পোকামাকড়

​পাটের কালো পট্টি রোগে করণীয় 

​পাটের কালো পট্টি রোগে করণীয় 

পাটের কালো পট্টি রোগ কালো পট্রি রোগের লক্ষণ প্রায় কান্ড পচা রোগের মতই। তবে এতে কান্ডে কাল রং এর বেষ্টনীর মত দাগ পড়ে। আক্রান্ত স্থানে ঘষলে হাতে কালো গুড়ার মত দাগ লাগে। সাধারণতঃ গাছের মাঝামাঝি বয়স থেকে রোগ বেশী দেখা দেয়। এ রোগে গাছ ভেঙ্গে পড়ে না তবে গোটা গাছটি শুকিয়ে মরে যায়, ফলে আঁশ

​পাটের বিছা পোকা দমন

​পাটের বিছা পোকা দমন পাতার উল্টো পিঠের সবুজ অংশ খেয়ে পাতাকে সাদা পাতলা পর্দার মত করে ফেলে।এরা সারা মাঠে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো পাতা খেয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।  প্রতিকার: ১. প্রাথমিক পাটের পাতায় ডিমের গাদা বা পোকা দেখলে তা তুলে ধ্বংস করা। ২. ডিম অথবা আক্রমণের প্রথম অবস্থায় কীড়াগুলো যখন পাতায় দলবদ্ধ অবস্থায়

পেয়ারার ফলছিদ্রকারি পোকা দমন

পেয়ারার ফলছিদ্রকারি পোকা দমন

পেয়ারার ফলছিদ্রকারি পোকা এ পোকা ফল ছিদ্র করে ফলের ভিতরে ঢুকে ফলের মাংসল অংশ খেতে থাকে এবং ফল ভেতরে পঁচে যায় । এর প্রতিকার হল: ১. ফল ব্যাগিং করা বা পলিথিন দিয়ে প্যাচানো ২. নষ্ট ফল বাগান থেকে অপসারণ করা। ৩. টাফগার ২ মি.লি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে শেষ বিকেলে স্প্রে করা। পরবর্তীতে যা

ডালিমের এনথ্রাকনোজ রোগ সমাধান

ডালিমের এনথ্রাকনোজ রোগ সমাধান

ডালিমের এনথ্রাকনোজ রোগ ডালিমের এনথ্রাকনোজ হলে কচি পাতায় অনিয়মিত দাগ দেখা যায় । কচি ফল কাল হয়ে শুকিয়ে ফেটে যায় এবং কখনও কখনও ঝড়ে যায় । প্রতিকার: ১. সময়মত প্রুনিং করে গাছ ও বাগান পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ২. গাছের নিচে ঝড়ে পড়া পাতা, ফল অপসারণ করা। ৩. কার্বেন্ডাজিম বা ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক ২ গ্রাম /

আদার কন্দ ছিদ্রকারি পোকা, আদার কন্দ, ছিদ্রকারি পোকা

আদার কন্দ ছিদ্রকারি পোকা

আদার কন্দ ছিদ্রকারি পোকা পোকার ডিম থেকে বের হওয়ার পর সদ্যজাত লার্ভা রাইজোম ছিদ্র করে ভেতরে ঢুকে এবং রাইজোমের অভ্যন্তরীণ অংশ খায়। আক্রান্ত গাছ হলুদ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে রাইজোমে পচন ধরে। আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে গাছ থেকে কোনো ফলন পাওয়া যায় না। এ পোকা আদার রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ পোকা ডিম পাড়া এবং বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হওয়ার

মরিচের ফলছিদ্রকারি পোকা দমন

মরিচের ফলছিদ্রকারি পোকা দমন

মরিচের ফলছিদ্রকারি পোকা লক্ষণ : পোকার কীড়া কচি ফল ও ডগা ছিদ্র করে ও ভিতরে কুরে কুরে খায় । এরা ফুলের কুঁড়িও খায় প্রতিকার: •ক্ষেত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা । • আক্রান্ত ডগা ও ফল সংগ্রহ করে নষ্ট করা • চারা রোপনের ১৫ দিন পর থেকে ক্ষেত ঘন ঘন পর্যাবেক্ষন করা । • জৈব বালাইনাশক ব্যবহার

ভুট্টার লেদা পোকা

ভুট্টার লেদা পোকা পোকা আক্রমণের লক্ষণঃ এরা পাতা কেটে কেটে খায় । কীড়া ও পূর্ণবয়স্ক উভয়ই পাতায় পাশ থেকে খেতে থাকে । আক্রমণের পূর্বে করণীয়ঃ ১. উত্তমরুপে জমি চাষ দিয়ে পোকা পাখিদের খাবার সুযোগ করে দিন। ২. নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে আক্রমণের শুরুতেই ব্যবস্থা নিন আক্রমণের পর করণীয়ঃ * আলোর ফাঁদের সাহায্যে পূর্নবয়স্ক মথ ধরে

ভুট্টার ফ্লি বিটল পোকা

ভুট্টার ফ্লি বিটল পোকা

ভুট্টার ফ্লি বিটল পোকা পূর্ণ বয়স্ক ও বাচ্চা উভয়ই ক্ষতি করে । পূর্ণ বয়স্করা চারা গাছের বেশি ক্ষতি করে । এরা পাতা ছোট ছোট ছিদ্র করে খায় । আক্রান্ত পাতায় অসংখ্য ছিদ্র হয় । আক্রমণের পূর্বে করণীয়ঃ  পরিস্কার পরিচ্ছন্ন চাষাবাদ । আগাম ভুট্টা বপন করুন উন্নত জাতের ভুট্টা বপন করুন । চারা গাছ জাল দিয়ে

