সবজি ফসল চাষ

বাকৃবি গবেষকের সাফল্যঃছাদে মাছ ও সবজির সমন্বিত চাষ(অ্যাকোয়াপনিক্স)

বাকৃবি গবেষকের সাফল্যঃছাদে মাছ ও সবজির সমন্বিত চাষ(অ্যাকোয়াপনিক্স)

ছাদে মাছ ও সবজির সমন্বিত চাষ বাড়ির ছাদে অনেকেই সবজি বা ফলমূলের চাষ করেন। তারা চাইলে সবজি বা ফলমূলের পাশাপাশি মাছ চাষ করতে পারেন। এতে বাড়তি তেমন খরচ নেই। অন্যদিকে আমিষের জোগানও হবে। আবার খুব বেশি ঝামেলারও নয়। সম্প্রতি ছাদে সবজির পাশাপাশি মাছ চাষ পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করেছেন ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একোয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক

মাশরুম কি , মাশরুম চাষ , মাশরুমের পুষ্টিমান ও উপকারিতা

মাশরুম কি , মাশরুম চাষ , মাশরুমের পুষ্টিমান ও উপকারিতা মাশরুম হলো এক ধরণের ভক্ষণযোগ্য মৃতজীবী ছত্রাকের ফলন্ত অংগ। এগুলো মূলত Basidiomycetes অথবা Ascomycetes শ্রেণীর অন্তরগত ছত্রাক। মাশরুম একপ্রকার অপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি ছত্রাকের বা ইউমাইসেটিসের অন্তর্ভুক্ত । এতে সবুজ কণা (Chlorophyll) নাই বিধায় সবুজ কণাযুক্ত উদ্ভিদের মতো নিজের খাদ্য নিজে প্রস্তুত করতে পারে না। সে

কারিপাতা বিস্তারিত ও চাষাবাদ নিয়ম

হিমালয়ের পাদদেশ থেকে শুরু করে সুন্দরবনসংলগ্ন জনপদেও দেখেছি কারিপাতার গাছ জন্মাতে। তবে কারিপাতার রান্না তামিলনাড়ুর চিদাম্বরমে আন্নামালাই বিশ্ববিদ্যালয়ে খেয়ে তবেই না এর স্বাদ বুঝেছি। কারিপাতাগাছ এ দেশে পরিচিত গাছ হলেও সুগন্ধি গাছ হিসেবে এর ব্যবহার প্রায় নেই বললেই চলে। কারিপাতা এদেশে কোথাও কোথাও নিমভুতগাছ হিসেবে পরিচিত। বনে জঙ্গলে জন্মে, আপনা আপনি হয়। কেউ কখনো এ

ছাদে পুদিনার চাষ পদ্ধতি

ছাদে পুদিনার চাষ পদ্ধতি পুদিনা পাতা সাধারণতঃ তরি-তরকারির সাথে সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন রকমের বড়া তৈরির কাজে পুদিনা পাতার অবদান রয়েছে । বিশেষ করে রমজানের এই মাসে বাড়ি কিংবা ইফতারের দোকানগুলোতে ব্যাপকভাবে পুদিনা পাতা ব্যবহার হয়ে থাকে । পুদিনা একটি সাধারণ আগাছা ধরনের গাছ। কাণ্ড ও পাতা বেশ নরম। কাণ্ডের রঙ বেগুনি, পাতার

আধুনিক পদ্ধতিতে টমেটো চাষ ও ফলন বৃদ্ধি

আধুনিক পদ্ধতিতে টমেটো চাষ ও ফলন বৃদ্ধি

পুষ্টিমানঃ টমেটো একটি অতি প্রয়োজনীয়, জনপ্রিয় এবং পুষ্টিকর সবজি। এটি ভিটামিন এ এবং সি-এর অন্যতম উৎস। কাঁচা ও রান্না করে-এ দুইভাবেই টমেটো খাওয়া যায়। টমেটো বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হয় যেমন জ্যাম, জেলি, সস্, কেচাপ, আচার, সালাদ ইত্যাদি। টমেটোর পুষ্টিমান পাকা টমেটোর ভক্ষণযোগ্য অংশের প্রতি ১০০ গ্রামে পুষ্টি উপাদানসমূহ নিম্ন লিখিত পরিমাণে পাওয়া যায়; টমেটো চাষের জন্য

