ফসল সংরক্ষণ

বর্ষার মৌসুমে গো-খাদ্য সংরক্ষণ

বর্ষার মৌসুমে গো-খাদ্য সংরক্ষণ

বর্ষার মৌসুমে গো-খাদ্য সংরক্ষণ

বর্ষার মৌসুমে গো-খাদ্য সংরক্ষণ বাংলাদেশে গো-খাদ্যের খুব অভাব রয়েছে। দেশে চারণ ভূমির পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকার ফলে চারণ ভূমিতে গবাদিপশু চরে যৎসামান্য পরিমাণে কাঁচা ঘাস খেতে পারে। কৃষক ভাইয়েরা ফসলা জমিতে ঘাস চাষ করে গরুকে খাওয়াতে তেমন একটা আগ্রহ প্রকাশ করেন না। আবার বাংলাদেশে গম ও ডাল জাতীয় ফসলের উৎপাদন মোটেও আশানুরূপ নয়। ফলে ভূষি

কৃত্রিম মিলনে ফলন বাড়ান

কুমড়ো এমন একটা সব্জি, যেটা ভারতের প্রায় সমস্ত রাজ্যে চাষ হয়। গরমেই চাষ হয় বেশি। ছায়ায় থাকতে পারে বলে অন্য ফসলের সঙ্গেও চাষ করা যায় কুমড়ো। হুগলি ও বর্ধমান জেলার আলুচাষিরা যেমন আলুর সঙ্গে কুমড়ো চাষ করেন। আসলে আলুর জমি কুমড়ো চাষের জন্য তৈরি হয়েই থাকে। কার্তিক-অগ্রহায়ন বা পৌষ মাসে আলু লাগানোর কিছু দিন পর

এইবার একই জমিতে চার ফসল!

ভোলার দৌলতখান উপজেলার ১৫ জন কৃষক এক জমিতে বছরে চার ফসল উৎপাদন করে ব্যাপক সাফল্য পাওয়ায় অন্য কৃষকদের মাঝে তা ব্যাপক আগ্রহের জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের তত্ত্বাবধানে চার ফসলভিত্তিক ফসল বিন্যাস উদ্ভাবন কর্মসূচির আওতায় এ কার্যক্রম চলছে। বর্তমানে ভোলাসহ দেশের ১৫ টি জেলা এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে। দৌলতখান উপজেলার কৃষক মো. আলাউদ্দিন,

গাইবান্ধায় বোরোর বাম্পার ফলনের আশা

বোরো চারা রোপণের পর এবার এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে। পাশাপাশি অন্য বছরের তুলনায় তেমন লোডশেডিং না থাকায় সেচের পানির অভাব ছিল না। এছাড়া তেল, সারসহ সব কৃষি উপকরণ সহজলভ্য হওয়ায় গাইবান্ধায় চলতি বছর বোরোর বাম্পার ফলন আশা করছে কৃষি বিভাগ। তবে ধানের দাম নিয়ে কৃষকের চোখেমুখে রয়েছে শঙ্কা। দখিণা বাতাসের ধাক্কায় ফসলের মাঠ জুড়ে এখন

শেরপুরে এক জমিতে বছরে চার ফসল

শেরপুর শহরের পশ্চিম শেরী এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম। বাড়ির পাশের দেড় একর জমিতে এক বছরে পর্যায়ক্রমে তিনি চারটি ফসলের আবাদ করতে পেরে দারুন খুশি। আউশ মৌসুমে চাষ করেছিলেন বিআর-৪৮ ধান। ১১০ দিনেই সেই ফসল ঘরে তুলেছিলেন একর প্রতি ৪৫ মণ করে। আউশ কেটে আমনে চাষ করেছিলেন বিআর-৬২ ধান। ১০০ দিনেই আমন ফসল কেটে ঘরে তুলেছিলেন।

আলু সংরক্ষণ পদ্ধতি

হিমাগারে (Cold Storage) আলু সংরক্ষণ বীজ আলু অবশ্যই হিমাগারে রাখতে হবে। হিমকক্ষে নেয়ার আগে বীজ আলু ২৪-৪৮ ঘন্টা ১৫-১৮ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রায় প্রিকুলিং চেম্বারে রাখতে হবে। এরপর হিমকক্ষে নিয়ে র‌্যাকের উপর বস্তা সারি করে রেখে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমিয়ে ২.৮-৩.৫ ডিগ্রী সে. তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হয়। এ সময় আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৮৫-৯০% বজায় রাখতে হবে। সংরক্ষণের

