পাখীপ্রানিসম্পদসাম্প্রতিক পোষ্ট

বাজরিগার পাখির খামার করে আয়

বাজরিগার পাখির খামার করে আয় ২০ জোড়া বাজরিগার পাখির খামার থেকে প্রতিমাসে গড়ে ১০০০০ থেকে ২০০০০ tk আয় করা সম্ভব । শুধুমাত্র ৩০০০০ টাকা বিনিয়োগ করে । প্রতি এক জোড়া পাখি গড়ে ২ মাসে ১ বার বাচ্চা জন্ম দেয়। প্রতিবার ৪ থেকে ৮ টি বাচ্চা জন্ম দেয়। গড়ে বছরে ৩০ টি বাচ্চা জন্ম দেয়। নতুন বাচ্চা পাখি চার থেকে পাঁচ মাসে পূর্ণবয়স্ক হয়ে যায় । প্রতি জোড়া পাখির একমাসে খাবার খরচ ৫০ টাকা । তাহলে ৪ মাসে একজোড়া বাঁচার পেছনে খরচ হয় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। এক জোড়া পূর্ণবয়স্ক পাখির মূল্য ২ থেকে ৩ হাজার টাকা । মাসে এর খাবার খরচ আসে ২০০-৩০০ টাকা । গড়ে এক জোড়া পূর্ণবয়স্ক বাজরিগার পাখির দাম ৮০০ টাকা হিসাব করলে । সব খরচ বাদ দিয়ে লাভ থাকে ৫০০ টাকার মতো। এক জোড়া পাখি থেকে যদি বছরে ১৫ জোড়া বাচ্চা পাওয়া যায় এর বিক্রয় মূল্য খাবার খরচ বাদে আসে ১৫০০০০ টাকা । ২০×৭৫০০ =১৫০০০০৳ গড়ে এক মাসে ইনকাম আস...

বিস্তারিত পড়ুন
পাখীপ্রানিসম্পদসাম্প্রতিক পোষ্ট

মুনিয়া পাখি পালন পদ্ধতি

মুনিয়া পাখি পালন পদ্ধতি মুনিয়া মূলত আমাদের এশিয়ান একটি পাখি। সাধারণত বনে জঙ্গলে এবং খেতে খামারে এই পাখিটি বসবাস করে। বর্তমানে অনেকেই শখ করে পাখিটি বাড়িতে পুষে থাকে। এই প্রকৃতির পাখিটিকে খাঁচায় আটকে পালন করা কখনোই উচিত না । কিন্তু যারা মুনিয়া পাখি খাঁচায় পালন করছে । তাদের অবশ্যই এই পাখিটিকে সঠিকভাবে যত্ন ও পরিচর্যা করা উচিৎ। এখানে মুনিয়া পাখি পালন এর সঠিক নিয়ম কানুন , মুনিয়া পাখির খাবার তৈরির নিয়ম, মুনিয়া পাখির ব্রিডিং পদ্ধতি, মুনিয়া পাখির জন্য খাঁচার সাইজ, মুনিয়া পাখির যত্ন , ও পরিচর্যা করার ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো। মুনিয়া পাখি পালন । মুনিয়া পাখির খাঁচা : মুনিয়া পাখি পালন করার জন্য খাঁচার আকৃতি সঠিক হওয়া প্রয়োজন। ছোট খাঁচায় মানে ১২”/১২” খাঁচায় একজোড়া মুনিয়া পাখি পালন করতে পারেন। তবে বাজরিগার পাখির জন্য ব্যবহৃত খাঁচায় যার আকৃতি ১২”/ ১৮” ইঞ্চি ...

বিস্তারিত পড়ুন
কবুতরগবাদিপশুর রোগ বালাইপাখীপ্রাণীর রোগবালাই দমনপ্রানিসম্পদরোগ দমন

কবুতরের কিছু রোগ ও এর প্রতিকার

কবুতরের কিছু রোগ ও এর প্রতিকার আবহমানকাল থেকে বাংলাদেশের মানুষ গ্রামীণ পরিবেশে দু’চারটা করে দেশী কবুতর পালন করত। বিদেশী দামী কবুতরও গ্রামে ও শহরে দু’জায়গাতেই পালন করছে। শহরে শখের বশে দু’চারটা করে বিদেশী বিভিন্ন জাতের কবুতর পালন করলেও আজকাল অর্থনৈতিক লাভের আশায় অনেকেই বেশ বড় করে কবুতরের খামার করে আসছে।কবুতর একটি অতি সংবেদনশীল পাখি যা সহজেই বিভিন্ন ধরনের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। অতি সতর্কতার সাথে সঠিকভাবে যত্ন না করলে সাধারনতঃ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। কবুতরের ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ সাধারনতঃ নিম্নলিখিত কারণে হয়ে থাকে- ক) খাদ্যদূষণ জনিত কারণেখ) পানিদূষণ জনিত কারণেগ) বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড়ের কামড়ের কারণেঘ) কোন স্থানে ক্ষতের সৃষ্টি হলেঙ) শ্বাসতন্ত্রের সমস্যার জন্য নাক দিয়ে শ্লেষ্মা বা নিঃসৃত পদার্থের কারণে ইত্যাদি। কবুতরের ভাইরাসজনিত রোগ নিম্নলি...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষির তথ্যকোয়েলপাখীপ্রাণীর রোগবালাই দমন

কোয়েল পালন ও চিকিৎসা পদ্ধতি

কোয়েল পালন ও চিকিৎসা বিভিন্ন গৃহপালিত পাখির মধ্যে সবচেয়ে ক্ষুদ্র প্রজাতি। কোয়েল পালনে কবুতরের মতো নির্দিষ্ট ঘর যেমন প্রয়োজন হয় না আবার মুরগির মতো ব্যাপক আকারের খামারেরও প্রয়োজন নেই। তাই কোয়েল পালন আজকাল অনেক ব্যাপক হয়ে উঠেছে। কোয়েলের আদি জন্মস্থান জাপানে। সর্বপ্রথম জাপানী বিজ্ঞানীরা কোয়েলকে গৃহপালিত পাখি হিসেবে পোষ মানানোর উপায় উদ্ভাবন করেছেন। পরবর্তীতে জাপান সহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশে কোয়েলকে একটি লাভজনক পোলট্টি উপাদান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কোয়েল পালন করার জন্য অতিরিক্ত বা বাহুল্য কোন খরচ হয় না। কোয়েলকে সহজেই পোষ মানানো যায়। বাড়ির যেকোন কোণ বা আঙিনা অথবা বাড়ির ছাদ ইত্যাদি জায়গাতেও কোয়েল পালন করা যায়। এই কারণে, শহরে কী গ্রামে অনেক স্থানেই কোয়েল পালন ব্যাপক ও সহজতর হয়েছে। গৃহপালিত পাখির মধ্যে অতি ক্ষুদ্র এই পাখির আয়তন খুব বেশি নয়। একটি মুরগি পালনের স্থানে মোটা...

বিস্তারিত পড়ুন