Agribusiness Insurance, Farmers Law

টবে রজনীগন্ধা চাষ পদ্ধতি

টবে রজনীগন্ধা চাষ পদ্ধতি

শহরের বাড়িতে বাড়িতে ছাদ কৃষির জয়জয়কার ।প্রিয় পাঠক,এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ আমরা আলোচনা করবো টবে রজনীগন্ধা ফুল চাষ পদ্ধতি নিয়ে।সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং শেয়ার করে দিন অন্য ছাদ বাগান প্রেমী বন্ধুদের কাছে।

শীতকালীন ফুল হিসেবে রজনীগন্ধা ফুলের খ্যাতি সর্ব জন বিদিত। তাই আজ আমরা এ ফুলের চাষ পদ্ধতি আলোচনা করব।

বংশবিস্তার পদ্ধতি:
রজনীগন্ধা ফুল দুটি পদ্ধতিতে বংশবিস্তার করা সম্ভব। একটি বীজ থেকে ও অন্যটি কন্দ থেকে বংশবিস্তার করা সম্ভব।

চাষের সময়:
শীতকালে রজনীগন্ধা ফুলের উৎপাদন কমে যায়। গ্রীষ্মকাল ও বর্ষাকালে এর ভাল চাষ হয়।

টব:
রজনীগন্ধা চাষের জন্য মাঝারি ও বড় আকারের টব হলেই চলবে।

মাটি তৈরি ও সার প্রয়োগ:
দোঁআশ মাটি ও বেলে দোঁআশ মাটি রজনীগন্ধা চাষের জন্য ভাল। এছাড়া এঁটেল মাটিতেও এই চাষ হয়।গোবর, পাতাসার মিশিয়ে সারমাটি তৈরী করুন।৪ সপ্তাহ পর থেকে ২১ দিন অন্তর নির্দিষ্ট পরিমান পানি নিয়ে তাতে কিছুটা ভি.এ.পি,কিছুটা ম্যাগেশিয়াম সালফেট,কিছুটা মিউরিয়েট অফ পটাশ দিতে হবে। তাতে ফুলের বৃদ্ধি হবে তাড়াতাড়ি ও টবের মাটি ভাল থাকবে। তবে এঁটেলমাটির ক্ষেত্রে সার কম লাগবে।

পরিচর্যা:
রজনীগন্ধা গাছে পানি দেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে গোড়ায় পানি না জমে।  নিয়ম করে মাটি খুঁচিয়ে দিতে হবে। আড়াই থেকে তিন বছর অন্তর শীতকাল নাগাদ ঝাড় তুলে মোটা বা বড় মূলগুলো আবার সারমাটি দিয়ে লাগানো যেতে পারে।

কীট ও পোকামাকড় দমনঃ
ধ্বসা রোগের আক্রমনের সম্মুখীন হতে হয়। এর ফলে গাছের শিকরে পচন ধরে। গাছের পাতা খসে যায়। ফুলের মঞ্জরীগুলো ঢলে পড়ে। এক্ষেত্রেআক্রান্ত গাছগুলো তুলে ফেলতে হবে। গাছের গোড়ার মাটিতে নির্দিষ্ট জলে কুপ্রাভিট অথবা ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে দিতে হবে। রোগাক্রান্ত গাছে ১৫-১৮ দিন পরপর ৩ বার এই মিশ্রণ প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ছত্রাক আক্রান্ত হলে, ফুলের বোটা নরম হয়ে যায়। এক্ষেত্রে প্রতিমাসে একবার নিয়মিত কীটনাশক স্প্রে করলে ভাল হয়।

Comments are closed.