অন্যান্য ফসলচাষাবাদ পদ্ধতিফল চাষসাম্প্রতিক পোষ্ট

ফল গাছ রোপণের যাবতীয় নিয়ম

ফল গাছ রোপণের যাবতীয় নিয়ম গ্রীষ্মের শেষে প্রথম বৃষ্টি হলেই আমরা গাছ রোপণের কথা চিন্তা করি। ভাবি, বাড়ির আশপাশের ফাঁকা জায়গাটা এবার গাছে গাছে ভরিয়ে দেবো। বাদ যাবে না ঘরের বারান্দা কিংবা ছাদও। অনেকের চিন্তাটা মাথার ভেতরেই ঘুরপাক খেতে থাকলেও অনেকে বাস্তবায়ন করতে মাঠেও নেমে পড়ি। প্রিয় গাছের চারা বা কলম খুঁজতে ছুটে যাই সরকারি বা বেসরকারি নার্সারিতে। কাংখিত গাছের চারা বা কলম পেয়েও যাই। তাৎক্ষণিকভাবে রোপণের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় লাগিয়েও ফেলি। লাগিয়েই ভাবি, যাক কিছু দিনের মধ্যেই জায়গাটা সবুজে সবুজে ভরে যাবে। কিন্তু না, ভাবনার সাথে বাস্তবতাটা ঠিক মেলে না। ক’দিন পরেই দেখা যায় চারা বা কলম সঠিকভাবে বাড়ছে না। শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। কী যে হলো চারাগুলোর। চারা বা কলমের এই সমস্যাটা কিন্তু কিছু বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখলেই দূর করা যায়। তাহলে চলুন কারণগুলো একে একে জেনে নেয়া যাক। গ্রীষ্মের শ...

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য ফসলউন্নত প্রযুক্তিচাষাবাদ পদ্ধতিসাম্প্রতিক পোষ্ট

মরিচ চাষের উন্নত পদ্ধতি

মরিচ চাষের উন্নত পদ্ধতি মরিচ আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় মসলা জাতীয় ফসল। তরকারিকে সুস্বাদু করতে মরিচ ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়া ঝাল হিসেবে নানান খাবারে এর ব্যবহার হয়। এর বাজারমূল্যও ভাল। তাই কীভাবে মরিচ উন্নত পদ্ধতিতে চাষ করতে হয় তা আলোচনা করা হল- মাটি ও জলবায়ু পানি নিষ্কাশনের সুবিধাযুক্ত আলো বাতাসময় উর্বর দো-আঁশ মাটিতে মরিচ ভাল হয়। অতিরিক্ত অম্ল মাটি ছাড়া প্রায় সব ধরনের মাটিতেই মরিচ জন্মে। মরিচ গাছে ফুল ধরার সময় ৩৫ থেকে ৪৫ সে. তাপমাত্রা সর্বাপ্রেক্ষা উপযোগী। অধিক বৃষ্টিপাত ও মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়া ফুল ঝরে পড়ে। জাত মরিচকে দু’ভাগে ভাগ করা যায়। ঝাল ও মিষ্টি। বাংলাদেশে ঝাল মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী ইত্যাদি আঞ্চলিক মৌসুমী জাত আছে। এছাড়া আকালী, কামরাংগা, কালো ইত্যাদি মরিচও খুব ঝাল। আঞ্চলিকভাবে আরো বিভিন্ন নামের যেমন- ছোট মরিচ, বড় মরিচ, ধানী মরিচ, সাহেব...

