কৃষি প্রযুক্তিগবাদি পশু পালনছাগল পালনপ্রানিসম্পদসাম্প্রতিক পোষ্ট

ছাগলের খামারের মাচা তৈরির পদ্ধতি

ছাগলের খামার বাংলাদেশে প্রেক্ষাপটে একটি লাভজনক প্রকল্প। বহু তরুণ যুবক এই ছাগলের খামার গড়ে বেকারত্ব দূর করেছেন। কিন্তু প্রায়ই অনেক খামারি ছাগলের খামাদের মাচা সঠিক ভাবে তৈরি করতে পারেন না। তাদের জন্যই মুলত আজকেই এই পোস্টটি। ছাগলের মাচা বা বাসস্থান ছন, গোল পাতা, খড়, টিন বা ইটের তৈরি হতে পারে। তবে ঘরের ভিতর বাঁশ বা কাঠের মাচাঁ তৈরি করে তার উপর ছাগল রাখতে হবে। প্রথম পদ্ধতিঃ মাচা তৈরি : ছাগলের ঘর যে ধরনের হোক না কেন ঘরের ভেতরে বাঁশ বা কাঠের মাচা তৈরি করে তার ওপর ছাগল রাখতে হবে। একটি মাচা তৈরি করতে ১৫০-২০০ টাকা খরচ হয়। বিভিন্নভাবে ছাগলের মাচা তৈরি করা যায়। বাঁশের বাতা দিয়ে চকির মতো করে করা যায়। আবার বাঁশের বাতা মোটা সুতা দিয়ে বুনিয়ে ফোল্ডিং (Folding) মাচা তৈরি করা যায়, যা রাতে ছাগলের জন্য ব্যবহার করে সকালে মুড়িয়ে/গুটিয়ে উঠিয়ে রাখা যায়। কম জায়গায় ফোল্ডিং মাচা ব্যবহার করা সুবিধাজনক। কাঠ...

বিস্তারিত পড়ুন
গবাদি পশু পালনগোখাদ্য তৈরিকরণছাগল পালনপ্রানিসম্পদসাম্প্রতিক পোষ্ট

সহজ পদ্ধতিতে ছাগলের খাদ্য ব্যবস্থাপনা

সহজ পদ্ধতিতে ছাগলের খাদ্য ব্যবস্থাপনা ছাগল পশ্চিমবঙ্গের অতি গুরুত্বপূর্ণ পশু সম্পদ। ছাগল আমদের দেশে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। ছাগল পালন আমাদের দেশে অনেক কৃষকই করে থাকেন। কিন্তু কোন ধরণের খাদ্য খাওয়ালে ছাগল সুস্থ থাকবে অর্থাৎ সহজে কীভাবে খাদ্য ব্যবস্থাপনা করবেন? তা দেখে নেওয়া যাক - ছাগলের খাদ্য ব্যবস্থাপনা – ছাগলকে রাস্তার ধার, পুকুর পাড়, জমির আল, পতিত জমি বা পাহাড়ের ঢালে বেঁধে বা ছেড়ে ৮ - ৯ ঘণ্টা ঘাস খাওয়াতে পারলে খুব উপকার হবে। এ ধরণের সুযোগ না থাকলে প্রতি ২০ কেজি ওজনের ছাগলের জন্য দৈনিক ০.৫ – ১ কেজি পরিমাণ কাঁঠাল, ইপিল, ঝিকা, বাবলা ইত্যাদি গাছের পাতা অথবা এদের মিশ্রণ দেওয়া যেতে পারে। প্রতিটি ছাগলকে দৈনিক ২৫০ - ৩০০ গ্রাম ঘরে প্রস্তুতকৃত দানাদার খাদ্য দেওয়া যেতে পারে। ১০ কেজি দানাদার খাদ্য মিশ্রণে যেসব উপাদান থাকা প্রয়োজন, তা হল- চাল ভাঙ্গা ৪ কেজি, ঢেঁকি ছাঁটা চ...

