গবাদি পশু পালনগবাদিপশুর রোগ বালাইগরুসাম্প্রতিক পোষ্ট

গবাদি পশু-পাখির শীতকালীন রোগবালাই ও প্রতিকার

গবাদি পশু-পাখির শীতকালীন রোগবালাই ও প্রতিকার শীতকাল। এ সময় গরু ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ অন্যান্য গবাদিপশু-পাখির নানান রকমের রোগবালাই হয়ে থাকে। গবাদিপশু পাখির শীতকালীন কিছু কমন রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রিয় মোহন দাস। গামবোরো রোগ গামবোরো একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এ রোগে বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে ব্রয়লার, কক, সোনালী ও লেয়ার মুরগি মারা যায়। তাই এ রোগের মুরগির মৃত্যুর পাশাপাশি আক্রান্ত ফ্লক ইম্যুনোসাপ্রেশনে ভোগে। আর তাই এ রোগকে মুরগির এইডস বলা হয়। আর এ ধরনের ফ্লক থেকে কখনই আশানুরূপ ফলাফল পাওয়া যায় না।    রোগের লক্ষণ গামবোরো রোগের কিছু কমন লক্ষণ হলো পানি না খাওয়া, খাদ্য না খাওয়া, পাতলা পায়খানা হওয়া ইত্যাদি।   চিকিৎসা ও প্রতিকার এন্টিবায়োটিক হিসেবে সিপ্রোফ্লক্সাসিন ১০% ব্যবহ...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষির তথ্যগবাদি পশু পালনগবাদিপশুর রোগ বালাইগরুগাভীপ্রানিসম্পদ

গবাদিপশুর দূর্ঘটনা জনিত প্রাথমিক চিকিৎসা কি দিবেন জেনে নিন

গবাদিপশুর দূর্ঘটনা জনিত প্রাথমিক চিকিৎসা কি দিবেন জেনে নিন কোন গবাদি পশু যদি কোন দূর্ঘটনায় পড়ে তবে প্রাথমিক কিছু চিকিৎসার কথা আজকে আলোচনা করা হলে। পশু কোন সময় হঠাৎ পড়ে গেলে, অন্য পশুর সাথে লড়াই করলে অথবা চলন্ত বা স্থির বস্তুতে আঘাত প্রাপ্ত হলে, পুড়ে গেলে দূর্ঘটনা আবস্থার সৃষ্টি হয়। তবে সেই ক্ষেত্রে রক্তপাত হয়, তাতে অতি সত্বর রক্তপাত বন্ধ করতে হবে। আক্রান্তের কারণ জ্ঞাত হবে প্রানীকে আক্রান্তের স্থান থেকে তাড়াতাড়ি সড়ানো রক্তপাত হলে তা দ্রুত বন্ধ করা শারীরিক উত্তাপ কমে গেলে, তা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা প্রানীকে স্বাভাবিক অবস্থায় রাখার ব্যবস্থা করা ক্ষত হলে তা ব্যান্ডেজ বা গজ দ্বারা ঢেকে রাখা প্রচুর মুক্ত বাতাসের ব্যবস্থা করা

বিস্তারিত পড়ুন
গবাদি পশু পালনগরুগাভীপ্রাণীর রোগবালাই দমনপ্রানিসম্পদ

গবাদিপশুর ভ্যাকসিন ও কৃমিনাশক ঔষধ ব্যবহারের নিয়মাবলী

গবাদিপশুর ভ্যাকসিন ও কৃমিনাশক ঔষধ ব্যবহারের নিয়মাবলী (ভ্যাকসিন বা টিকাবীজ) টিকাবীজ (Vaccine) হলো এমন একটি দ্রবন যা নির্দিষ্ট কোন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে। আর এ জন্যই নির্দিষ্ট রোগের জিবানু দিয়েই এই টিকাবীজ (Vaccine) তৈরী করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন রোগের ভ্যাকসিন ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা, প্রতিরোধের মেয়াদকাল, প্রয়োগের স্থান, ও সংরক্ষনের তাপমাত্রা বিভিন্ন হতে পারে। গরুর উল্লেখ্যযোগ্য কয়েকটি রোগের Vaccine এর ব্যবহারবিধি তুলে ধরা হলো। তড়কা (Anthrax)= ৪ মাস বয়স উর্ধ্ব সকল গরুকে চামড়ার নিচে ১ সিঃসিঃ করে বৎসরে ১ বার দিতে হবে। গর্ভবতী গাভী ৮ মাসের উপড়ে হলে দেওয়া যাবে না। বাদলা (Black Quarter B/Q)= ৪ মাস বয়স থেকে শুরু করে ২.৫ বছরের মধ্যকার সকল গরুকে চামড়ার নিচে ৫ সিঃসিঃ করে ৬ মাস পরপর দিতে হবে। গলাফুলা (Haemorrhagic Septicemia)= ৬ মাস বয়স উর্ধ্ব সকল গরুকে ২ সিঃসিঃ করে চামড়ার নিচে (Booster Dose/ Nex