ছাদ বাগানের দ্রুত বর্ধনশীল ১০ টি সবজি

আমাদের দেশে শীতকালেই সবচেয়ে বেশি  সবজি পাওয়া যায়। তাও আবার বিচিত্র ধরনের। শীতকালে যে বিচিত্র ধরনের সবজি পাওয়া যায় তা আর বছরের অন্য কোন সময়ে পাওয়া যায় না। আর এই সবজিগুলোর পুষ্টিগুণ বলেও শেষ করা যাবে না।  শীতকালে নানান ধরনের সব্জির বাণিজ্যিক চাষ হয়ে থাকে তাছাড়াও সৌখিন চাষিরা বা যারা ছাদে বা নিজেদের ছোট্ট আঙ্গিনাতে

স্কোয়াসের চাষ পদ্ধতি

স্কোয়াসের চাষ পদ্ধতি

স্কোয়াসের জাত পরিচিতি মূলতঃ স্কোয়াস একটি বিদেশী সবজি। বাংলাদেশে নতুনভাবে এটি চাষ শুরু হয়েছে। ভারতে চাষাবাদ হচ্ছে এরকম কয়েকটি কয়েকটি জাতের -zucchini (Cucurbita pepo) একটি জনপ্রিয় জাত। আমাদের দেশে এরকম লম্বা স্কোয়াস চাষাবাদ হচ্ছে। বিভিন্ন বেসরকারী কোম্পানী স্কোয়াসের বীজ বাজারজাত করছে। বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায় নি। স্কোয়াসের বপন/রোপণ প্রযুক্তি স্কোয়াসের বীজ একটি একটি করে

কাঁকরোল চাষ পদ্ধতি

কাঁকরোল চাষ পদ্ধতি

কাকরোলের জাত পরিচিতি কাঁকরোলের বেশ কয়েকটি জাত রয়েছে। সেসব জাতের মধ্যে – আসামি, মণিপুরি, মুকুন্দপুরি ও মধুপুরি উল্লেখযোগ্য। আসামিঃ এ জাতের ফলগুলো গোলাকার ও বেঁটে এবং খেতে সুস্বাদু। মণিপুরিঃ এ জাতের ফল কিছুটা লম্বাটে ও অপেক্ষাকৃত চিকন। তবে তুলনামূলক ফলন বেশি হয় এ জাতে। কাঁকরোলের বপন/রোপণ প্রযুক্তি: জমি তৈরীঃ ১) জমি ৪-৫ টি চাষ ও

ব্রোকলি চাষ পদ্ধতি

ব্রোকলির জাত পরিচিতি ব্রোকলি আমাদের দেশে নতুন সবজি। কাজেই এখন পর্যন্ত তেমন কোন ভাল জাত আমাদের দেশে নেই। উন্নত বিশ্বের বেশ কয়েকটি জাত যেমন- প্রিমিয়াম ক্রস, গ্রীন কমেট, জুপিটার প্রভৃতি জাতের ব্রোকলি চাষ করা যায়। লালতীর সীডস লিমিটেড ‘লিডিয়া’ নামে ব্রোকলির একটি জাত বাজারজাত করছে, যা আমাদের দেশের আবহাওয়া উপযোগী। জাতটি দ্রুত বর্ধনশীল, মাঝারি আকৃতির,

গ্রীষ্মকালীন বারি মরিচ ২ এর চাষাবাদ

গ্রীষ্মকালীন বারি মরিচ ২ এর চাষাবাদ

গ্রীষ্মকালীন বারি মরিচ ২ এর চাষাবাদ মরিচ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী মসলা ফসল। কাঁচা ও পাকা উভয় অবস্থাতেই এ ফসলে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। রান্নার রং, রুচি ও স্বাদে ভিন্নতা আনার জন্য মরিচ একটি অপরিহার্য উপাদান। পুষ্টির পাশাপাশি মরিচের ভেষজ গুণ রয়েছে। কাঁচা মরিচ ভিটামিন-এ ও সি সমৃদ্ধ। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা মরিচে ২-৩ গ্রাম আমিষ,

