অন্যান্য ফসলচাষাবাদ পদ্ধতিফল চাষসাম্প্রতিক পোষ্ট

ফল গাছ রোপণের যাবতীয় নিয়ম

ফল গাছ রোপণের যাবতীয় নিয়ম গ্রীষ্মের শেষে প্রথম বৃষ্টি হলেই আমরা গাছ রোপণের কথা চিন্তা করি। ভাবি, বাড়ির আশপাশের ফাঁকা জায়গাটা এবার গাছে গাছে ভরিয়ে দেবো। বাদ যাবে না ঘরের বারান্দা কিংবা ছাদও। অনেকের চিন্তাটা মাথার ভেতরেই ঘুরপাক খেতে থাকলেও অনেকে বাস্তবায়ন করতে মাঠেও নেমে পড়ি। প্রিয় গাছের চারা বা কলম খুঁজতে ছুটে যাই সরকারি বা বেসরকারি নার্সারিতে। কাংখিত গাছের চারা বা কলম পেয়েও যাই। তাৎক্ষণিকভাবে রোপণের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় লাগিয়েও ফেলি। লাগিয়েই ভাবি, যাক কিছু দিনের মধ্যেই জায়গাটা সবুজে সবুজে ভরে যাবে। কিন্তু না, ভাবনার সাথে বাস্তবতাটা ঠিক মেলে না। ক’দিন পরেই দেখা যায় চারা বা কলম সঠিকভাবে বাড়ছে না। শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। কী যে হলো চারাগুলোর। চারা বা কলমের এই সমস্যাটা কিন্তু কিছু বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখলেই দূর করা যায়। তাহলে চলুন কারণগুলো একে একে জেনে নেয়া যাক। গ্রীষ্মের শ...

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য ফসলচাষাবাদ পদ্ধতিফল চাষসাম্প্রতিক পোষ্ট

আধুনিক পদ্ধতিতে রাম্বুটান চাষ পদ্ধতি

রাম্বুটান বেশ আকর্ষণীয় ও অনেক সুস্বাদু একটি ফল। এর জন্মস্থান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াতে। এছাড়াও দক্ষিণ চীন, ইন্দোচীন, ফিলিপাইনের সর্বত্র এটিকে পাওয়া যায়। বর্তমানে বাংলাদেশে এর সফলভাবে চাষ হচ্ছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া এই ফলের জন্যে অনুকূল তাপমাত্রাবিশিষ্ট। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাসমূহ যেখানে শীতের প্রকোপ কম, সেইসব এলাকা রাম্বুটান চাষের উপযোগী। ফলটি দেখতে লিচুর মতো, আমাদের লিচুর গায়ে কন্টক বিশিষ্ট হলেও রাম্বুটানের গায়ে দাড়িসদৃশ অংশ বিদ্যমান। তাই একে আমাদের দেশে অনেকে চুলওয়ালা লিচু বা দাড়িওয়ালা লিচুও বলে থাকেন। ফল সাদা, স্বচ্ছ, অম্লীয় মিষ্টি গন্ধযুক্ত শাঁস এই ফলের ভক্ষনযোগ্য অংশ। রাম্বুটানের পুষ্টিমান রাম্বুটান শর্করা ও ভিটামিনে ভরপুর একটি ফল। ১০০ গ্রাম ফলে জলীয় অংশ ৮২.১ ভাগ, প্রোটিন ০.৯ ভাগ, ফ্যাট ০.১ ভাগ এবং আশঁ ০.০৩ ভাগ। এছাড়া ২.৮ গ্রাম গ্লুকোজ, ৩ গ্রাম ফ্রুক্টো...

