গাভীপ্রানিসম্পদ

স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গাভীর দুগ্ধ উৎপাদন উৎপাদন পদ্ধতি

স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গাভীর দুগ্ধ উৎপাদন উৎপাদন পদ্ধতি যারা বাণিজ্যিক ভাবে দুধ উৎপাদনের সাথে জড়িত তারা হয়তো অনেকই এই বিষয়টি নজরে আনেন না যে একটি গাভী থেকে কিভাবে স্বাস্থ্যকর উপায়ে দুধ উৎপাদন করবেন। আমরা সবাই জানি দুগ্ধ একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাদ্য । গবাদিপশু যেমন গরু, মহিষ ইত্যাদি প্রাণীর দুগ্ধ আমরা পান করে থাকি। তাই আমাদের এই ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন হওয়া দরকার যে, আমরা যে দুগ্ধ পান করি সেটি যেন স্বাস্থ্যকর হয়। পরিষ্কার দুগ্ধ বলতে বোঝায়, একটি রোগমুক্ত সুস্বাস্থ্যযুক্ত গাভী থেকে পরিষ্কার ভাবে দুগ্ধ উৎপাদন, যেখানে অপদ্রব্য এবং জীবাণু অনেক কম পরিমাণে উপস্থিত থাকবে। পরিষ্কার দুগ্ধ উৎপাদন করলে সেটি যেমন একদিকে কৃষকদের জন্য বেশি অর্থ উপার্জনের পথ খুলে দেবে, তেমনি যারা এই দুগ্ধ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করবে তারাও উপকৃত হবে। পরিষ্কার দুগ্ধ উৎপাদনের পদ্ধতি: সর্বপ্রথমে আমাদের খেয়াল রাখা উ...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষির তথ্যগবাদি পশু পালনগবাদিপশুর রোগ বালাইগরুগাভীপ্রানিসম্পদ

গবাদিপশুর দূর্ঘটনা জনিত প্রাথমিক চিকিৎসা কি দিবেন জেনে নিন

গবাদিপশুর দূর্ঘটনা জনিত প্রাথমিক চিকিৎসা কি দিবেন জেনে নিন কোন গবাদি পশু যদি কোন দূর্ঘটনায় পড়ে তবে প্রাথমিক কিছু চিকিৎসার কথা আজকে আলোচনা করা হলে। পশু কোন সময় হঠাৎ পড়ে গেলে, অন্য পশুর সাথে লড়াই করলে অথবা চলন্ত বা স্থির বস্তুতে আঘাত প্রাপ্ত হলে, পুড়ে গেলে দূর্ঘটনা আবস্থার সৃষ্টি হয়। তবে সেই ক্ষেত্রে রক্তপাত হয়, তাতে অতি সত্বর রক্তপাত বন্ধ করতে হবে। আক্রান্তের কারণ জ্ঞাত হবে প্রানীকে আক্রান্তের স্থান থেকে তাড়াতাড়ি সড়ানো রক্তপাত হলে তা দ্রুত বন্ধ করা শারীরিক উত্তাপ কমে গেলে, তা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা প্রানীকে স্বাভাবিক অবস্থায় রাখার ব্যবস্থা করা ক্ষত হলে তা ব্যান্ডেজ বা গজ দ্বারা ঢেকে রাখা প্রচুর মুক্ত বাতাসের ব্যবস্থা করা

বিস্তারিত পড়ুন
গবাদি পশু পালনগরুগাভীপ্রাণীর রোগবালাই দমনপ্রানিসম্পদ

গবাদিপশুর ভ্যাকসিন ও কৃমিনাশক ঔষধ ব্যবহারের নিয়মাবলী

গবাদিপশুর ভ্যাকসিন ও কৃমিনাশক ঔষধ ব্যবহারের নিয়মাবলী (ভ্যাকসিন বা টিকাবীজ) টিকাবীজ (Vaccine) হলো এমন একটি দ্রবন যা নির্দিষ্ট কোন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে। আর এ জন্যই নির্দিষ্ট রোগের জিবানু দিয়েই এই টিকাবীজ (Vaccine) তৈরী করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন রোগের ভ্যাকসিন ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা, প্রতিরোধের মেয়াদকাল, প্রয়োগের স্থান, ও সংরক্ষনের তাপমাত্রা বিভিন্ন হতে পারে। গরুর উল্লেখ্যযোগ্য কয়েকটি রোগের Vaccine এর ব্যবহারবিধি তুলে ধরা হলো। তড়কা (Anthrax)= ৪ মাস বয়স উর্ধ্ব সকল গরুকে চামড়ার নিচে ১ সিঃসিঃ করে বৎসরে ১ বার দিতে হবে। গর্ভবতী গাভী ৮ মাসের উপড়ে হলে দেওয়া যাবে না। বাদলা (Black Quarter B/Q)= ৪ মাস বয়স থেকে শুরু করে ২.৫ বছরের মধ্যকার সকল গরুকে চামড়ার নিচে ৫ সিঃসিঃ করে ৬ মাস পরপর দিতে হবে। গলাফুলা (Haemorrhagic Septicemia)= ৬ মাস বয়স উর্ধ্ব সকল গরুকে ২ সিঃসিঃ করে চামড়ার নিচে (Booster Dose/ Nex

