কৃষি প্রযুক্তিজৈব বালাইনাশকসাম্প্রতিক পোষ্ট

নিম পাতা থেকে প্রাকৃতিক কীটনাশক তৈরি

নিম পাতা থেকে প্রাকৃতিক কীটনাশক তৈরি নিম পাতা থেকে শক্তিশালী কীটনাশক তৈরি করা যায় । নিম পাতা থেকে কীটনাশক তৈরির ধাপ গুলো এখানে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হয়েছে। প্রায় সব ধরনের পোকা মাকর দমনে নিম পাতার তৈরি কীটনাশক ব্যবহার করা যায় । বিশেষ করে বিটল , সাদা মাছি , বিছা পোকা , জবপোকা ইত্যাদি। এই কীটনাশক প্রয়োগ করে সম্পূর্ণ বিষমুক্ত ও প্রাকৃতিক উপায়ে ফল ফসল উৎপাদন করা সম্ভব। শুধু মাত্র নিমের পাতাই নয় নিমের বীজ থেকে , বীজ থেকে তৈরি তেল ও এর ফল থেকে ও তৈরি করা সম্ভব এই কীটনাশক। নিম পাতা থেকে কীটনাশক তৈরি করার নিয়ম : প্রথমে নিম পাতা সংগ্রহ করে পরিস্কার করে নিতে হবে। এরপর ১০ কেজি ওজনের পাতা একটি পাত্রে প্রয়োজন মত পানি নিয়ে পাতা সহ সেদ্ধ করে নিতে হবে সেদ্ধ করার সময় পাত্রটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। এবং সেদ্ধ করার পর পাএটিকে ১২ ঘন্টা একই ভাবে ডেকে রাখতে হবে। ১২ ঘন্টা পর একটি ছাঁক...

বিস্তারিত পড়ুন
ছাদ কৃষিজৈব বালাইনাশকটবে চাষ পদ্ধতিফুল চাষরোগ দমন

টিপস এন্ড ট্রিকস জবা গাছের যত্ন

টিপস এন্ড ট্রিকস জবা গাছের যত্ন ফুল ভালবাসেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমাদের দেশের খুব কমন একটা ফুল জবা। সারাবছর ফুল হয় বলে আর অনেক দিন বেচে থাকার কারণে আমাদের দেশের অনেকেই বাড়ির ছাদের টবে এই ফুলগাছ লাগিয়ে থাকে। জবা সাধারণতঃ লাল রঙের হলেও, পরবর্তিতে অনেক সংকর বের করা হয়েছে । যার জন্য এখন সাদা, হলুদ , গোলাপী, কমলা থেকে শুরু করে মিশ্রিত রঙের জবা ফুলও দেখা যায় ।   একটু পরিকল্পনা করে টবে জবাগাছ রোপণ করলে সারা বছরই কিছু না কিছু ফুল পাওয়া যাবে।   সঠিক চারা নির্বাচন: প্রথমেই টবের জন্য নার্সারী থেকে ছোট আকাড়ের মোটা কান্ডের সুস্হ সবল চারা নির্বাচন করে সর্বনিম্ন ১২ ইন্চি টবে চারাটি রোপন করতে হবে।   মাটি প্রস্তুত করন: টবে চারা রোপণের আগে শুকনো গোবর ৪০%, বেলে দোঁআশ মাটি ৫০%, লাল সিলেকশন বালি ১০% মিশিয়ে মাটি তৈরি করে নিতে হবে। সঙ্গে একমুঠো হাঁড়ের গুঁড়া, দু'মুঠো...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষি উদ্যোক্তাকৃষির তথ্যকৃষির প্রযুক্তিজৈব বালাইনাশকপোকা দমনপোকামাকড় দমনফসলের রোগ বালাই দমনরোগ দমন

ইউরিয়ার বিকল্প জীবাণু সার : সাশ্রয় হবে ১৩০০ কোটি টাকা

ইউরিয়ার বিকল্প জীবাণু সার : সাশ্রয় হবে ১৩০০ কোটি টাকা কৃষিপণ্যের উধর্বমূল্যের বাজারে আশার আলো দেখাবে জীবাণু সার। ডাল জাতীয় শস্যের জমিতে এ সার ব্যবহার করলে ইউরিয়ার দরকার হবে না। পাশাপাশি ধানের জমিতে জীবাণু সার ব্যবহার করলে ইউরিয়ার সাশ্রয় হবে শতকরা ২৫ ভাগ। প্রায় ৫০ কেজি ইউরিয়া সারের কাজ করে দেয় মাত্র এক কেজি জীবাণু সার যার উৎপাদন খরচ হয় মাত্র ৭৫ টাকা। বাংলাদেশের ধান ও ডাল জাতীয় শস্যের জমিতে জীবাণু সার প্রয়োগ নিয়মিত করলে রাষ্ট্রের ইউরিয়া সারের আমদানি সাশ্রয় হবে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এমনই আশাবাদ পোষণ করেন কৃষি বিশেজ্ঞরা। প্রতি বছর বাংলাদেশে ডাল জাতীয় শস্য চাষে প্রায় ২৮ হাজার মেট্টিকটন এবং ধান চাষে প্রায় ২৩ লাখ মেট্টিকটন ইউরিয়া ব্যবহৃত হয়। ধান চাষে ব্যবহৃত হলে প্রায় ছয় লাখ ২৮ হাজার মেট্টিকটন ইউরিয়া সাশ্রয় হবে। এ পরিমাণ ইউরিয়ার আমদানিতে খরচ পড়ে প্রায় এক হাজার

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষি তথ্যজৈব বালাইনাশক

জৈব বালাইনাশক

জৈব উৎস বিশেষ করে উদ্ভিদ/উদ্ভিদাংশ থেকে উৎপন্ন বালাইনাশককে জৈব বালাইনাশক বলে। আমাদের দেশ আয়তনে ছোট হলেও উদ্ভিদ বৈচিত্র্যে খুবই সমৃদ্ধ। আবহমানকাল থেকেই মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় গাছ-গাছালি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এমনকি কৃষি ফসল উৎপাদন ও সংরক্ষণেও গাছ-গাছড়ার ব্যবহার ঐতিহ্য সুদীর্ঘকালের। সবুজ বিপ্লবের হাত ধরে ফসল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটলেও রাসায়নিক উপকরণ বিশেষ করে রাসায়নিক বালাইনাশক যথেচ্ছ ব্যবহারে আমরা বর্তমানে এক জটিল পরিবেশ সমস্যার দুষ্টচক্রে বন্দী হয়ে পড়েছি। রাসায়নিক কৃষি উপকরণের এলোপাথাড়ি ব্যবহারের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে বাড়ছে দুষণের মাত্রা। জনস্বাস্থ্য হচ্ছে মারাত্বক হুমকির সম্মুখীন। এ অবস্থা থেকে উত্তরনের জন্য সারা পৃথিবীতে এখন জৈব কৃষির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। সে ধারাবাহিকতায় বালাই ব্যবস্থাপনায় জৈব বালাইনাশক ব্যবহার উৎসাহিত করা হচ্ছে। কারণ , ১.         উদ্ভিজ্জ বালাইনাশক পরিবেশের কো

বিস্তারিত পড়ুন