে নিন। প্লাস্টিকের বালতিতেও করতে পারেন। মাটি প্রস্তুত দোআঁশ ও বেলে-দোআঁশ মাটি আলুর জন্য সব চাইতে উপযোগী৷ আলু চাষের জন্য মাটিতে প্রচুর জৈব সার থাকতে হয়। এক ভাগ মাটি ও এক ভাগ জৈব সার নিয়ে ভালোভাবে ঝুরা করে মিশিয়ে নিন। মাটি খুব শুকনো হলে একটু পানি দিয়ে ভিজিয়ে মেশান। বীজ প্রস্তুত আলুর বীজ দুইভাবে সংগ্রহ করা যেতে পারে। বীজ থেকে এবং আলুর কাটিং থেকে। বীজের চারা সরাসরি নার্সারি থেকে সংগ্রহ করা যেতে পারে আর ক...

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য ফসলঘরে বাগানছাদ কৃষিছাদবাগান খুঁটিনাটিছাদে বাগানটবে চাষ পদ্ধতিবারান্দায় বাগানসবজি ফসল চাষসাম্প্রতিক পোষ্ট

ছাদে অথবা বারান্দায় পুঁইশাক চাষ পদ্ধতি

ছাদে অথবা বারান্দায় পুঁইশাক চাষ পদ্ধতি আমাদের দেশের একটি পরিচিত শাক পুঁইশাক। শীতকাল ব্যতীত প্রায় সবসময়ই এ শাক পাওয়া যায়। শাক জাতীয় তরকারীর মধ্যে পুঁইশাক হল সবার সেরা। পুঁইশাক একটি পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু শাঁক। আমাদের দেশে প্রায় সব স্থানেই পুঁইশাকের চাষ করা হয়। পুইশাক চাষে রাসায়নিক সার ব্যবহারে পুইশাকের পাতা আকারে ছোট আর পাতায় সহজেই দাগে ভরে যায়। ফলে খেতে বিষাদ লাগে, সহজে হজম হতে চায় না। আর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্হা ভালো না হলে প্রায়শই গোড়া পঁচে যায়। আসুন জেনে নেই রাসায়নিক সার ছাড়া পুঁইশাক চাষ করার পদ্ধতি- রাসায়নিক সার ছাড়া পুইশাক চাষে প্রথমেই ভালো পানি নিষ্কাশনের জন্য ছোট একটি ফলের কেরেটে সিমেন্টের বস্তা বিছিয়ে এতে বেলে দোঁয়াশ মাটির সাথে ৫০ ভাগ গোবড় সার মিশাতে হবে। এর পর সার মিশানো মাটির ওপর বীজ ছিটিয়ে দিয়ে তার ওপর আবার হালকা করে মাটি দিয়ে পানি দিতে হবে। এতে এক সপ্তাহ পর ছিট...

বিস্তারিত পড়ুন
ছাদ কৃষিছাদবাগান খুঁটিনাটিছাদে বাগানবাগানবারান্দায় বাগানসাম্প্রতিক পোষ্ট

ছাদে টবে মরিচ চাষ পদ্ধতি

ছাদে টবে মরিচ চাষ পদ্ধতি আপনার বাসার বারান্দায় বা ছাদে ছোট্ট টবে চাষ করতে পারেন মরিচ। ঘরের এক কোনে টবে মরিচের চাষ আপনার গৃহের শোভা বর্ধনের পাশাপাশি পুরন করতে পারে আপনার সারা বছরের মরিচের চাহিদা। কেননা মরিচ আমাদের প্রতিদিনের রান্নায় খুব অল্প পরিমানেই লাগে আর মাত্র ৫ থেকে ৬ টি টবে মরিচের চারা লাগালে তা দিয়ে দিব্যি সারা বছরেই চলে যাবার কথা। রোদ যুক্ত স্থানে রেখে নিয়মিত অল্প পরিচর্যা করলেই টবে মরিচ চাষ করে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব। এক পলকে দেখে নিন টবে মরিচ চাষ করার কৌশল, গাছ লাগানোর পদ্ধতি ও যত্ন নেয়ার নিয়ম কানুন। বীজ বা চারা বপনের সময় মরিচ সাধারনত সারা বছরেই জন্মে তাই বছরের যে কোনো সময়েই আপনি মরিচের চারা লাগাতে পারবেন। তবে মে থেকে জুন অথবা শীতের শুরুতে অক্টোবর মাসে মরিচের বীজ বপন করলে ফলন বেশি হয়। টব, মাটি ও চারা প্রস্তত করন মরিচ গাছ খুব বেশি বড় হয়না তাই মাঝারী আকারের টবেই রোপন ক...

