গবাদি পশু পালনগোখাদ্য তৈরিকরণছাগল পালনপ্রানিসম্পদসাম্প্রতিক পোষ্ট

সহজ পদ্ধতিতে ছাগলের খাদ্য ব্যবস্থাপনা

সহজ পদ্ধতিতে ছাগলের খাদ্য ব্যবস্থাপনা ছাগল পশ্চিমবঙ্গের অতি গুরুত্বপূর্ণ পশু সম্পদ। ছাগল আমদের দেশে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। ছাগল পালন আমাদের দেশে অনেক কৃষকই করে থাকেন। কিন্তু কোন ধরণের খাদ্য খাওয়ালে ছাগল সুস্থ থাকবে অর্থাৎ সহজে কীভাবে খাদ্য ব্যবস্থাপনা করবেন? তা দেখে নেওয়া যাক - ছাগলের খাদ্য ব্যবস্থাপনা – ছাগলকে রাস্তার ধার, পুকুর পাড়, জমির আল, পতিত জমি বা পাহাড়ের ঢালে বেঁধে বা ছেড়ে ৮ - ৯ ঘণ্টা ঘাস খাওয়াতে পারলে খুব উপকার হবে। এ ধরণের সুযোগ না থাকলে প্রতি ২০ কেজি ওজনের ছাগলের জন্য দৈনিক ০.৫ – ১ কেজি পরিমাণ কাঁঠাল, ইপিল, ঝিকা, বাবলা ইত্যাদি গাছের পাতা অথবা এদের মিশ্রণ দেওয়া যেতে পারে। প্রতিটি ছাগলকে দৈনিক ২৫০ - ৩০০ গ্রাম ঘরে প্রস্তুতকৃত দানাদার খাদ্য দেওয়া যেতে পারে। ১০ কেজি দানাদার খাদ্য মিশ্রণে যেসব উপাদান থাকা প্রয়োজন, তা হল- চাল ভাঙ্গা ৪ কেজি, ঢেঁকি ছাঁটা চ...

বিস্তারিত পড়ুন
গোখাদ্য তৈরিকরণপ্রানিসম্পদসাম্প্রতিক পোষ্ট

পশুখাদ্য হিসাবে অ্যালগির ব্যবহার

পশুখাদ্য হিসাবে অ্যালগি অ্যালগি এক ধরনের উদ্ভিদ যা এককোষী থেকে বহুকোষী বিশাল বৃক্ষের মতও হতে পারে। তবে আমরা এখানে দুটি বিশেষ প্রজাতির এক কোষী অ্যালগি হিসাবে উল্লেখ করবো যা গো-খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। এদের নাম হলো ক্লোরেলা এবং সিনেডসমাস। এরা সূর্যালোক, জলে দ্রবীভুত অক্সিজেন, কার্বন ডাই- অক্সাই্ড ও জৈব নাইট্রোজেন আহরণ করে সালোকসংশ্লেন প্রক্রিয়ার বেচে থাকে। গোখাদ্য হিসেবে অ্যালগি: অ্যালগি সব ধরনের, সব বয়সের অর্থাৎ বাছুর, বাড়ন্ত গরু, দুধের বা গর্ভবতী গাভী, হালের বলদ সবাইকেই অ্যালগি খাওয়ানোর যায়।অ্যালগি খাওয়ানোর কোন বাঁধা নিয়ম নেই। এটাকে সাধারণ জলের পরিবর্তে সরাসরি খাওয়ানো যায়। এক্ষেত্রে গরুকে আলাদার করে জল খাওয়ানো প্রয়োজন নেই। দানাদার খাদ্য অথবা খড়ের সাথে মিশিয়েও খাওয়ানো যায়। অ্যালগির জলকে গরম করে খাওয়ানো উচিত নয়, এতে অ্যালগির খাদ্যমান নষ্ট হতে পারে। অ্যালগির পুষ্টিমান: অ্যাল...

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য ফসলগোখাদ্য তৈরিকরণচাষাবাদ পদ্ধতিসাম্প্রতিক পোষ্ট