বিস্তারিত পড়ুন
গবাদি পশু পালনগবাদিপশুর রোগ বালাইগরুপ্রাণীর রোগবালাই দমনপ্রানিসম্পদ

বাছুরের কিছু সাধারণ সমস্যা ও প্রতিকার

বাছুরের কিছু সাধারণ সমস্যা ও প্রতিকার বাছুরের বেশ কিছু সাধারণ সমস্যা দেখা যায়। এই সব সমস্যার প্রতি মনোযোগী হতে হবে। তাহলে পরবর্তীতে সুস্থ সবল গাভী বা ষাঁড় পাওয়া যায়। অন্যথায় অসুস্থ রোগা দুর্বল গরু উৎপন্ন হবে। রক্তস্বল্পতা বাছুরের কেনো কারণে রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে দুর্বল হয়ে পড়ে ৷ তখন মায়ের রক্ত বাছুরকে প্রতি ১ কেজি দৈহিক ওজন হিসাবে ১০-১২ মিঃলিঃ গলার শিরায় মধ্যে ধীরে ধীরে ইনজেকশন দিতে হবে৷ রক্ত সঞ্চালন ছাড়াও ভিটামিন জাতীয় ঔষধ যেমন- বিকোনেক্স অথবা সানকেল ভেট অথবা বায়োনাল ফোঁর্ট এর যে কোনো একটি পরামর্শমতো ২-৪ সিসি করে মাংসে ৮-১০ দিন ইনজেকশন দিতে হবে ৷ ডায়রিয়া • বাছুরের জন্মের ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে পাতলা পায়খানা দেখা দিলে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি ও খাবার স্যালাইন খেতে দিতে হবে৷ এ সময়ে স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেক পরিমাণ দুধ খাওয়াতে হবে ৷ • পায়খানা বন্ধ না হলে সালফোনামাইড জাতের ঔষধ যেমন- স্ট্রেপটোসাল

বিস্তারিত পড়ুন
গবাদি পশু পালনগরুপ্রানিসম্পদ

বাছুরের পরিচর্যা ও যত্ন

বাছুরের পরিচর্যা ও যত্ন প্রসবের পরে বাছুরের যত্ন ও পরিচর্যা দুগ্ধ খামারের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে বাছুরের ভাল অবস্থার উপর৷ নবজাত বাছুরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে৷তাই সামান্য যত্নের অভাবে যে কোন সময় বাছুরের মৃত্যু ঘটতে পারে৷ সুস্থ সবল বাছুর পেতে হলে যেমন গর্ভাবস্থায় গাভীর সুষ্ঠ যত্ন ও পর্যাপ্ত সুষম খাদ্যের প্রয়োজন তেমনি প্রসবকালীন ও নবজাত বাছুরের যত্ন নেয়া আবশ্যক৷ সদ্যজাত বাছুরের নিম্নোক্ত ভাবে যত্ন নেয়া যায়- • বাছুরের জন্মের পরপরই পরিস্কার ব্লেড দিয়ে নাভী কেটে শক্ত করে বেঁধে দিতে হবে • কাটার পর স্থানটিতে টিংচার আয়োডিন বা টিংচার বেনজিন জাতীয় জীবাণুনাশক ঔষধ লাগাতে হবে৷ এর ফলে নাভি দিয়ে রোগ জীবাণু প্রবেশ করতে পারে না • বাচ্চা প্রসবের পরপরই বাচ্চার নাক ও মুখের লালা ও ঝিলই পরিস্কার করে দিতে হবে৷ নতুবা শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যেতে পারে • যদি বাছুর প্রসব হওয়ার পর শ্বাসপ্রশ্বাস না নেয় তাহ

বিস্তারিত পড়ুন