গবাদি পশু পালন

ক্ষুরা রোগ লক্ষন ও করণীয় 

ক্ষুরা রোগ লক্ষন ও করণীয় 

​ক্ষুরা রোগ  ইহা সকল বয়সের গরু-মহিষ ও ছাগল-ভেড়ার ভাইরাসজনিক একটি মারাত্মক অতি ছোঁয়াছে রোগ।  লক্ষণঃ  শরীরের তাপমাত্রা অতি বৃদ্ধি পায়। জিহ্বা, দাঁতের মাড়ি, সম্পূর্ণ মুখ গহ্বর, পায়ের ক্ষুরের মধ্যভাগে ঘা বা ক্ষত সুষ্টি হয়। ক্ষত সৃষ্টির ফলে মুখ থেকে লালা ঝরে, সাদা ফেনা বের হয়। কখনও বা ওলানে ফোসকার সৃষ্টি হয়। পশু খোঁড়াতে থাকে এবং

শীতকালীন রোগবালাই ও প্রতিকার

গবাদি পশু-পাখির শীতকালীন রোগবালাই ও প্রতিকার

আসছে শীতকাল। এ সময় গরু ছাগল, হাঁস-মুরগিসহ অন্যান্য গবাদিপশু-পাখির নানান রকমের রোগবালাই হয়ে থাকে। গবাদিপশু পাখির শীতকালীন কিছু কমন রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রিয় মোহন দাস। গামবোরো রোগ গামবোরো একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এ রোগে বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে ব্রয়লার, কক, সোনালী ও লেয়ার মুরগি

ক্ষুরা রোগ

ক্ষুরা রোগ

ইহা সকল বয়সের গরু-মহিষ ও ছাগল-ভেড়ার ভাইরাসজনিক একটি মারাত্মক অতি ছোঁয়াছে রোগ। লক্ষণঃ শরীরের তাপমাত্রা অতি বৃদ্ধি পায়। জিহ্বা, দাঁতের মাড়ি, সম্পূর্ণ মুখ গহ্বর, পায়ের ক্ষুরের মধ্যভাগে ঘা বা ক্ষত সুষ্টি হয়। ক্ষত সৃষ্টির ফলে মুখ থেকে লালা ঝরে, সাদা ফেনা বের হয়। কখনও বা ওলানে ফোসকার সৃষ্টি হয়। পশু খোঁড়াতে থাকে এবং মুখে ঘা

গরু মোটাতাজা করে ভাগ্য বদল

বগুড়ায় ঈদুল আযহা সামনে রেখে গরু ব্যবসায়ী ও খামারিরা গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তাদের একটাই লক্ষ্য, অল্প সময়ে গরু মোটাতাজা করে বেশি আয় করা। জানা গেছে, ঈদুল আযহার সামনে বগুড়ার বিভিন্ন স্থানে পশু কেনাবেচার জন্য হাট বসানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সে সব হাটে সবচেয়ে বড় বড় পশু বিক্রি করবেন খামারিরা। সে জন্য তারা গরু-ছাগল

ছাগলের বসন্ত রোগের টিকা

ভূমিকাঃ গোটপক্স বা ছাগলের বসন্ত একটি মারাত্বক সংক্রামক রোগ। এ রোগে সব বয়সের ছাগলই আক্রান্ত হয়ে থাকে। বাচ্চার ক্ষেত্রে সাধারনতঃ এ রোগটি মারাত্মক প্রকৃতির হয়ে থাকে এবং মৃত্যুর হার প্রায় ১০০ ভাগ, অন্যদিকে বড় ছাগলের ক্ষেত্রে মৃদু প্রকৃতির হয়ে থাকে যাতে মৃত্যুর হার প্রায় ৫০ ভাগ। মৃত্যুহার ছাড়া এ রোগে আক্রান্ত ওয়ার পরে নিরাময় হলেও

উন্নত গুনাগুনসম্পন্ন ছাগল নির্বাচন কৌশল

ভূমিকাঃ লাভজনক ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের খামার স্থাপনে উৎপাদন বৈশিষ্ট্য উন্নত গুনাগুনসম্পন্ন ছাগী ও পাঁঠা সংগ্রহ একটি মূল দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত। মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন বয়সী ছাগী ও পাঁঠা নির্বাচন সফলভাবে পালনের জন্য প্রযুক্তিগত তথ্যাদি সরবরাহ অত্যাবশ্যক। প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য/সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ বাংলাদেশে বর্তমানে বাণিজ্যিক ছাগল প্রজনন খামার না থাকায় মাঠ পর্যায় হতে ছাগল সংগ্রহ করতে হবে। মাঠ পর্যায়ে

ষ্টল ফিডিং পদ্ধতিতে ছাগল পালন

ষ্টল ফিডিং পদ্ধতিতে ছাগল পালন

বাংলাদেশে ছাগল পালনের ক্ষেত্রে সাধারণত ছাগলকে ছেড়ে বা মাঠে বেঁধে খাওয়ানো হয়। গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত বিজ্ঞানভিত্তিক বাসস্থান, খাদ্য ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা অনুসারে ছাগল পালনের প্যাকেজ প্রযুক্তিকে স্টল ফিডিং পদ্ধতি বলা হয়। স্টল ফিডিং পদ্ধতির করণীয়ঃ ছাগল নির্বাচনঃ এ পদ্ধতিতে ছাগল খামার করার উদ্দেশ্যে ৬-১৫ মাস বয়সী স্বাভাবিক ও রোগমুক্ত ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের পাঁঠা/ছাগী সংগ্রহ করতে

গবাদিপশুর কৃমিরোগ

ভূমিকাঃ বাংলাদেশের জলবায়ু পরজীবির বংশবিস্তারের সহায়ক তাই আমাদের দেশে গবাদিপশুতে এই রোগের প্রাদূর্ভাব বেশী। কৃমি গবাদিপশুর পুষ্টি উপাদান শোষণ করে প্রতি বছর ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধন করে। নিয়মিত কৃমিনাশক ব্যবহার করে সহজেই গবাদি পশুকে কৃমি মুক্ত রাখা যায়। কৃমিনাশক ব্যবহার পদ্ধতিঃ ভেটেরিনারি চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক গুনগত মানসম্পনড়ব ঔষধ বাজার থেকে সংগ্রহ করতে হবে। বাংলাদেশের আবহাওয়ার

    Top