বিস্তারিত পড়ুন
ছাদ কৃষিছাদবাগান খুঁটিনাটিছাদে বাগানটবে চাষ পদ্ধতিবাগানবারান্দায় বাগানসবজি ফসল চাষসাম্প্রতিক পোষ্ট

ছাদে শীতের সবজি চাষ

ছাদে শীতের সবজি চাষ যদিও ইট-পাথরের শহরে এখনো পুরোপুরি শীত নামেনি, তবুও নগরের সবজি বাজারগুলো জানান দিতে শুরু করেেছ শীতের বারতা। শীতকালীন বাহারি রঙের রকমারি সব শাক আর সবজির দেখা মিলছে নগরীর কাঁচা বাজারগুলোতে। যদিও পসরা সাজানো এই সবজিগুলো উৎপাদন থেকে শুরু করে সরবরাহ ও বাজারজাতকরণ-প্রক্রিয়ায় কতটা রাসায়নিকমুক্ত ও স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ এ নিয়ে শঙ্কা থেকেই যায়। তাই নগরবাসী যাতে নিজেদের বাড়ির ছাদেই বিষমুক্ত সবজির চাষ করতে পারে সে বিষয়েই রইল কিছু পরামর্শ। হিমেল হাওয়া ও শিশিরে যেসব সবজি ভালো হয় সবই চাষ করা হয় শীত-মৌসুমে। আমাদের দেশে সবজি চাষরে জন্য শীতকাল ধরা হয় কার্তিক (অক্টোবর-নভেম্বর) থেকে ফাল্গুন (মার্চ) পর্যন্ত। এ সময় গাজর, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি, ব্রোকলি বা সবুজ ফুলকপি, শালগম, শিম, মূলা, টমেটো, বেগুন, লাউ, পালংশাক ইত্যাদি উৎপাদিত হয়। তবে শীতকালীন সবজি চাষের জন্য জাত নির্বাচন একটি গুরু...

বিস্তারিত পড়ুন
ঘরে বাগানছাদ কৃষিছাদবাগান খুঁটিনাটিছাদে বাগানটবে চাষ পদ্ধতিবাগানবারান্দায় বাগান

দোপাটি (Balsam)ফুলের চাষ পদ্ধতি

দোপাটি (Balsam)ফুলের চাষ পদ্ধতি দোপাটি ফুলের গাছ এ দেশের প্রায় প্রত্যেক বাড়ীতেই দেখা যায়। ইহার চাষ পদ্ধতি খুব সহজ এবং এই গাছে প্রচুর ফুল ফোটে। সব ঋতুতেই এ গাছ জন্মায়। বর্ষায় এটা আকারে বড় ও সুন্দর ফুল দেয়। দোপাটি গাছের উচ্চতা ১.৫০-২ ফুট বা ৪৫-৬০ সেমি. এর মত ফুল হয়। এর কান্ড খুব নরম এবং গাছ বেশ ঝোপালো হয়। এর ফুল সাদা, লাল, বেগুনি, গোলাপি প্রভৃতি রঙের হয়ে থাকে। ফুল সিঙ্গল ও ডাবল হয়। এই ফুল বর্ডারের জন্য বিশেষ উপযোগী। জাত ও মৌসুম: জাতঃ ক্যামেলিয়া এবং বালসাম রোজ। উৎপাদন মৌসুমঃ জুন মাসে বীজ বপন করা হয়। মাটি ও জলবায়ু: মাটি ও জলবায়ুঃ হালকা উর্বর দো-আঁশ মাটি এ ফুল চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। এ ফুলের জন্য বড় দিন, উষ্ণ আর্দ্র আবহাওয়া আবশ্যক। কিন্তু ক্রমাগত ও দীর্ঘকালীন বৃষ্টিপাতে এ ফুলের ক্ষতি হয়। সমভাবে ব্যাপ্ত ১০০-১২৫ সেমি. বৃষ্টিপাত ও ৩০-৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালীন মরশুমি ফ

বিস্তারিত পড়ুন