কৃষি ব্যবসা আইডিয়া ভিত্তিক ব্লগ

টবে অ্যালোভেরা চাষ

টবে অ্যালোভেরা চাষ পদ্ধতি

ছাদবাগানের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা আলোচনা করব টবে অ্যালোভেরা চাষ পদ্ধতি নিয়ে। সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং শেয়ার করে দিন অন্য ছাদ বাগান প্রেমী বন্ধুদের কাছে।

অ্যালোভেরা একটি ঔষধি গাছ। বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় অ্যালোভেরার ব্যবহার সর্বমহলে সমাদৃত।প্রিয় পাঠক, চলুন একনজরে দেখে নিই টবে কিভাবে অ্যালোভেরা চাষ করতে হয়।

মাটি নির্বাচনঃ
সব ধরণের মাটিতে অ্যালোভেরা চাষ করা গেলেও বেলে দোআঁশ মাটি অ্যালোভেরা চাষের ক্ষেত্রে বেশি উপযোগী।

টব নির্বাচনঃ
মাঝারি আকারের ড্রাম কিংবা টব সবচেয়ে উপযোগী। এছাড়াও প্লাস্টিকের টবেও অ্যালোভেরার চাষ করা যায়।

জাত নির্বাচনঃ
সারা পৃথিবীতে ২৫০ টির মত জাত পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে কেবল দুইটি জাত পাওয়া যায়।এগুলো দেখতে ক্যাকটাসের মত।

চারা রোপনঃ
নার্সারি থেকে চারা নিয়ে আষাঢ়ের শুরুতে চারা লাগানো উত্তম,যদিও সারা বছরই চাষ করা যায়। তবে শীত ও বর্ষার শুরুতে গাছ না লাগানোই ভাল।

পরিচর্যাঃ
আগাছা জন্মালে নিড়ানি দিয়ে তুলে দিতে হবে। নিয়মিত পানি দিতে হবে। বাড়িতে তৈরি জৈব সার দিলে গাছের বৃদ্ধি ভাল হয়।

রোগ দমনঃ
ঘৃতকুমারী গাছে পাতায় দাগ পড়া এক প্রধান সমস্যা। শীতকালে এ রোগ কম থাকে। কিন্তু শীত শেষে ফাল্গুন মাসে এ রোগের প্রকোপ বেড়ে যায় এবং পাতার ব্যাপক ক্ষতি হয়। এ রোগের আক্রমণে পাতার অগ্রভাগে আলপিনের মাথার মতো ক্ষুদ্র এক বিন্দুর মতো দাগ পড়ে, সেখান থেকে আঠার মতো কষ বের হয়। ওই আঠা শুকিয়ে বাদামি দাগের সৃষ্টি করে। এভাবে আক্রান্ত গাছের পাতায় ধীরে ধীরে দাগ বড় হতে থাকে ও দাগের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। এটি ধারণা করা হয় ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, তাই ছত্রাকনাশক প্রয়োগে তেমন ফল পাওয়া যায় না। এ রোগের কারণে পাতার চেহারা নষ্ট হয়ে যায়।  তবে যারা বাণিজ্যিকভাবে ঘৃতকুমারী চাষ করেন তারা ১৫ দিন পরপর চুন পানিতে গুলে স্প্রে করে থাকেন।