উন্নত প্রযুক্তিকৃষি উদ্যোক্তাকৃষি প্রযুক্তি

প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইক্লিং উদ্যোক্তাদের জন্য দারুণ সুযোগ

প্লাস্টিক বর্জ্য রিসাইক্লিং উদ্যোক্তাদের জন্য দারুণ সুযোগ সভ্যতা বিকাশের সাথে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার এক বিস্ময়কর অবদান হলো প্লাস্টিক। এটি আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের একটি গুরুত্বর্পূণ পণ্য। প্লাস্টিক পণ্য আমাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। আমরা ঘর সাজাতে প্লাস্টিকের বিভিন্ন ধরনের পণ্য কিনে থাকি। দামে সাশ্রয়ী, সহজে ব্যবহারযোগ্য, কম ঝুঁকিপূর্ণ ও টেকসই ইত্যাদি কারণে সারা বিশ্বে প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। অনেক হালকা এবং দামে সস্তার কারণে প্লাস্টিক খুব জনপ্রিয়। দোকানে দোকানে পাতলা প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগের ছড়াছড়ি। বর্তমানে এমন যুগে বাস করছি, যাকে প্লাস্টিক যুগও বলা যায়। ঘরে-বাইরে আসবাবপত্র কিংবা খেলনা-যন্ত্রপাতিতে বা গাড়ি-উড়োজাহাজের বিভিন্ন অংশ, ল্যাবরেটরির বিভিন্ন কাজে দেখা যায় প্লাস্টিকজাত সামগ্রীর বহুল ব্যবহার। প্লাস্টিকের এই ব্যবহারের কারণ হলো, এটিকে যেকোনো আকৃতি দেওয়া যায়, রা...

বিস্তারিত পড়ুন
উন্নত প্রযুক্তিকৃষি প্রযুক্তিকৃষি সংবাদসাম্প্রতিক পোষ্ট

ভবিষ্যত খাদ্য নিরাপত্তায় আশার আলো সি৪ রাইস

ভবিষ্যত খাদ্য নিরাপত্তায় আশার আলো সি৪ রাইস পৃথিবী তথ্য প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়েছে। বিশেষ করে ইন্টারনেট প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আমরা ৩য় প্রজন্মের যোগাযোগ প্রযুক্তি পেরিয়ে ৪র্থ প্রজন্মের প্রযুক্তির গ্রহণের প্রহর গুনছি। হালনাগাদ প্রযুক্তি উদ্ভাবনে উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরাও পিছিয়ে নেই। সি৩ রাইস বাদ দিয়ে ধানের উৎপাদন দ্বিগুণ বা তারও বেশি করার লক্ষ্যে এবার বিজ্ঞানীরা সি৪ রাইস উদ্ভাবনে দিকে এগুচ্ছেন। শুধু এগুচ্ছেন বললে ভুল হবে, ২০০৮ সালে বিশ্বের ৮টি দেশের ১২টি প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে গঠিত সি৪ রাইস গবেষণা কনসোর্টিয়াম সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন তারা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে অনেকদূর এগিয়ে গেছেন। অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পুর্বে আসুন জেনে নেয়া যাক সি৪ ধান আসলে কি? সি৪ রাইস কি: সি৪ রাইস বলতে এমন একটি ধানকে বোঝানো হয়ে থাকে যেটির পাতায় ক্রাঞ্জ এনাটমি (Kranz Anatomy) বিদ্যমান থাকার কারণে খাদ্য তৈরীর ...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষি প্রযুক্তিচাষাবাদ পদ্ধতি