বিস্তারিত পড়ুন
চাষাবাদ পদ্ধতিফল চাষ

ফলের বাণিজ্যিক চাষ পদ্ধতি ও বাগান ব্যবস্থাপনা

ফলের বাণিজ্যিক চাষ পদ্ধতি ও বাগান ব্যবস্থাপনা বাংলাদেশের গ্রীষ্ম ও অবগ্রীষ্ম মণ্ডলীয় আবহাওয়া ফল ফসল উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বাংলাদেশে ফলের ব্যাপক বৈচিত্র্য রয়েছে এবং এখানে প্রায় ৭০ রকমের ফলের প্রজাতি জন্মে যার ক্ষুদ্র একটি অংশ বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ হয়। বাংলাদেশে জমির পরিমাণ ও উৎপাদন বিবেচনায় যেসব ফল বেশি জমিতে এবং পরিমাণে জন্মে সেগুলো হলো কাঁঠাল, আম, লিচু, লেবুজাতীয় ফল, আনারস, কলা, কুল, পেঁপে, পেয়ারা এবং নারিকেল যেগুলো প্রধান ফল হিসেবে বিবেচিত। এছাড়া বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে অপ্রধান ফল জন্মে। বর্তমানে একজন পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির দৈনিক ফলের ২০০ গ্রাম চাহিদার বিপরীতে প্রাপ্যতা হলো মাত্র ৭৪.৪২ গ্রাম। সে হিসাবে ১৬ কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত বাংলাদেশে ফলের বার্ষিক চাহিদা ১১৬.৮০ লাখ মেট্রিক টন। বাংলাদেশে ১.৩৭ লাখ হেক্টর জমি থেকে প্রায় ৪৩.৪৭ লাখ মেট্রিক টন ফল উৎপাদিত হয় (বিবিএস, ২০১২)। স...

বিস্তারিত পড়ুন
চাষাবাদ পদ্ধতিফল চাষ

তরমুজ চাষ পদ্ধতি

তরমুজ চাষ পদ্ধতি বাংলাদেশে যত প্রকার ফল রয়েছে তার মধ্যে একটি অন্যতম ফল তরমুজ। তরমুজ চাষ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনার শুরুতেই আসে এর জমি তৈরি এবং ভালো বীজের জোগান। জমি তৈরি: প্রয়োজনমতো চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে। জমি তৈরির পর মাদা প্রস্তুত করতে হবে। মাদাতে সার প্রয়োগ করে চারা লাগানো উচিত। বীজ বপন সময়/উৎপাদন মৌসুম: বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত আবহাওয়া তরমুজ চাষের উপযোগী। বীজ বোনার জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম পক্ষ সর্বোত্তম। বপন/রোপণ পদ্ধতি: সাধারণত মাদায় সরাসরি বীজ বপন পদ্ধতি প্রচলিত থাকলেও চারা তৈরি করে মাদাতে চারা রোপণ করাই উত্তম। বীজ বপন: সাধারণত প্রতি মাদায় ৪-৫টি বীজ বপন করা হয়। বপনের ৮-১০ দিন আগে মাদা তৈরি করে মাটিতে সার মিশাতে হয়। দু মিটার দূরে দূরে সারি করে প্রতি সারিতে দু মিটার অন্তর মাদা করতে হয়। প্রতি মাদা ৫০ সেমি. প্রশস্ত ও ৩০ সেমি. গভ...

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য ফসলচাষাবাদ পদ্ধতিফল চাষ

বাউকুল চাষ পদ্ধতি

বাউকুল চাষ পদ্ধতি সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে বাউকুল। এই বাউকুল চাষ করে যে কেউই সহজে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারেন। নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে এই মৌসুমী ফলের চাষ পদ্ধতি বিস্তারিত তুলে ধরেছেন সফল বাউকুল চাষী নরসিংদীর এম এ কাউসার মিলন।  বাংলাদেশের আবহাওয়া কুল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। জলা বদ্ধতাহীন যে কোন মাটিতে বাউকুল চাষ করা যায়। এই গাছের জীবনীশক্তি অনেক। অল্প পুঁজি, অল্প জমি এবং অল্প সময়ে বাউকুল চাষ করে সফলতা আনা সম্ভব।  বাউকুল চাষের মাধ্যমে এক বিঘা (ত্রিশ শতাংশ) জমি থেকে ছয় বছরে সম্ভাব্য নু্ন্যতম আয় ১৮-২০ লক্ষ টাকা আয় করা সম্ভব। এছাড়াও বিভিন্ন সাথী ফসল তো আছেই। চারা লাগানোর প্রথম বছর ছাড়াও প্রতি বছর গাছ ছাঁটার পর জমি ফাঁকা হয়ে যায়। তখন মৌসুমী সবজি চাষ করে কুল বাগানের বাৎসরিক পরিচর্যা খরচ উঠিয়ে নেয়া সম্ভব। এই সময়টুকুতে বেগুন, গ্রীষ্মক...

বিস্তারিত পড়ুন