তেল ফসল চাষ

সয়াবিন চাষ

সয়াবিন চাষ

বাংলাদেশে সয়াবীন একটি সম্ভাবনাময় ফসল। আমিষ ও ভোজ্য তেল উৎপাদনে সয়াবীন এখন অনেক দেশেই একটি প্রধান ফসল। পুষ্টি উপাদান/মূল্য ও ভেষজগুণঃ প্রোটিন বিদ্যমান। অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড থাকে বিধায় হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্ত চাপ রোগীদের জন্য বিশেষ উপকারী। ব্যবহারঃ সয়াবিন ডাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া পিয়াজু, বড়া, দুধ, চাপাতি, পরটা, পাউরুটি, বিস্কুট, পিঠাসহ আরও অনেক

তিসি চাষ

তিসি চাষ

তিসি চাষ ফসলের নাম–তিসি (Linseed) উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম: Linum Utitatissimum Linn. পরিবার: Linaceae. ১.  পুষ্টিমূল্য/উপাদান : প্রোটিন, তেল, কার্বোহাইড্রেট, ছাই, আঁশ বিদ্যমান। ৩.  ব্যবহার : যন্ত্রপাতির জন্য গ্রিজ ও সাবান তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। ৪.  উপযুক্ত জমি ও মাটি : এঁটেল মাটি তিসি চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী। পলি দো-আঁশ ও এঁটেল দো-আঁশ মাটিতেও এর চাষ

সূর্যমুখী চাষ

সূর্যমুখী চাষ বিস্তারিত

সূর্যমুখী চাষ পুষ্টিমূল্য ও ভেষজগুণঃ সূর্যমুখীর বীজে ৪০-৪৫% লিনোলিক এসিড রয়েছে, তাছাড়া এতেলে ক্ষতিকারক ইরোসিক এসিড নেই। হৃদরোগীদের জন্য সূর্যমুখীর তেল খুবই উপকারী। ব্যবহারঃ সূর্যমুখীর খৈল গরু ও মহিষের উৎকৃষ্টমানের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর বীজ ছাড়ানোর পর মাথাগুলো গরুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। গাছ ও পুষ্পস্তবক জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উপযুক্ত জমি ও

পটুয়াখালীতে জনপ্রিয় হচ্ছে সূর্যমুখীর চাষ

পটুয়াখালীতে জনপ্রিয় হচ্ছে সূর্যমুখীর চাষ

পটুয়াখালীতে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সূর্যমুখীর চাষ। সরিষা ও তিলের চেয়ে লাভজনক হওয়ায় সূর্যমুখী চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানবদেহের জন্য এ তেল বেশ উপকারী। পটুয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় মাঠের পর মাঠ জুড়ে চাষ করা হয়েছে সূর্যমুখী। অনুকূল আবহাওয়া ও যথাযথ পরিচর্যায় ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে কৃষকের ক্ষেত। সবুজ পাতার মাঝে হলুদ রঙের বাহারি দৃশ্যে জুড়িয়ে যায়

লক্ষ্মীপুরে বাম্পার ফলনেও মুখে হাসি নেই সয়াবিন কৃষকদের

  লক্ষ্মীপুরে বাম্পার ফলনেও মুখে হাসি নেই সয়াবিন কৃষকদের দেশের মোট উৎপাদিত  সিংহভাগ সয়াবিন লক্ষ্মীপুর জেলায়  হলেও প্রক্রিয়াজাতকরণ  ব্যাবস্থা না থাকায় দাম পাচ্ছে না কৃষকরা। ৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ করা হয় সয়াবিন, উৎপাদিত সয়াবিনের পরিমাণ প্রায় এক লাখ টন, যার বাজার মূল্য প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। অর্থকরি এ ফসলের প্রক্রিয়াজতকরণ কারখানা যদি লক্ষ্মীপুর জেলায়

সুর্যমুখী চাষ

ফসলের নাম :সূর্যমুখী(Sunflower) উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম : Hellianthus annus. ১.  পুষ্টিমূল্য/উপাদান : বীজে লিনোলিক এসিড বিদ্যমান। উন্নতমানের তৈল থাকে। ২.  ভেষজগুণ : হৃদরোগীদের জন্য সূর্যমুখীর তেল খুবই উপকারী। ৩.  ব্যবহার :সূর্যমুখীর খৈল গরু ও মহিষের উৎকৃষ্টমানের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর বীজ ছাড়ানোর পর মাথাগুলো গরুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। গাছ ও পুষ্পস্তবক জ্বালানী হিসেবে

পামওয়েল চাষ

পামওয়েল বৃক্ষ পাম ওয়েল গাছ একটি বর্ষজীবি উদ্ভিদ। রোপণের ৩-৪ বছরের মধ্যে ফলন শুরু হয়। একটানা ৬০-৭০ বছর ফল দিয়ে থাকে। বছওে ৮-১০টি কাঁদি আহরণ করা যায়। একটি কাঁদিও ওজন ৪০-৮০ কেজি পর্যন্ত হয়। ঝড় জলোচ্ছাসে এই গাছ সহজে ক্ষতি হয় না। অন্যান্য গাছ থেকে ১০ গুণ বেশি অক্সিজেন দেয়। কেন পামওয়েল চাষ করবো ঃ

বাদাম চাষ

চরাঞ্চলের বাদাম চাষ চরাঞ্চলের জমিতে বাদাম চাষের জন্য খুবই উপযোগী। প্রতি বছরই বাদাম চাষ করার সুযোগ রয়েছে। ভালো ফলন হলে একর প্রতি ২২-২৪ মন বাদাম উৎপাদন করা সম্ভাব। প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, পুজি ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা। কারণ, তেলজাতীয় ফসলের মধ্যে চীনা বাদাম একটি গুরুত্বপূর্ন। গুনাগুন দিক থেকে চীনাবাদাম সরিষার তেলের পাশাপাশি। বাদাম অধিক লাভের অর্থকড়ি

    Top