প্রানিসম্পদমুরগিসাম্প্রতিক পোষ্ট

মুরগীর খামার গড়তে সঠিক স্থান নির্বাচন কৌশল

যারা নতুন করে মুরগীর খামার গড়তে চাচ্ছেন তাদের খামার শুরু করার পূর্বে প্রথমেই মাথায় রাখতে হবে মুরগীর খামার গড়তে সঠিক স্থান নির্বাচন কৌশল প্রথমেই জানা উচিত। কারন একটি খামার গড়ার পূর্ব সর্ত হোল ভাল একটি স্থান নির্বাচন করা। আজ আমরা এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাবো। মুরগির খামার স্থাপনের ক্ষেত্রে স্থান নির্বাচনের বিবেচ্য বিষয়সমুহঃ- ◗ মুরগি খামার তৈরির জন্য নির্বাচিত স্থান বড় রাস্তা থেকে একটু দূরে হতে হবে। ◗ লোকালয় বা আবাসিক ঘন বসতি এলাকা হতে দূরে। ◗ অন্য মুরগি খামার বা প্রানীর ঘর থেকে নিরাপদ দূরত্বে হতে হবে। ◗ পর্যাপ্ত আলো-বাতাসযুক্ত খোলামেলা পরিবেশ হতে হবে। ◗ শব্দ সৃষ্টিকারী ও দুষিত গ্যাস বা বর্জ্য নির্গমনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে দূরে হতে হবে। ◗ বন্যামুক্ত উঁচু জায়গায় যার আশেপাশে পানি থাকে না এমন স্থান। ◗ বসতবাড়ি, গোয়ালঘর ও আবর্জনার স্তুপ থেকে দূরে। ◗ ঝোপঝা...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষি প্রযুক্তিগবাদি পশু পালনছাগল পালনপ্রানিসম্পদসাম্প্রতিক পোষ্ট

ছাগলের খামারের মাচা তৈরির পদ্ধতি

ছাগলের খামার বাংলাদেশে প্রেক্ষাপটে একটি লাভজনক প্রকল্প। বহু তরুণ যুবক এই ছাগলের খামার গড়ে বেকারত্ব দূর করেছেন। কিন্তু প্রায়ই অনেক খামারি ছাগলের খামাদের মাচা সঠিক ভাবে তৈরি করতে পারেন না। তাদের জন্যই মুলত আজকেই এই পোস্টটি। ছাগলের মাচা বা বাসস্থান ছন, গোল পাতা, খড়, টিন বা ইটের তৈরি হতে পারে। তবে ঘরের ভিতর বাঁশ বা কাঠের মাচাঁ তৈরি করে তার উপর ছাগল রাখতে হবে। প্রথম পদ্ধতিঃ মাচা তৈরি : ছাগলের ঘর যে ধরনের হোক না কেন ঘরের ভেতরে বাঁশ বা কাঠের মাচা তৈরি করে তার ওপর ছাগল রাখতে হবে। একটি মাচা তৈরি করতে ১৫০-২০০ টাকা খরচ হয়। বিভিন্নভাবে ছাগলের মাচা তৈরি করা যায়। বাঁশের বাতা দিয়ে চকির মতো করে করা যায়। আবার বাঁশের বাতা মোটা সুতা দিয়ে বুনিয়ে ফোল্ডিং (Folding) মাচা তৈরি করা যায়, যা রাতে ছাগলের জন্য ব্যবহার করে সকালে মুড়িয়ে/গুটিয়ে উঠিয়ে রাখা যায়। কম জায়গায় ফোল্ডিং মাচা ব্যবহার করা সুবিধাজনক। কাঠ...

বিস্তারিত পড়ুন
গাভীপ্রানিসম্পদ

স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গাভীর দুগ্ধ উৎপাদন উৎপাদন পদ্ধতি