বিস্তারিত পড়ুন
গবাদি পশু পালনপ্রানিসম্পদসাম্প্রতিক পোষ্ট

শীতে গবাদি পশুর যত্ন নিয়মাবলী

শীতে গবাদি পশুর যত্ন নিয়মাবলী বাংলাদেশ নাতিশীতোষ্ণ দেশ। এ দেশে শীতকাল দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তবে কিছু কিছু জেলায় শীত তীব্র আকার ধারণ করে বিশেষত উত্তরাঞ্চলে। উত্তরাঞ্চলে কোনো কোনো বছর শীতকালে তাপমাত্রা অনেক কমে যায়, প্রচণ্ড ঠাণ্ডা বিরাজ করে। শীতকালে মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশুরও নানা রোগ বালাই দেখা দেয়। ফলে গবাদি পশুর দেহের ওজন কমে যায় এবং দুধ উৎপাদন কমে যায়। শীতকালে গবাদি পশুর বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়। মোটা কাপড় দিয়ে পশুর শরীর ঢেকে দিতে হবে। মোটা কাপড় না থাকলে চটের বস্তার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিদিন সেগুলো ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে যেন রাতের প্রস্রাব দিয়ে সেগুলো ভিজে না থাকে। অন্যথায় সেগুলো থেকে পশুর ঠাণ্ডা লাগবে। এ সময় গবাদিপশুকে সকল খাবার বাড়িতে অথবা খামারের গোয়াল ঘরে অথবা শেডে দিতে হবে। গবাদি পশুকে বাইরের ঠাণ্ডা থেকে দূরে রাখতে হবে। পশুকে গরম খাবার খাওয়াতে হ...

বিস্তারিত পড়ুন
গবাদি পশু পালনগবাদিপশুর রোগ বালাইগরুসাম্প্রতিক পোষ্ট

গবাদি পশু-পাখির শীতকালীন রোগবালাই ও প্রতিকার

গবাদি পশু-পাখির শীতকালীন রোগবালাই ও প্রতিকার শীতকাল। এ সময় গরু ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ অন্যান্য গবাদিপশু-পাখির নানান রকমের রোগবালাই হয়ে থাকে। গবাদিপশু পাখির শীতকালীন কিছু কমন রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রিয় মোহন দাস। গামবোরো রোগ গামবোরো একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এ রোগে বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে ব্রয়লার, কক, সোনালী ও লেয়ার মুরগি মারা যায়। তাই এ রোগের মুরগির মৃত্যুর পাশাপাশি আক্রান্ত ফ্লক ইম্যুনোসাপ্রেশনে ভোগে। আর তাই এ রোগকে মুরগির এইডস বলা হয়। আর এ ধরনের ফ্লক থেকে কখনই আশানুরূপ ফলাফল পাওয়া যায় না।    রোগের লক্ষণ গামবোরো রোগের কিছু কমন লক্ষণ হলো পানি না খাওয়া, খাদ্য না খাওয়া, পাতলা পায়খানা হওয়া ইত্যাদি।   চিকিৎসা ও প্রতিকার এন্টিবায়োটিক হিসেবে সিপ্রোফ্লক্সাসিন ১০% ব্যবহ...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষির তথ্যগবাদি পশু পালনগবাদিপশুর রোগ বালাইগরুগাভীপ্রানিসম্পদ

গবাদিপশুর দূর্ঘটনা জনিত প্রাথমিক চিকিৎসা কি দিবেন জেনে নিন

গবাদিপশুর দূর্ঘটনা জনিত প্রাথমিক চিকিৎসা কি দিবেন জেনে নিন কোন গবাদি পশু যদি কোন দূর্ঘটনায় পড়ে তবে প্রাথমিক কিছু চিকিৎসার কথা আজকে আলোচনা করা হলে। পশু কোন সময় হঠাৎ পড়ে গেলে, অন্য পশুর সাথে লড়াই করলে অথবা চলন্ত বা স্থির বস্তুতে আঘাত প্রাপ্ত হলে, পুড়ে গেলে দূর্ঘটনা আবস্থার সৃষ্টি হয়। তবে সেই ক্ষেত্রে রক্তপাত হয়, তাতে অতি সত্বর রক্তপাত বন্ধ করতে হবে। আক্রান্তের কারণ জ্ঞাত হবে প্রানীকে আক্রান্তের স্থান থেকে তাড়াতাড়ি সড়ানো রক্তপাত হলে তা দ্রুত বন্ধ করা শারীরিক উত্তাপ কমে গেলে, তা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা প্রানীকে স্বাভাবিক অবস্থায় রাখার ব্যবস্থা করা ক্ষত হলে তা ব্যান্ডেজ বা গজ দ্বারা ঢেকে রাখা প্রচুর মুক্ত বাতাসের ব্যবস্থা করা

বিস্তারিত পড়ুন