বিস্তারিত পড়ুন
চাষাবাদ পদ্ধতিতেল ফসলসাম্প্রতিক পোষ্ট

বিনা তিল ১ চাষ পদ্ধতি ও রোগবালাই দমন

বিনা তিল ১ চাষ পদ্ধতি ও রোগবালাই দমন বাংলাদেশে তিল দ্বিতীয় প্রধান তৈল বীজ ফসল হিসেবে পরিগণিত। তিলের তেলের স্বাদ ও গন্ধ সুমিষ্ট এবং পচনরোধী উঁচুমানের ভোজ্য তেল। খাদ্য হিসেবেও তিল বীজ জনপ্রিয়। একক বা মিশ্র ফসল হিসেবেও স্ব-পরাগায়ণ প্রকৃতির উদ্ভিদ। তিল চাষ করে কৃষকের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা পুষ্টি সমস্যা নিরসনে এটি অত্যন- গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ধান ভিত্তিক ফসল পরিক্রমায় তিল চাষে কোন অসুবিধা হয় না। বিদেশ হতে সংগৃহীত একটি জার্মপ্লাজমে গামারশ্মি প্রয়োগ করে উন্নত লাইন নির্বাচন এবং নির্বাচিত লাইনটিকে দেশের বিভিন্ন কৃষি পরিবেশে অঞ্চলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিনা তিল-১ নামে নতুন এ জাতটি উদ্ভাবন করা হয়েছে। এ জাতটি স্থানীয় আবাদি জাত টি-৬ অপেক্ষা প্রায় দেড়গুণ বেশি ফলন দেয়। বিনা তিল-১ এর গাছ শাখাবিহীন এবং পাতার রঙ ঘন সবুজ। প্রতিটি গিরায় ৩-৬ বড় আকারের লম্বা ফল ধরে। বীজাবরণ...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষি প্রযুক্তিচাষাবাদ পদ্ধতি

মৌসুমের শুরুতে আম গাছের যত্নে করণীয়

আম অতি সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় দেশীয় ফল। পুষ্টি বিবেচনায় এ ফলের অবস্থান বেশ ওপরে। আমকে বলা হয় ফলের রাজা। বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ। জাতীয় আয়ের প্রধান অংশই আসে কৃষি থেকে। কাজেই কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে সূদৃঢ় ও সুসংহত করতে আমের অধিক উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ একান্ত অপরিহার্য। সঠিক সময়ে আমগাছের পরিচর্যা, রোগবালাই ও পোকামাকড় দমন করে অনেকাংশে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীদের দ্বারা বিভিন্ন প্রযুক্তি যেমন- সার ও সেচ প্রয়োগ ব্যবস্থাপনা, রোগ ও পোকামাকড় দমন ইত্যাদি উদ্ভাবন আমচাষিদের মধ্যে সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়েছে। আগে আম চাষে তেমন কোনো বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা না হলেও বর্তমানে উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করার ফলে উৎপাদনও বেড়েছে। এখনো কিছু কিছু আমচাষি আম মৌসুমের প্রথম থেকে আম বড় হওয়া পর্যন্ত কোন কাজটি কোন সময়ে করতে হবে তা সঠিকভাবে না জানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়। সুতরাং আমের উৎ...

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য ফসলচাষাবাদ পদ্ধতিফল চাষসাম্প্রতিক পোষ্ট

আধুনিক পদ্ধতিতে রাম্বুটান চাষ পদ্ধতি

রাম্বুটান বেশ আকর্ষণীয় ও অনেক সুস্বাদু একটি ফল। এর জন্মস্থান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াতে। এছাড়াও দক্ষিণ চীন, ইন্দোচীন, ফিলিপাইনের সর্বত্র এটিকে পাওয়া যায়। বর্তমানে বাংলাদেশে এর সফলভাবে চাষ হচ্ছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া এই ফলের জন্যে অনুকূল তাপমাত্রাবিশিষ্ট। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাসমূহ যেখানে শীতের প্রকোপ কম, সেইসব এলাকা রাম্বুটান চাষের উপযোগী। ফলটি দেখতে লিচুর মতো, আমাদের লিচুর গায়ে কন্টক বিশিষ্ট হলেও রাম্বুটানের গায়ে দাড়িসদৃশ অংশ বিদ্যমান। তাই একে আমাদের দেশে অনেকে চুলওয়ালা লিচু বা দাড়িওয়ালা লিচুও বলে থাকেন। ফল সাদা, স্বচ্ছ, অম্লীয় মিষ্টি গন্ধযুক্ত শাঁস এই ফলের ভক্ষনযোগ্য অংশ। রাম্বুটানের পুষ্টিমান রাম্বুটান শর্করা ও ভিটামিনে ভরপুর একটি ফল। ১০০ গ্রাম ফলে জলীয় অংশ ৮২.১ ভাগ, প্রোটিন ০.৯ ভাগ, ফ্যাট ০.১ ভাগ এবং আশঁ ০.০৩ ভাগ। এছাড়া ২.৮ গ্রাম গ্লুকোজ, ৩ গ্রাম ফ্রুক্টো...

বিস্তারিত পড়ুন