কৃষি ব্যবসা আইডিয়া ভিত্তিক ব্লগ

টবে পুদিনা চাষ পদ্ধতি

টবে পুদিনা চাষ পদ্ধতি

শহরে টব কৃষির জনপ্রিয়তা প্রচুর ।প্রিয় পাঠক,এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ আমরা আলোচনা করবো টবে পুদিনা চাষ পদ্ধতি নিয়ে।সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং শেয়ার করে দিন অন্য ছাদ বাগান প্রেমী বন্ধুদের কাছে।

বাংলাদেশে পুদিনা অতি পরিচিত একটি ঔষধি উদ্ভিদ। বদহজমের রোগে পুদিনার চিকিৎসা অব্যর্থ দাওয়াই এর কাজ করে। তাই আজ আমরা পুদিনার চাষ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব।

মাটি নির্বাচনঃ
পুদিনা পাতা দো-আঁশ মাটিতে সবচেয়ে ভাল হয়।ঝুরঝুরে মাটির সঙ্গে সামান্য গোবর সার মিশিয়ে গাছ লাগালে গাছের ফলন ভালো হয়।মাটি তৈরির সময় গোবর ২ কেজি, দো-আঁশ মাটি ৪ কেজি হারে মেশাতে হবে। ওই মিশ্রণ থেকে প্রতিটি টব বা কন্টেইনারে ৩ থেকে ৪ কেজি মিশ্রণ স্থাপন করে পুদিনা পাতার গাছ লাগাতে হবে।

টব বাছাইঃ
ছোট টব বা পুরনো তেলের কন্টেইনার বা পুরোনো বোতল জাতীয় পাত্র বাছাই করা যায়। যেকোন ছোট পাত্রেও পুদিনা লাগানো যায়।

জাত বাছাই ও রোপনের সময় নির্ধারণঃ
পুদিনার উন্নত মানের জাতসমূহ হচ্ছে পিপারমিন্ট, স্পিয়ার মিন্ট ও অ্যাপেল মিন্ট। আর্বেনেসিস এদেশের আবহাওয়ার সাথে সার্বজনীন।জুন অথবা অক্টোবর-নভেম্বর মাসে পুদিনার চারা রোপণ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ভালো ফলন পাওয়া যায়।

সেচঃ
মাঝে মাঝে পানি দিতে হবে। পরিমিত পানি হলেই চলে।

সার প্রয়োগঃ
পরিমাণ মত গোবর বা জৈবসার মিশিয়ে দিতে হয়। এছাড়া অন্যান্য উপাদান হিসেবে কিছু পরিমাণ হাড়ের গুঁড়া, টিএসপি সার,  কাঠের ছাই অথবা এমওপি সার দেয়া যায়।

পরিচর্যাঃ
 মাঝে মাঝে টব গুলো বাইরে এনে সূর্যের আলো লাগাতে হবে। গাছের গোড়ার মাটি গুলো আলগা করে দিতে হবে। যে পাত্রে পুদিনা লাগানো হবে সেই পাত্রের নীচে ২/৩টি ছোট ছিদ্র করে দিতে হবে।

পাতা  সংগ্রহ
একবার কয়েকটি গাছ রোপণ করলেই কিছুদিনের মধ্যে তা অনেক গাছে রূপান্তরিত হয়। তখন থেকেই পাতা সংগ্রহ করা যায়। পাতা সংগ্রহের সময় গাছের গোড়া বা শিকড়ের কোনো ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।