Agribusiness Insurance, Farmers Law

টবে হলুদ চাষ পদ্ধতি

টবে হলুদ চাষ পদ্ধতি

ছাদবাগানের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা আলোচনা করব টবে হলুদ চাষ পদ্ধতি নিয়ে। সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং শেয়ার করে দিন অন্য ছাদ বাগান প্রেমী বন্ধুদের কাছে।

হলুদ একটি মসলা গাছ।রান্না ছাড়াও রূপচর্চায় হলুদের ব্যবহার সর্বমহলে সমাদৃত।প্রিয় পাঠক, চলুন একনজরে দেখে নিই টবে কিভাবে হলুদ চাষ করতে হয়।

মাটিঃ
উর্বর দো-আঁশ বা বেলে দো-আঁশ মাটি হলুদের জন্য ভালো। সাথী ফসল হিসাবে হলুদ চাষ লাভজনক। সম্পূর্ণ ছায়াযুক্ত স্থানে চাষ করলে ফলন খুবই অল্প হবে, তবে অর্ধেক ছায়া অর্ধেক আলো এমন বড় ছাদে চাষ করালে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

জাতঃ
মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত হলুদের তিনটি উচ্চ ফলনশীল জাত হচ্ছে (ক) বারি হলুদ-১ (ডিমলা), (খ) বারি হলুদ-২ (সিন্দুরী) ও (গ) বারি হলুদ-৩।

বীজ লাগানোঃ
চৈত্র মাস কন্দ লাগানোর উপযুক্ত সময়। সাধারণতঃ ১৫-২০ গ্রাম ওজনের ১-২টি ঝুঁড়ি বিশিষ্ট কন্দ লাগাতে হয়। ৫০ সেন্টিমিটার দূরে দূরে ৭-৮ টি চারা একটি টবে লাগাতে হবে।

সারঃ
পুষ্টির জন্য গোবর সার কিংবা কম্পোস্ট দেয়া যেতে পারে।

ব্যবস্থাপনাঃ
মাটিতে রস না থাকলে মাঝে মাঝে সেচ দিতে হবে। বৃষ্টির পানি যাতে গাছের গোড়ায় না জমে সেজন্য নালা করে পানি বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। আগাছা দেখা দিলে তা পরিষ্কার করতে হবে। তবে সার উপরি প্রয়োগের সময় আগাছা পরিষ্কার করে প্রয়োগ করা ভাল।

কীট ও রোগনাশকঃ
ডগা ছিদ্রকারী পোকা-সুমিথিয়ন ৫০ ইসি ২০ মিলি প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন পর পর স্প্রে করে এ পোকা দমনে রাখা যায়।
রাইজোম স্কেল পোকা-জুলাই- আগস্ট মাসে আক্রান্ত রাইজোম তুলে ধ্বংশ করতে হবে।
বিছা পোকা-আলোর ফাঁদ দিয়ে মথ আকৃষ্ট করে মারা। কীড়া দলবদ্ধ থাকা কালীন সংগ্রহ করে হাত দিয়ে পিষে মারা। ক্ষেতের মাঝে কঞ্চি পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করলে মথ, কীড়া ইত্যাদি ধরে খায়।

Comments are closed.