মৌসুমের শুরুতে আম গাছের যত্নে করণীয়

আম অতি সুস্বাদু এবং জনপ্রিয় দেশীয় ফল। পুষ্টি বিবেচনায় এ ফলের অবস্থান বেশ ওপরে। আমকে বলা হয় ফলের রাজা। বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ। জাতীয় আয়ের প্রধান অংশই আসে কৃষি থেকে। কাজেই কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে সূদৃঢ় ও সুসংহত করতে আমের অধিক উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ একান্ত অপরিহার্য। সঠিক সময়ে আমগাছের পরিচর্যা, রোগবালাই ও পোকামাকড় দমন করে অনেকাংশে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীদের দ্বারা বিভিন্ন প্রযুক্তি যেমন- সার ও সেচ প্রয়োগ ব্যবস্থাপনা, রোগ ও পোকামাকড় দমন ইত্যাদি উদ্ভাবন আমচাষিদের মধ্যে সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়েছে। আগে আম চাষে তেমন কোনো বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা না হলেও বর্তমানে উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করার ফলে উৎপাদনও বেড়েছে। এখনো কিছু কিছু আমচাষি আম মৌসুমের প্রথম থেকে আম বড় হওয়া পর্যন্ত কোন কাজটি কোন সময়ে করতে হবে তা সঠিকভাবে না জানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়। সুতরাং আমের উৎ...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষি প্রযুক্তিগবাদি পশু পালনছাগল পালনপ্রানিসম্পদসাম্প্রতিক পোষ্ট

ছাগলের খামারের মাচা তৈরির পদ্ধতি

ছাগলের খামার বাংলাদেশে প্রেক্ষাপটে একটি লাভজনক প্রকল্প। বহু তরুণ যুবক এই ছাগলের খামার গড়ে বেকারত্ব দূর করেছেন। কিন্তু প্রায়ই অনেক খামারি ছাগলের খামাদের মাচা সঠিক ভাবে তৈরি করতে পারেন না। তাদের জন্যই মুলত আজকেই এই পোস্টটি। ছাগলের মাচা বা বাসস্থান ছন, গোল পাতা, খড়, টিন বা ইটের তৈরি হতে পারে। তবে ঘরের ভিতর বাঁশ বা কাঠের মাচাঁ তৈরি করে তার উপর ছাগল রাখতে হবে। প্রথম পদ্ধতিঃ মাচা তৈরি : ছাগলের ঘর যে ধরনের হোক না কেন ঘরের ভেতরে বাঁশ বা কাঠের মাচা তৈরি করে তার ওপর ছাগল রাখতে হবে। একটি মাচা তৈরি করতে ১৫০-২০০ টাকা খরচ হয়। বিভিন্নভাবে ছাগলের মাচা তৈরি করা যায়। বাঁশের বাতা দিয়ে চকির মতো করে করা যায়। আবার বাঁশের বাতা মোটা সুতা দিয়ে বুনিয়ে ফোল্ডিং (Folding) মাচা তৈরি করা যায়, যা রাতে ছাগলের জন্য ব্যবহার করে সকালে মুড়িয়ে/গুটিয়ে উঠিয়ে রাখা যায়। কম জায়গায় ফোল্ডিং মাচা ব্যবহার করা সুবিধাজনক। কাঠ...

বিস্তারিত পড়ুন
কৃষি প্রযুক্তিকৃষির তথ্যমৎস্যসম্পদমাছ চাষ

বাড়ির চৌবাচ্চাতে মাছ চাষ করে উপার্জন করুন

বাড়ির চৌবাচ্চাতে মাছ চাষ করে উপার্জন করুন আমাদের অনেকেরই বাড়ির মধ্যে চৌবাচ্চা আছে। অনেকে তা ব্যবহার করে থাকি, আবার অনেকের অব্যবহারে তা পরিত্যক্ত। কিন্তু জানেন কি এই চৌবাচ্চায় আপনি করতে পারেন কই, সিঙি মাছের চাষ। কম সময়ে অধিক পরিমাণে মাছ চাষ করতে নতুন কৌশলের প্রশিক্ষণ কৃষি দপ্তরের। পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের করুঞ্জি গ্রামে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ শুরু করা হয়েছে। যারা চাষে আগ্রহী, কৃষি দপ্তর থেকে তাদের মাছের চারা দেওয়া হচ্ছে। করুঞ্জি গ্রামে দু’জন উপভোক্তাকে ৫০০০টি করে মাছের চারা দেওয়া হয়েছে। তারা তাদের বাড়ির চৌবাচ্চায় একজন কই ও অপরজন সিঙ্গি মাছের চাষ করছেন। পূর্ব বর্ধমানের উপ কৃষি অধিকর্তা আবদুস সালাম জানান, “আতমা প্রকল্পে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে খুব কম সময়ে অল্প জায়গায় বেশি পরিমাণে মাছচাষ শুরু করা হয়েছে। বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে সরকারিভাবে এই চাষের প্রশিক্ষণ এবং চারামা...

বিস্তারিত পড়ুন