Agribusiness Insurance, Farmers Law

টবে করলা চাষ পদ্ধতি

টবে করলা চাষ পদ্ধতি

শহরে টব কৃষির জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে ।প্রিয় পাঠক,এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ আমরা আলোচনা করবো টবে করলা চাষ পদ্ধতি নিয়ে।সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং শেয়ার করে দিন অন্য ছাদ বাগান প্রেমী বন্ধুদের কাছে।

বাংলাদেশে করলা অতি পরিচিত একটি সব্জি। তাই আজ আমরা করলা চাষ পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব।

মাটি তৈরি:
জীবাণুমুক্ত মাটি ও জৈব সার ১:১ অনুপাতে মিশাতে হবে, এ ক্ষেত্রে জৈব সার হিসেবে ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহার করা ভাল। মাটির pH -(৫.৮-৬.৫) হওয়া ভালো।

টব তৈরি:
মাঝারি আকৃতির টব একটি গাছের জন্য যথেষ্ট। টবের নিচের অংশে ৪-৫টি ছিদ্র করে নিতে হবে।টবের নিচের অংশে সুড়কির স্তর দিতে হবে, তারউপরে মিশ্রিত মাটি দিয়ে ভরাট করতে হবে, তবে খেয়াল রাখতে হবে যে মাটির মিশ্রণ যাতে টবের উপরিভাগ থেকে ১ইঞ্চি নিচ পর্যন্ত থাকে।

বীজ বপনঃ
বাজার থেকে হাইব্রিড জাতের করলা বীজ সংগ্রহ করে টবের মাঝ বরাবর ২টি করে পুঁতে দিতে হবে। টব যাতে পর্যাপ্ত আলো বাতাস পায় সেই ব্যবস্থা করতে হবে।সকাল ও বিকালে অল্প পরিমানে পানি দিতে হবে যাতে টবের মাটি সবসময় আর্দ্র থাকে।

চারার পরিচর্যা:
৫-৭দিনের মধ্যেই বীজ অংকুরিত হবে,তবে এরচেয়েও বেশি সময় লাগতে পারে।চারা একটু বড় হলে ১মিটার লম্বা খুটি বেধে দিতে হবে।

রোগ বালাই দমন:
ফ্রুটফ্লাই-বিষফাঁদ ব্যবহার করতে হবে। আক্রান্ত ফল সরিয়ে ফেলতে হবে।
জাবপোকা- জৈব বালাইনাশক-বাইকাও প্রয়োগ করতে হবে।নিম,মেহগনি,ধুতুরা,জবা ইত্যাদি গাছের পাতার রস স্প্রে করা যেতে পারে।

পোষ্টতী পরে ভাল লাগলে শেয়ার করে দিন অন্য বন্ধুদের কাছে।

Comments are closed.