স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গাভীর দুগ্ধ উৎপাদন উৎপাদন পদ্ধতি যারা বাণিজ্যিক ভাবে দুধ উৎপাদনের সাথে জড়িত তারা হয়তো অনেকই এই বিষয়টি নজরে আনেন না যে একটি গাভী থেকে কিভাবে স্বাস্থ্যকর উপায়ে দুধ উৎপাদন করবেন। আমরা সবাই জানি দুগ্ধ একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাদ্য । গবাদিপশু যেমন গরু, মহিষ ইত্যাদি প্রাণীর দুগ্ধ আমরা পান করে থাকি। তাই আমাদের এই ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন হওয়া দরকার যে, আমরা যে দুগ্ধ পান করি সেটি যেন স্বাস্থ্যকর হয়। পরিষ্কার দুগ্ধ বলতে বোঝায়, একটি রোগমুক্ত সুস্বাস্থ্যযুক্ত গাভী থেকে পরিষ্কার ভাবে দুগ্ধ উৎপাদন, যেখানে অপদ্রব্য এবং জীবাণু অনেক কম পরিমাণে উপস্থিত থাকবে। পরিষ্কার দুগ্ধ উৎপাদন করলে সেটি যেমন একদিকে কৃষকদের জন্য বেশি অর্থ উপার্জনের পথ খুলে দেবে, তেমনি যারা এই দুগ্ধ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করবে তারাও উপকৃত হবে। পরিষ্কার দুগ্ধ উৎপাদনের পদ্ধতি: সর্বপ্রথমে আমাদের খেয়াল রাখা উ...

বিস্তারিত পড়ুন
প্রাণীর রোগবালাই দমনপ্রানিসম্পদ

হঠাৎ গবাদিপশুর খাওয়া কমে গেলে কী করবেন

হঠাৎ গবাদিপশুর খাওয়া কমে গেলে কী করবেন খামার গড়ার উপযোগী আবহাওয়া থাকায় বাংলাদেশের অনেক শিক্ষিত যুবক গবাদিপশু পালনকে পেশা হিসাবে নিয়েছেন। কারন আমাদের দেশে গবাদিপশু পালন একটি জনপ্রিয় ও লাভজনক পেশা। গবাদিপশু পালন করে অনেকেই তাদের বেকারত্ব দূর স্বাবলম্বী হচ্ছেন। গবাদিপশু পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এগুলোর মধ্যে গবাদিপশুর হঠাৎ খাওয়া কমে যাওয়া অন্যতম। আসুন জেনে নেই গবাদিপশুর খাওয়া হঠাৎ কমে গেলে কী করবেন সে সম্পর্কে জেনে নিন। হঠাৎ খাওয়া কমে গেলে করণীয়: খাদ্যে পরিবর্তন আসলে: প্রত্যেহ যে খাবারে প্রাণি অভস্ত হয় তার প্রতিই স্বভাবত বেশী অগ্রহ থাকবে। খাবার পরিমাণ টাও আগের মত নির্দিষ্ট থাকবে। এর বিপরিত অন্য কোন নতুন খাবার দিলে কম খাবে বা খেতে চাবেনা। কারণ তারও একটা মনস্তাত্তিক বিষয় কাজ করে। নতুন খাবার কী তার জন্য সত্যিই ভাল তাও হয়ত কারণ হতে পারে। এক্ষেত্রে স্বাদের পরিবর...

বিস্তারিত পড়ুন
গবাদিপশুর রোগ বালাইপ্রাণীর রোগবালাই দমনপ্রানিসম্পদসাম্প্রতিক পোষ্ট

গবাদি পশুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার

গবাদি পশুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার সাম্প্রতিককালে দেশের বিভিন্ন জায়গা গরু এলএসডি আক্রন্ত হয়‌েছে । যশোর , গোপালগঞ্জ , শর‌িয়তপুর সহ একাধিক জেলায় ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়‌েছে। এল এস ডি গরুর জন্য একটা ভয়ংকর ভাইরাস বাহিত চর্মরোগ যা খামারের ক্ষতির কারণ। এই রোগের গড় মৃত্যুহার আফ্রিকাতে ৪০%। মূলত আফ্রিকায় একাধিকবার মহামারী আকারে দেখা গেলেও আমাদের দেশে গরুতে এই রোগের প্রাদুর্ভাব কখনো মহামারী আকারে দেখা যায় নাই। একটা খামারকে অর্থনৈতিক ভাবে ধসিয়ে দেয়ার জন্য এফ এম ডি বা খুরারোগের চেয়ে অনেক বেশি ভয়ংকর রোগ হিসাবে ধরা হয়। ১৯২৯ সালে আফ্রিকার ‘জাম্বিয়া’ প্রথম অফিসিয়ালি সনাক্ত হওয়া এই রোগ ১৯৪৩ সল্ থেকে ৪৫ সালের মধ্যে মহাদেশের বিস্তীর্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এই সময়ের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা, মোজাম্বিক শোঃ পার্শ্ববর্তী দেশ গুলোতে হাজার হাজার গরু আক্রান্ত হয়ে মারা যায় এবং শত শত খাম...

বিস্তারিত পড়ুন