চাল কুমড়া চাষের পদ্ধতি

চাল কুমড়া চাষের পদ্ধতি

চাল কুমড়া চাষের পদ্ধতি সবজি হিসাবে আমাদের দেশে চাল কুমড়ার জনপ্রিয়তা ব্যাপক। ঘরের চালে এ সবজি ফলানো হয় বলে এটি চাল কুমড়া নামে পরিচিত। তবে চাল কুমড়া শুধু চালে নয় ইহা জমিতে মাচায় চাষ করলে ফলন বেশি হয়। সবুজ কচি চাল কুমড়া তরকারি হিসেবে খাওয়া হয়। শুধু চাল কুমড়াই নয় এর কচি পাতা ও ডগা

শিম চাষ

দেশি শিম চাষ

শীমের ইংরেজী নাম Bean।শীতকালে দেশী শিম খুবই জনপ্রিয় সবজি। শীত মৌসুমের শুরুতেই সরবরাহ কম থাকায় দাম থাকে চড়া। আমিষসমৃদ্ধ এই শিম তরকারি হিসেবে দু’ভাবে খাওয়া হয়। দেশী শিম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শীতকালীন সবজি। এটি পুষ্টিকর, সুস্বাদু এবং সব শ্রেণীর লোকের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। শিমের কচি শুঁটির বীজে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও শ্বেতসার থাকে বলে খাদ্য

পটল চাষ

পটল চাষ

পটল একটি প্রধান গ্রীষ্মকালীন সবজি। বাংলাদেশের সবজায়গাতেই পটলের চাষ হয় না। বৃহত্তর রংপুর, রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা, কুষ্টিয়া ও যশোর জেলায় ব্যাপকভাবে পটলের চাষ করা হয়। বর্তমানে ফরিদপুর ও খুলনা জেলায় পটল জন্মে। গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে যখন সবজির অভাব দেখা দেয় তখন পটল একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সবজি হিসেবে কাজ করে। জাতভেদে পটোলের ফলন প্রতি হেক্টরে চার

শাহী পেঁপে বিস্তারিত ও চাষাবাদ

শাহী পেঁপে::: বৈশিষ্ট্য : উচ্চ ফলনশীল একলিঙ্গী জাত। গাছের উচচতা ১.৬-২.০ মি., কান্ডের খুব নীচু থেকে ফল ধরা শুরু হয়। ফল ডিম্বাকৃতির, ফলের ওজন ৮০০-১০০০ গ্রাম, ফলপ্রতি বীজের সংখ্যা ৫০০-৫৫০ টি। শাসের পুরুত্ব ২ সে.মি., রং গাঢ় কমলা থেকে লাল। ফল মিষ্টি (ব্রিক্সমান ১২%) ও সুস্বাদু। উপযোগী এলাকা : দেশের সর্বত্র চাষ উপযোগী। বপনের সময়

বরবটি চাষ

বরবটি চাষ

বরবটি Vigna sesquipedalis বরবটি আমিষ সমৃদ্ধ একটি সবজি। প্রায় সারা বছরই এটি ফলানো যায়। তবে খরিপ তথা গ্রীষ্মকালে ভাল হয়। খুব শীতে ভাল হয় না। মাটিঃ দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি বরবটি চাষের জন্য উপযোগী। জাতঃ কেগরনাটকীই অনেকদিন পর্যন্ত বরবটি একটি উন্নত জাত হিসেবে চাষ হয়ে আসছে। এখন অবশ্য বেশ কয়েকটি জাত চলে এসেছে। লাল

রেড লেডী এফ -১ হাইব্রিড পেঁপে বিস্তারিত

এটি তাইওয়ানের উচ্চ ফলনশীল বামন প্রজাতির পেঁপে। রেডলেডি জাতের প্রত্যেক টি গাছে পেঁপে ধরে ।এই জাতের পেঁপে গুলি বেশ বড়। ফলের রং লাল-সবুজ। এক একটি ফলের ওজন ১..৫ থেকে ২ কেজি। মাংস বেশ পুরু, গাঢ় লাল, স্বাদে বেশ মিষ্টি ও সুগন্ধিযুক্ত। গাছের উচ্চতা ৬০-৮০ সেঃ মিঃ হয় তখন ফল ধরা শুরু হয় প্রতিটি গাছ ৪০

Top