কৃষি প্রযুক্তিছাদ কৃষিজৈবসারসাম্প্রতিক পোষ্ট

কোকোডাস্ট দিয়ে জৈব সার তৈরি

কোকোডাস্ট দিয়ে জৈব সার তৈরি বাংলাদেশে নারিকেলকে বলা হয় গ্রামীণ অর্থনীতির চালিকা শক্তি। ঐতিহ্যগতভাবে এদেশে নারিকেল চাষ হয় বাড়ির আঙিনায়। নারিকেল চাষে তাই বাড়তি কোনো জায়গা জমির দরকার হয় না। নারিকেল গাছের ছায়া বসতবাড়িতে সাথী ফসল হিসেবে অন্যান্য ফল ও শাকসবজি চাষ করতেও সহযোগিতা করে। রোপণ করার ৬-৭ বছর পর ফল আসে এবং বিরামহীনভাবে ৫০-৬০ বছর তা চলতে থাকে। বিস্ময়কর এ ফলদ বৃক্ষের ফুল, ফল, কাণ্ড পাতা বছরব্যাপী কোনো না কোনোভাবে আমাদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে থাকে। কৃষকের কাছে তাই নারিকেল সবচেয়ে সমাদৃত গাছ। নারিকেল থেকে উত্তম পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ডাবের পানি পাওয়া যায়। নারিকেলের ছোবড়া থেকে আঁশ এবং আঁশজাত দ্রব্য তৈরি করা যায়। সবশেষে নারিকেলের তুষ (কোকোডাস্ট) থেকে ভালোমানের জৈব সার তৈরি হয়ে থাকে। বরিশাল অঞ্চলের স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর), খুলনার ফুলতলা, বাগেরহাট ও যশোর জেলার মনিরামপুর অঞ্চলে নারিকেলের ছোবড়া ব...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষির তথ্যজৈবসার

কেঁচো কম্পোষ্ট (ভার্মি কম্পোষ্ট) জৈবসার উৎপাদন পদ্ধতি ও আয়-ব্যয় হিসাব

কেঁচো কম্পোষ্ট (ভার্মি কম্পোষ্ট) জৈবসার উৎপাদন পদ্ধতি ও আয়-ব্যয় হিসাব উর্বর মাটিতে পাচঁ ভাগ জৈব পদার্থ থাকতে হয়। মাটির পানি ধারণক্ষমতা ও বায়ু চলাচল বাড়াতে পাঁচ ভাগ জৈব পদার্থ থাকার কথা থাকলেও বাংলাদেশের মাটিতে রয়েছে এক দশমিক আট থেকে দুই ভাগ। জৈব পদার্থের পরিমান বাড়াতে কম্পোষ্ট সার, পচা আবর্জনা, সবুজ সারের যেমন ভূমিকা, কেঁচো সারের ভূমিকাও তেমনি অসামান্য। কেঁচো কম্পোস্ট একটি জৈব সার যা জমির উর্বরতা বাড়াতে ব্যবহার করা হয় । গাছের পাতা, খড়, গোবর, লতা, পাতা, পঁচনশীল আবর্জনা ইত্যাদি খেয়ে কেঁচো মলত্যাগ করে এবং এর সাথে কেঁচোর দেহ থেকে রাসায়নিক পদার্থ বের হয়ে কেঁচো কম্পোস্ট তৈরি হয়। কী আছে কেঁচোসারেঃ ‘ভার্মি কম্পোষ্ট’ বা কেঁচোসারে মাটির পানি ধারণ করার ক্ষমতা ও মাটি নরম করার ক্ষমতা তো আছেই,এ ছাড়া আছে আটাশি দশমিক ৩২ ভাগ জৈব পদার্থ, এক দশমিক ৫৭ ভাগ নাইট্রোজেন, এক দশমিক ২৬ ভাগ বোরন-যেগুলো অন্যা

বিস্তারিত পড়ুন
জৈবসার

ঘরেই তৈরী করে ফেলুন “হাড়ের গুড়ো”

