জৈবসার

ছাঁদ কৃষি এবং কৃষি কাজে কোকো পিটের ব্যবহার

ছাঁদ কৃষি এবং কৃষি কাজে কোকো পিটের ব্যবহার

ছাঁদ কৃষি এবং কৃষি কাজে কোকো পিটের ব্যবহার কোকো পিট কি? কোকো পিট একটি জৈব উপাদান যা নারিকেলের আঁশ এর থেকে বাছাই করা এক প্রকার গুঁড়ো উপাদান। এই জৈব উপাদান সম্পূর্ন স্বয়ংক্রিয় আধুনিক মেশিনের মাধ্যমে ইলেকট্রিক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে এই কোকো পিটের ব্লক তৈরি করা হয়, যা আধুনিক কৃষি খামারীরা তাদের কৃষিজ খামারে ব্যবহার করে

organic-fertilizer

এ সি আই ওয়েষ্ট কন্সার্ন জৈব সার মাটির প্রাণ

এ সি আই ওয়েষ্ট কন্সার্ন জৈব সার মাটির প্রাণ  অর্গানিক জৈবসার। উপাদানঃ কার্বনঃ নাইট্রোজেন অনুপাত (সর্বোচ্চ) – ২০ঃ১ জৈব কার্বন- ১০-২৫%, পি এইচ মান- ৬.০-৮.৫ আদ্রতা (সর্বোচ্চ) – ১৫-২০%। নাইট্রোজেন- ০.৫-৪.০% , ফসফরাস- ০.৫-৩%, সালফার -০.১-৫%, পটাশিয়াম- ০.৫-৩.০% ও অন্যান্য অনুখাদ্য সমূহ। প্রয়োগ মাত্রাঃ ফসল ভেদে হেক্টর প্রতি৪৫০-৫০০ কেজি জৈবসার জমি তৈরি করার শেষ চাষে

কম্পোস্ট ব্যবহারের উপকারিতা

কম্পোস্ট ব্যবহারের উপকারিতা

আপনি জানেন কি? বর্তমানে জমিতে অধিক উৎপাদনের লক্ষ্যে প্রচুর পরিমানে রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হয়। তবে ব্যাপকহারে এ রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে জমিতে এর বিরূপ প্রভাব ও পড়ে । সাথে সাথে জমিতে জৈব পদার্থ ও উপকারী অনুজীবের পরিমান হ্রাস পেতে থাকে। এছাড়া জমির পুষ্টি উপাদানের মাত্রা ও ক্রমশ কমে যেতে থাকে। এজন্য জমিতে কম্পোষ্ট ব্যবহার

কেচোঁ কম্পোস্ট (ভার্মি কম্পোস্ট)

কেচোঁ কম্পোস্ট (ভার্মি কম্পোস্ট)

কেচোঁ মানুষের একটি অন্যতম উপকারী প্রাকৃতিক ক্ষুদ্র প্রাণী। এ প্রাণী যে মাটি চাষাবাদের কাজে উপকারে আসে তা আমরা গুরুত্ব দিয়ে চিন্তা করিনি। প্রধানত কেচোঁ উপরের মাটি নিচে এবং নিচের মাটি উপরে তুলে থাকে। এসব কাজের সাথেই কেচোঁর সারও তৈরি হয়। কেচোঁর দ্বারা জৈব সার তৈরির জন্য এ সাথে তরকারির খোসা, গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা

থাই লজ্জাবতী থেকে জৈব সার

থাই লজ্জাবতী থেকে জৈব সার

বেশির ভাগ মানুষের কাছে লজ্জাবতীগাছ কাঁটাওয়ালা আগাছা হিসেবে পরিচিত। কবিরাজ ছাড়া আর কারো কাছে তার কোনো দাম নেই। অথচ এই লজ্জাবতী গাছকেই কাজে লাগিয়ে এখন জৈব সার তৈরি করা হচ্ছে। এই জৈব সার ফসলের জমিতে ব্যবহার করে ভালো ফসলও পাওয়া যাচ্ছে। বিদেশে ভুট্টা ও বাজরার জমিতে এই জৈব সার ব্যবহার করে ভালো ফলন পাওয়া গেছে অনেক

সফল কৃষাণী শিউলি

সফল কৃষাণী শিউলি

মানবকুলকে অকাল মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাবার জন্য বিষমুক্ত সবজি উৎপাদনে নরসিংদী জেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে যাচ্ছেন রায়পুরা উপজেলার আদিয়াবাদ ইউনিয়নের সাবিকুন্নাহার শিউলি। জৈব সার কেঁচো কম্পোষ্ট উদ্ভাবনে ২০১২ সালে তিনি পেয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ কৃষির উপর একক বঙ্গবন্ধু জাতীয় পুরস্কার। জানা যায়, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোখছেদ আলী ও উপজেলা কৃষি অফিসের

কম্পোস্ট তৈরিতে ব্যস্ত নকলার দুই গ্রামের কৃষকরা

মাটির উর্বরতা রক্ষায় চাষাবাদে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈব সারের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা। বাড়ি বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে কম্পোস্ট। শেরপুরের নকলা উপজেলার দুই গ্রাম পাইশকা ও পূর্বলাভা এখন ‘কম্পোস্ট গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এ দুই গ্রামের কৃষকের বাড়িতে বাড়িতে এখন কম্পোস্টের চালা দেখা যায়। কম্পোস্টে তৈরি জৈব সার কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের মধ্যে এক নতুন

    Top