লিচুর ফল ছিদ্রকারী পোকা দমন

লিচুর ফল ছিদ্রকারী পোকা দমন

লিচুর ফল ছিদ্রকারী পোকা লক্ষণ: এ পোকা ফলের বোঁটার কাছে ছিদ্র করে ভিতরে ঢোকে এবং বীজকে আক্রমণ করে । পরে ছিদ্রের মুখে বাদামী রংয়ের এক প্রকার করাতের গুড়ার মত মিহি গুড়া উৎপন্ন করে । এতে ফল নষ্ট এবং বাজার মূল্যে কমে যায় । প্রতিকার: • লিচু বাগান নিয়মিত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা । আক্রান্ত ফল সংগ্রহ

আমড়ার আঠা ঝড়া রোগ

আমড়ার আঠা ঝড়া রোগ

আমড়ার আঠা ঝড়া রোগ আমের কান্ড বা মোটা ডালের কিছু যায়গা থেকে প্রথমে হালকা বাদামী বা গাঢ় বাদামী আঠা বা রস বের হতে দেখা যায় । বেশি আক্রান্ত হলে পুরো ডালটি এমনকি পুরো গাছটি মারা যায়। এর প্রতিকার হল: ১. আক্রান্ত গাছে সুষম মাত্রায় জৈব সার ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করা এবং নিয়মিত সেচ প্রদান

পেয়ারার শুয়া পোকা

পেয়ারার শুয়া পোকা

পেয়ারার শুয়া পোকা এ পোকা গাছকে অংশিক বা সম্পুর্ণ পাতাশুন্য করে ফেলে। আনেক সময় মারাত্বক আক্রমনে গাছে ফল আসেনা। এর প্রতিকার হল ১. পোকা সহ পাতা সংগ্রহ করে পিশে পোকা মেরে ফেলা ২. সুমিথিয়ন ২ মি.লি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা। পরবর্তীতে যা যা করবেন না : ১. বাগান অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না পরবর্তীতে

পানের সাদা ও কালো মাছি

পানের সাদা ও কালো মাছি

পানের সাদা ও কালো মাছি: এ পোকায় আক্রান্ত হলে গাছের পাতা হালকা রংয়ের হয়ে যায়। পাতার নিচ দিকে পোকার উপস্থিতি লক্ষ করা যায় । এর প্রতিকার হল : ১. পোকাসহ আক্রান্ত পাতা তুলে পোকা মেরে ফেলা ২. বরজ ও আশ পাশের জায়গা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ৩. আক্রমণ বেশি হলে এদের দমনের জন্য মারশাল ২০ ইসি

ঢেঁড়শের ছাতরা পোকা দমন

ঢেঁড়শের ছাতরা পোকা দমন

ঢেঁড়শের ছাতরা পোকা লক্ষণ: পূর্ণ বয়স্ক ও বাচ্চা উভয়ই পাতা কান্ড ও ডগার রস চুষে খায়্ । আক্রান্ত স্থান কালো ঝুলের মত দেখায় আক্রান্ত পাতা ঝরে পড়ে । প্রতিকার : আক্রান্ত ডগা, পাতা ও ডাল দেখা মাত্রা তা সংগ্রহ করে ধ্বংস করা । আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ম্যালাথিয়ন বা সুমিথিয়ন ২ মিঃলি মারসাল

ক্যাপসিকাম মিস্টি মরিচের জাব পোকা দমন

ক্যাপসিকাম মিস্টি মরিচের জাব পোকা দমন

মিস্টি মরিচের জাব পোকা লক্ষণ : পোকা গাছের কচি পাতা ও ডগার রস শুষে খেয়ে গাছকে দুর্বল করে ফেলে । প্রতিকার: গাছের আক্রান্ত অংশ অপসারণ করা প্রাথমিক অবস্থায় শুকনো ছাই প্রয়োগ করা পরিস্কার পানি জোরে স্প্রে করা ক্ষেত পরিস্কার/পরিচ্ছন্ন রাখা । হলুদ রঙের ফাঁদ ব্যবহার করা । তামাকের গুড়া (১০গ্রাম), সাবানের গুড়া (৫গ্রাম) ও নিমের

শসার ফলছিদ্রকারি পোকা

শসার ফলছিদ্রকারি পোকা

শসার ফলছিদ্রকারি পোকা লক্ষণ : পোকার কীড়া কচি ফল ও ডগা ছিদ্র করে ও ভিতরে কুরে কুরে খায় । এরা ফলের কুঁড়িও খায় প্রতিকার : •ক্ষেত পরিস্কার পরচ্ছন্ন রাখা । • আক্রান্ত ডগা ও ফল সংগ্রহ করে নষ্ট করা • চারা রোপনের ১৫ দিন পর থেকে ক্ষেত ঘন ঘন পর্যাবেক্ষন করা । • জৈব বালাইনাশক

লাউয়ের গামি স্টেম ব্লাইট রোগ

লাউয়ের গামি স্টেম ব্লাইট রোগ

লাউয়ের গামি স্টেম ব্লাইট রোগ এ রোগ হলে পাতায় পানি ভেজা দাগ দেখা যায়। ব্যাপক আক্রমনে পাতা পচে যায়। কান্ড ফেটে লালচে আঠা বের হয়। এর প্রতিকার হল: ১. ক্ষেত থেকে আক্রান্ত গাছ তুলে ফেলা ২. রোগমুক্ত বীজ বা চারা ব্যবহার করা ৩. ম্যানকোজেব অথবা ম্যানকোজেব + মেটালক্সিল যেমন: রিডোমিল গোল্ড ২ গ্রাম / লি.

Top