ভেজাল আর ভেজাল, ভেজালের দুনিয়ায় পৃথিবী বিষাদময়। গাছের জন্য অতিব প্রয়োজনীয় দুটো উপাদান নাইট্রোজেন এবং ফসফরাসের যোগান আসে হাড়ের গুড়ো থেকে। আর সেই অতীব প্রয়োজনীয় হাড়ের গুড়োতে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ীরা পাথরের গুড়ো মিশিয়ে বিক্রয় করে তাদের আখের গুছাচ্ছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্হ হচ্ছে সবাই। আর তাই কিভাবে অতি সহজে ঘরে হাড়ের গুড়ো তৈরী করতে পারেন তার সহজ পদ্ধতিটি বলছি আজ। উপকরন... ১. হাঁস/ মুরগী/ টার্কির হাড় ২. স্টিলের ছুড়ি ৩. টিস্যূ পেপার ৪. লোহার হামান দিস্তা অথবা লোহার হাতুড়ি ৫. স্টীলের বাটি ৬. চপিং ডিস ৭. চশমা ৮. হেন্ড গ্লাভস হাড়ের গুড়ো তৈরীতে গরুর হাড় সবচেয়ে ভাল কিন্তু ঘরে তা তৈরী করা কষ্টদায়ক বিধায়, আমি গৃহস্হালীর উচ্ছিষ্ট থেকে প্রাপ্ত উপাদান দিয়েই হাড়ের গুড়ো করার পদ্ধতি নিয়ে বলব। হাড়ের গুড়ো তৈরী পদ্ধতি... ১. প্রথমে একটি স্টীল/ সিলভারের পাত্রে পানি দিয়ে গৃহস...

বিস্তারিত পড়ুন
জৈবসার

ফসল উৎপাদনে জৈব সারের গুরুত্ব

ফসল উৎপাদনে জৈব সারের গুরুত্ব জীব দেহ হতে প্রাপ্ত বা প্রস্তুত সারকে জৈব সার বলা হয়। অন্যভাবে বলা যায় যে, পশু পাখির মলমূত্র এবং গাছ পালা অবশিষ্টাংশ যা মাটির উর্বরতার রক্ষা ও ফসলের অধিক ফলনের জন্য ব্যবহার করা হয় তাহাই জৈব সার। গোবর সার, খামার জাত সার, কম্পোষ্ট, আবর্জনা সার, খৈল, সবুজ সার, ছাই প্রভৃতি বহুল প্রচলিত জৈব সার। জৈব সারের উপকারিতাঃ জৈব পদার্থ হচ্ছে মাটির প্রাণ। জৈব সার ব্যবহারে মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়ে। জৈব সার ব্যবহারে মাটির উর্বরতা বাড়ে। এতে ফসলের প্রধান খাদ্য নাইট্রোজেন,ফসফরাস, পটাশিয়াম ও অন্যান্য খাদ্য উপাদান থাকে ফলে অণুখাদ্যের ঘাটতিও পূরণ হয়। মাটির গঠন ও গুণাগুণ উন্নত করে। বেলে মাটি সরস হয়, পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়ে, তাছাড়া এঁটেল মাটিকে কিছুটা দো-আঁশ ভাবাপন্ন করে ফসল জন্মানোর অধিক উপযোগী করে তোলে। মাটিতে জৈব সার ব্যবহারের পর ধীরে ধীরে গাছের প্রয়োজন অনুযায়ী অনেক দিন ধর

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষির তথ্যকৃষির প্রযুক্তিজৈবসার

কিভাবে তৈরি করবেন কেঁচো কম্পোষ্ট

কেঁচো কম্পোষ্ট (ভার্মি কম্পোষ্ট) প্রস্তুত পণালী প্রধানত কেঁচো উপরের মাটি নিচে এবং নিচের মাটি উপরে তুলে থাকে। এসব কাজের সাথেই কেঁচোর সারও তৈরি হয়। কেঁচোর দ্বারা জৈব সার তৈরির জন্য এর সাথে তরকারির খোসা, গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগীর বিষ্ঠা, নাড়ি-ভুঁড়ি, পাতাসহ পচা আবর্জনারও প্রয়োজন হয়। (১) কেঁচো কম্পোষ্ট তৈরি করতে হলে প্রথমে গর্র্ত তৈরি করতে হয়। এরপর এসব গর্তে ঘাস, আমের পাতা বা খামারের ফেলে দেয়া অংশ এসবের যেকোনো একটি ছোট ছোট করে কেটে এর প্রায় ২৫ কেজি হিসেবে নিতে হয়। (২) তবে এসব আবর্জনা গর্তে ফেলার আগে গর্তের তলদেশসহ চারপাশে পলিথিন দিয়ে মুড়ে দিতে হবে। এতে করে গর্তের কেঁচো পিট থেকে বাইরে যেতে পারবে না। (৩) কেচোঁ কম্পোস্ট তৈরির জন্য প্রথমেই পলিথিন বিছানোর পরে গর্তের নিচে ৬ ইঞ্চি পুরু করে বেড বানাতে হবে। এই বেড তৈরির জন্য ভালো মাটি ও ও গোবর সমপরিমাণে মিশাতে হবে এবং এসব মিশানো গাবর ও মাটি পরে কেঁচ...

বিস্তারিত পড়ুন