প্রাণীর রোগবালাই দমনপ্রানিসম্পদ

হঠাৎ গবাদিপশুর খাওয়া কমে গেলে কী করবেন

হঠাৎ গবাদিপশুর খাওয়া কমে গেলে কী করবেন খামার গড়ার উপযোগী আবহাওয়া থাকায় বাংলাদেশের অনেক শিক্ষিত যুবক গবাদিপশু পালনকে পেশা হিসাবে নিয়েছেন। কারন আমাদের দেশে গবাদিপশু পালন একটি জনপ্রিয় ও লাভজনক পেশা। গবাদিপশু পালন করে অনেকেই তাদের বেকারত্ব দূর স্বাবলম্বী হচ্ছেন। গবাদিপশু পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এগুলোর মধ্যে গবাদিপশুর হঠাৎ খাওয়া কমে যাওয়া অন্যতম। আসুন জেনে নেই গবাদিপশুর খাওয়া হঠাৎ কমে গেলে কী করবেন সে সম্পর্কে জেনে নিন। হঠাৎ খাওয়া কমে গেলে করণীয়: খাদ্যে পরিবর্তন আসলে: প্রত্যেহ যে খাবারে প্রাণি অভস্ত হয় তার প্রতিই স্বভাবত বেশী অগ্রহ থাকবে। খাবার পরিমাণ টাও আগের মত নির্দিষ্ট থাকবে। এর বিপরিত অন্য কোন নতুন খাবার দিলে কম খাবে বা খেতে চাবেনা। কারণ তারও একটা মনস্তাত্তিক বিষয় কাজ করে। নতুন খাবার কী তার জন্য সত্যিই ভাল তাও হয়ত কারণ হতে পারে। এক্ষেত্রে স্বাদের পরিবর...

বিস্তারিত পড়ুন
গবাদিপশুর রোগ বালাইপ্রাণীর রোগবালাই দমনপ্রানিসম্পদসাম্প্রতিক পোষ্ট

গবাদি পশুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার

গবাদি পশুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার সাম্প্রতিককালে দেশের বিভিন্ন জায়গা গরু এলএসডি আক্রন্ত হয়‌েছে । যশোর , গোপালগঞ্জ , শর‌িয়তপুর সহ একাধিক জেলায় ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়‌েছে। এল এস ডি গরুর জন্য একটা ভয়ংকর ভাইরাস বাহিত চর্মরোগ যা খামারের ক্ষতির কারণ। এই রোগের গড় মৃত্যুহার আফ্রিকাতে ৪০%। মূলত আফ্রিকায় একাধিকবার মহামারী আকারে দেখা গেলেও আমাদের দেশে গরুতে এই রোগের প্রাদুর্ভাব কখনো মহামারী আকারে দেখা যায় নাই। একটা খামারকে অর্থনৈতিক ভাবে ধসিয়ে দেয়ার জন্য এফ এম ডি বা খুরারোগের চেয়ে অনেক বেশি ভয়ংকর রোগ হিসাবে ধরা হয়। ১৯২৯ সালে আফ্রিকার ‘জাম্বিয়া’ প্রথম অফিসিয়ালি সনাক্ত হওয়া এই রোগ ১৯৪৩ সল্ থেকে ৪৫ সালের মধ্যে মহাদেশের বিস্তীর্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এই সময়ের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা, মোজাম্বিক শোঃ পার্শ্ববর্তী দেশ গুলোতে হাজার হাজার গরু আক্রান্ত হয়ে মারা যায় এবং শত শত খাম...

বিস্তারিত পড়ুন
কবুতরগবাদিপশুর রোগ বালাইপাখীপ্রাণীর রোগবালাই দমনপ্রানিসম্পদরোগ দমন