সুদান ঘাসের বীজ থেকে ঘাস চাষ পদ্ধতি

সুদান ঘাসের বীজ থেকে ঘাস চাষ পদ্ধতি (Forage Sudangrass Farming) আমাদের দেশে গবাদিপশুর পালন অনেক বেড়েছে কিন্তু সেই তুলনায় গোখাদ্য অনেক চ্যালেঞ্জ এর মুখে। সামনে বর্ষার মৌসুম। এ সময় দেশের নিম্নভূমিগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। এসব অঞ্চলের গরু-মহিষের জন্য ঘাস তো দূরের কথা, কয়েক মুঠো খড় জোটানোও কঠিন। এ সময় অভাবের তাড়নায় অনেকে গরু-মহিষ কম দামে বিক্রি করে দেন। অনেকের গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া খাদ্যাভাবে দুর্বল হয়ে যায় । বর্ষা মৌসুমে বাড়ির পাশের জমিতে ধান উৎপাদন করা সম্ভব হয় না। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পতিত জমিতে পানি ও আগাছা বেশি হয়ে থাকে। ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়। তাই এরকম লাখ লাখ একর পতিত জমি সারা বছরই খালি পড়ে থাকে। একটু সচেতন হলেই আমরা এ জমিগুলো কাজে লাগিয়ে বিপুল অর্থ উপার্জন করতে পারি । বর্ষা মৌসুমসহ সারা বছরই এ জমিগুলোতে নেপিয়ার জাতীয় ঘাস চাষ করে গো-সম্পদের প্রসার ঘটানো যায় । নেপিয়ার ঘাস পরিত্যক্ত জায়

বিস্তারিত পড়ুন
অন্যান্য ফসলকৃষি তথ্যকৃষি প্রযুক্তিকৃষির প্রযুক্তিগোখাদ্য তৈরিকরণচাষাবাদ পদ্ধতিপ্রানিসম্পদ

নেপিয়ার ঘাসের চাষ পদ্ধতি

নেপিয়ার ঘাস চাষ পদ্ধতি বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। দেশের প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ কোনো না কোনোভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল। সেক্ষেত্রে হাল চাষের প্রয়োজনে অনেকেই গবাদিপশু পালন করে থাকে। আবার হালের বলদের সাথে অনেকেই ২/১টি গাভীও পালন করে থাকে। এসব গাভীর অধিকাংশই দেশী এবং তাদের দুধ উৎপাদন মোটেই উল্লেখ্যযোগ্য নয়। তবু যতটুকু দুধ পাওয়া যায় তাঁরা তা বাজারে বিক্রি করে থাকেন। যদিও মুষ্টিমেয় কিছু সংখ্যক গাভী তুলনামূলকভাবে বেশি দুধ দেয় তারাও পুষ্টিকর খাদ্যের অভাবে দুধ উৎপাদন ক্ষমতা ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলছে। এর ফলে দেশে ক্রমশই দুধের অভাব প্রকট হয়েছে Household Income and Expenditure Survey (HIES) ২০০০ অনুযায়ী ১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে মাথা পিছু দুধ গ্রহণের পরিমাণ ছিল ৩২.৫ মিঃলিঃ এবং ২০০৪-০৫ অর্থ বছরে এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৪২.৭২ মিঃলিঃ (উৎসঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০০৬)। অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মান

বিস্তারিত পড়ুন
উন্নত প্রযুক্তিগোখাদ্য তৈরিকরণপ্রানিসম্পদ

বর্ষার মৌসুমে গোবাদিপশুর খাদ্য সংরক্ষণ পদ্ধতি

বর্ষার মৌসুমে গো-খাদ্য সংরক্ষণ বাংলাদেশে গো-খাদ্যের খুব অভাব রয়েছে। দেশে চারণ ভূমির পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকার ফলে চারণ ভূমিতে গবাদিপশু চরে যৎসামান্য পরিমাণে কাঁচা ঘাস খেতে পারে। কৃষক ভাইয়েরা ফসলা জমিতে ঘাস চাষ করে গরুকে খাওয়াতে তেমন একটা আগ্রহ প্রকাশ করেন না। আবার বাংলাদেশে গম ও ডাল জাতীয় ফসলের উৎপাদন মোটেও আশানুরূপ নয়। ফলে ভূষি উৎপাদন চাহিদার তুলনায় অনেক কম হয়। এ কারণে বাজারে ভূষির দাম সবসময় অত্যধিক থাকে। তবে আঁশ জাতীয় খাদ্য যেমন খড় ও দেশী ঘাস সে তুলনায় বেশি পরিমাণে উৎপাদিত হলেও কৃষক ভাইয়েরা সে সবের সংরক্ষণ পদ্ধতির বিষয়ে তেমন ওয়াকিবহাল নন। ফলে এ জাতীয় খাদ্যের উদ্বৃত্ত অংশ পচে নষ্ট হয়ে যায়।দেশে প্রতি বছর বন্যাতেও প্রচুর পরিমাণে গো-খাদ্য বিভিন্নভাবে বিনষ্ট হয়।ধান কাটার সময় কিছু এলাকার কৃষক ভাইয়েরা ধান গাছের ৬-৮ ইঞ্চি উপরে না কেটে প্রায় ১-১১২ ফুট উপর থেকে কেটে নেয়। ফলে খ

বিস্তারিত পড়ুন