কৃষি ব্যবসা আইডিয়া ভিত্তিক ব্লগ

টবে দারুচিনি চাষ পদ্ধতি

টবে দারুচিনি চাষ পদ্ধতি

শহরে বর্তমানে টবে কৃষির জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী ।প্রিয় পাঠক,এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ আমরা আলোচনা করবো টবে দারুচিনি চাষ পদ্ধতি নিয়ে।সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং শেয়ার করে দিন অন্য ছাদ বাগান প্রেমী বন্ধুদের কাছে।

আমাদের দেশী মসলাগুলোর মাঝে দারুচিনি অন্যতম। খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি এর রয়েছে ভেষজ গুণাবলি। তাই আজ আমরা আলোচনা করব টবে দারুচিনি চাষ পদ্ধতি নিয়ে।

মাটি নির্বাচন ও টব ভর্তিকরণঃ
উত্তম নিষ্কাশনযুক্ত বেলে দোআঁশ মাটি উপযুক্ত। দারুচিনি খরা একেবারেই সহ্য করতে পারে না। ঘরের ভিতরে বা ছাদবাগানের জন্যে একটি বড় পাত্র ব্যবহার করতে হবে।বীজ সংগ্রহ করে বা নার্সারি থেকে দারুচিনি গাছ কিনে লাগানো যায়।

সেচঃ
মাটি সার্বক্ষণিক সিক্ত রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি দিতে থাকুন নিয়মিত। দারুচিনি গাছ পাত্রে রোপন করার পর, টবের নিচের গর্ত থেকে পানি বের না হওয়া পর্যন্ত পানি দিতে থাকুন। টবের উপরের ৫ সেন্টিমিটার শুকিয়ে গেলেই আবার গাছটিকে পানি দিন।

পরিচর্যাঃ
প্রথম বছর ৫০ গ্রাম টিএসপি, ৭৫ গ্রাম এমওপি ও ৫০ গ্রাম ইউরিয়া প্রয়োগ করতে হবে। প্রতিবছর ২-৩ কেজি ট্রাইকোকম্পোস্ট ও সার প্রয়োগ শেষে একই হারে টিএসপি, এমওপি ও ইউরিয়া দিতে হবে।

ফসল উত্তোলনঃ
প্রথম দারুচিনি ধরতে দুই থেকে তিন বছর সময় নেয় এবং তার পরে প্রতি দুই বছর পরপরই ফসল দিবে। পাঁচ বছর বয়সী দারুচিনি গাছ থেকে নিয়মিত দারুচিনি সংগ্রহের ডাল পাওয়া সম্ভব। দারুচিনি ব্যবহার করার জন্য যে শাখাগুলি কাটা হবে সেগুলি থেকে বাকল তুলে ফেলে ব্যবহার করার আগে ভালভাবে ভিজিয়ে রাখতে হবে।

এভাবে দারুচিনি চাষ করলে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাণিজ্যিকভাবে দারুচিনি চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভব। মাটিতে চাষের ক্ষেত্রেও মোটামুটি একই নিয়ম মেনে চলতে হবে।