কবুতরের কিছু রোগ ও এর প্রতিকার

কবুতরের কিছু রোগ ও এর প্রতিকার আবহমানকাল থেকে বাংলাদেশের মানুষ গ্রামীণ পরিবেশে দু’চারটা করে দেশী কবুতর পালন করত। বিদেশী দামী কবুতরও গ্রামে ও শহরে দু’জায়গাতেই পালন করছে। শহরে শখের বশে দু’চারটা করে বিদেশী বিভিন্ন জাতের কবুতর পালন করলেও আজকাল অর্থনৈতিক লাভের আশায় অনেকেই বেশ বড় করে কবুতরের খামার করে আসছে।কবুতর একটি অতি সংবেদনশীল পাখি যা সহজেই বিভিন্ন ধরনের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। অতি সতর্কতার সাথে সঠিকভাবে যত্ন না করলে সাধারনতঃ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। কবুতরের ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ সাধারনতঃ নিম্নলিখিত কারণে হয়ে থাকে- ক) খাদ্যদূষণ জনিত কারণেখ) পানিদূষণ জনিত কারণেগ) বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড়ের কামড়ের কারণেঘ) কোন স্থানে ক্ষতের সৃষ্টি হলেঙ) শ্বাসতন্ত্রের সমস্যার জন্য নাক দিয়ে শ্লেষ্মা বা নিঃসৃত পদার্থের কারণে ইত্যাদি। কবুতরের ভাইরাসজনিত রোগ নিম্নলি...

বিস্তারিত পড়ুন
প্রাণীর রোগবালাই দমনপ্রানিসম্পদ

গবাদিপশুর অ্যানথ্রাক্স রোগ, লক্ষণ ও প্রতিকার জেনে নিন

গবাদিপশুর অ্যানথ্রাক্স রোগ, লক্ষণ ও প্রতিকার জেনে নিন অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা রোগ গবাদিপশুর একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। গবাদিপশু থেকে এ রোগে মানুষেও ছড়ায়। এ রোগের জীবাণু দ্বারা সংক্রামিত খাদ্য খেয়ে বিশেষ করে বর্ষাকালে নদী-নালার পানি ও জলাবদ্ধ জায়গার ঘাস খেয়ে গবাদিপশু অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত হয়। রাতে গোয়াল ঘরে সুস্খ গরু রেখে এসে সকালে গিয়ে যদি দেখা যায় গরু মরে চিৎ হয়ে পড়ে আছে তাহলে যেসব রোগে মারা যেতে পারে বলে মনে করা হয় অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা রোগ তার মধ্যে অন্যতম। রোগের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে গরু মারা যায়। অনেক সময় লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পরপরই গরু মারা যেতে পারে। চিকিৎসার কোনো সুযোগই পাওয়া যায় না। এমনই ঘাতক ব্যাধি অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা রোগ। অ্যানথ্রাক্স বা তড়কা রোগের ইতিহাস অনেক পুরনো। খ্রিষ্টপূর্ব ১৪৯১ সালেও মিসরে এ রোগের প্রাদুর্ভাব ছিল বলে জানা যায়।

বিস্তারিত পড়ুন
গবাদি পশু পালনগরুগাভীপ্রাণীর রোগবালাই দমনপ্রানিসম্পদ

গবাদিপশুর ভ্যাকসিন ও কৃমিনাশক ঔষধ ব্যবহারের নিয়মাবলী

গবাদিপশুর ভ্যাকসিন ও কৃমিনাশক ঔষধ ব্যবহারের নিয়মাবলী (ভ্যাকসিন বা টিকাবীজ) টিকাবীজ (Vaccine) হলো এমন একটি দ্রবন যা নির্দিষ্ট কোন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে। আর এ জন্যই নির্দিষ্ট রোগের জিবানু দিয়েই এই টিকাবীজ (Vaccine) তৈরী করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন রোগের ভ্যাকসিন ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা, প্রতিরোধের মেয়াদকাল, প্রয়োগের স্থান, ও সংরক্ষনের তাপমাত্রা বিভিন্ন হতে পারে। গরুর উল্লেখ্যযোগ্য কয়েকটি রোগের Vaccine এর ব্যবহারবিধি তুলে ধরা হলো। তড়কা (Anthrax)= ৪ মাস বয়স উর্ধ্ব সকল গরুকে চামড়ার নিচে ১ সিঃসিঃ করে বৎসরে ১ বার দিতে হবে। গর্ভবতী গাভী ৮ মাসের উপড়ে হলে দেওয়া যাবে না। বাদলা (Black Quarter B/Q)= ৪ মাস বয়স থেকে শুরু করে ২.৫ বছরের মধ্যকার সকল গরুকে চামড়ার নিচে ৫ সিঃসিঃ করে ৬ মাস পরপর দিতে হবে। গলাফুলা (Haemorrhagic Septicemia)= ৬ মাস বয়স উর্ধ্ব সকল গরুকে ২ সিঃসিঃ করে চামড়ার নিচে (Booster Dose/ Nex

বিস্তারিত পড়ুন