কলা সংরক্ষণ

কলা সংরক্ষণ

কলার সংগ্রহোত্তর প্রতিটি ধাপের কাজই ছায়াযুক্ত স্থানে করতে হবে। কাঁদি থেকে ফানা আলাদা করার সময় যাতে আঘাতপ্রাপ্ত না হয় সেজন্য কাঁদির নীচে কলার পাতা বা অন্য কিছু বিছিয়ে দিতে হবে। ফানাগুলো পরিষ্কার পানিতে অথবা ১০ পিপিএম ক্লোরিনযুক্ত পানিতে ডুবিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। সংগ্রহোত্তর সময়ে কলার ফানায় যাতে পচন না ধরে সেজন্য পরিষ্কার ও বাছাইকরণের পর

সবুজ ঘাস সংরক্ষণ

ভূমিকাঃ বাংলাদেশে বৃষ্টির মৌসুমে কোন কোন এলাকায় প্রচুর পরিমানে ঘাস পাওয়া যায়। যেমনঃ দূর্বা, আরাইল, সেচি, দশ, শষ্য খেতের আগাছা ইত্যাদি। বৃষ্টির মৌসুমে গো-সম্পদের স্বাস্থ্যের যথেষ্ট উন্নতিও হয়। কিন্তু শুষ্ক মৌসুমে ঘাসের অভাবে স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। তাই এ সময়ে উৎপাদিত অধিক পরিমান ঘাসকে সংরক্ষন করে রাখার জন্য বাংলাদেশ পশুসম্পদ গবেষণা ইনষ্টিটিউট দেশীয় পদ্ধতিতে সবুজ ঘাসে

আমের মুকুল ঝরার প্রতিকার

আম বাংলাদেশের প্রধান চাষযোগ্য অর্থকরী ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম। বৈচিত্রপূর্ণ ব্যবহার, পুষ্টিমান এবং স্বাদ-গন্ধে আম একটি অতুলনীয় ফল। আম চাষাবাদে বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়। তারমধ্যে বিভিন্ন রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ রয়েছে। সঠিক সময়ে রোগ ও পোকামাকড় দমন করতে ব্যর্থ হলে আমের ফলন মারাত্মকভাবে হরাস পেতে পারে। এই সমস্ত রোগ ও পোকামাকড় দমনের জন্য সঠিক বালাইনাশক/ছত্রাকনাশক নির্বাচন

আমের ফলন বাড়ান

আমের ভালো ফলন পেতে যা করণীয়

আমকে বলা হয় ফলের রাজা। রাজা হলেও বেড়ে ওঠার সময় অন্যান্য ফলের মতো তাকেও নানা সমস্যার মোকাবিলা করতে হয়। এসব সমস্যার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণই প্রধান। সঠিক সময়ে রোগ ও পোকামাকড় দমন করতে ব্যর্থ হলে আমের ফলন অনেক কমে যায়। তবে এসব রোগ ও পোকামাকড় দমনের জন্য সঠিক বালাইনাশক বা ছত্রাকনাশক সঠিক

আধুনিক পদ্ধতিতে পোকা এবং ইদুরমুক্ত ধান সংরক্ষণ

মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে অন্ন বা খাদ্যের চাহিদা অন্যতম। তাই খাদ্য অপচয় রোধে সঠিকভাবে ব্যবহার এবং সংরক্ষন খুবই প্রয়োজন। বাসা-বাড়িতে খাদ্য সংরক্ষণের অন্যতম শত্রু হচ্ছে ইদুর।ইদুরকে পরিবারের সদস্য ও বলা যায়। কেননা ইদুর মানুষের সাথে বাসা বাড়িতে থেকে আমরা যা খায় ইদুরও তা খাচ্ছে। তারপরও ইদুর আমাদের ক্ষতি করে বিধায় তাদের দমন এর ব্যবস্থা নেওয়ার

Top