বিস্তারিত পড়ুন
গবাদি পশু পালনগাভীপ্রানিসম্পদ

গাভীর দুধ উৎপাদন বাড়ানোর পদ্ধতি

গাভীর দুধ উৎপাদন বাড়ানোর উপায় মানুষের খুব কাছাকাছি থেকে নানাভাবে উপকৃত করে এমন প্রাণীর মধ্যে গরু অন্যতম। মহান আল্লাহর একটি সৃষ্টি যা মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। এর গোশত ও দুধ মানবদেহের সব প্রয়োজন পূরণ করে। দুধ হলো আদর্শ খাদ্য। যা খাদ্যের প্রায় সব উপাদান বহন করে। সুস্থ সবল গাভী হতে পরিমিত দুধ পাওয়া যায়। আমাদের দেশের গাভীগুলোর দুধ উৎপাদন ক্ষমতা অন্যান্য দেশের তুলনায় কম। এর পেছনে কিছু পরিবেশগত কারণ ও জাতগত কারণ রয়েছে। একেক জাতের গাভীর দুধ উৎপাদন ক্ষমতা একেক রকম। আমাদেশে দেশে জাত ছাড়াও বিষয় আছে যা দুধ উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক। আগে জেনে নেয়া যাক, যে বিষয়গুলোর ওপর দুধ উৎপাদন নির্ভরশীল- ১. গাভীর আকার : গাভীর আকার এর ওপর উৎপাদন অনেকটা নির্ভর করে। সাধারণত বড় আকারের গাভী হতে বেশি দুধ পাওয়া যায়। ২. বাছুর প্রসবের সময় : বাছুর প্রসবের সময়ের ওপর দুধ উৎপাদন নির্ভর করে। শরৎকালে গাভীর বাচ্চা প্রসবে বসন্ত

বিস্তারিত পড়ুন
গবাদি পশু পালনগবাদিপশুর রোগ বালাইগরুগাভীপ্রাণীর রোগবালাই দমনপ্রানিসম্পদরোগ দমন

গবাদিপশুর মিল্ক ফিভার রোগ ও প্রতিকার

গবাদিপশুর মিল্ক ফিভার রোগ ও প্রতিকার ডাঃ এ. এইচ. এম. সাইদুল হক: অধিক দুধ উৎপাদন এবং একই সাথে একের অধিক বাচ্চা প্রসবকারী গাভীর গর্ভাবস্থার শেষ তিন মাস, প্রসবকালীন সময় এবং প্রসব পরর্বতী ১-৪ দিনের মধ্যে ক্যালসিয়ামের অভাবে শারীরিক স্বাভাবিক তাপবৃদ্ধি ব্যাতিরেকে পেশির অবসাদগ্রস্থতার লক্ষণ প্রকাশ হওয়াকে দুগ্ধ জ্বর বলে। রোগের কারণ: প্রধানত রক্তে আয়নাইজড ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কমে যাওয়ার ফলে দুগ্ধ জ্বর হয়। দুধ দেয় (milking cow) এবং দুধ দেয় না কিন্তু গর্ভবতী এরূপ গাভীর (dry pregnant cow) ক্যালসিয়ামের পরিমাণে তারতম্য হয়ে থাকে। শুষ্ক পিরিয়ডে (dry period) প্রতিদিন ক্যালসিয়ামের চাহিদা থাকে ৪২ গ্রাম। পক্ষান্তরে দুগ্ধবতী গাভীতে প্রতিদিন এর পরিমাণ থাকা চায় ৮২ গ্রাম। শুধু তাই নয় dry pregnant cow G ক্যালসিয়াম শোষণের হার ৩৩% হলেও দুগ্ধ জ্বর প্রতিরোধের জন্য হদুগ্ধবতী গাভীতে এটি ৫২% থাকতে হবে। প

বিস্তারিত পড়ুন