কৃষির প্রযুক্তি

ফলগাছে লেয়ারিং/গুটি কলম/দাবা কলম পদ্ধতি

ফলগাছে লেয়ারিং/গুটি কলম/দাবা কলম পদ্ধতি

ফলগাছে লেয়ারিং/গুটি কলম/দাবা কলম পদ্ধতি সাধারণ তথ্যঃ দাবা কলম হচ্ছে -“মাতৃগাছের সঙ্গে সংযুক্ত অবস্থায় এর শাখায় অস্থানিক শিকড় গজিয়ে মাতৃগাছের হুবহু গুণসম্পন্ন চারা উৎপাদনের কৌশল”। অর্থাৎ ইপ্সিত ফলগাছের কোন শাখায় ক্ষত সৃস্টি করে সেখান থেকে আস্থানিক শিকড় গজিয়ে পরবর্তীতে এটিকে মাতৃগাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে একটি পুর্ণাঙ্গ স্বতন্ত্র গাছ হিসাবে তৈরী করা । বাংলাদেশের বিভিন্ন ফলের

পাহাড়ে চাষাবাদ

আধুনিক পদ্ধতিতে পাহাড়ে চাষাবাদ

দেশের এক-দশমাংশ পাহাড়ি অঞ্চল। আর এ পাহাড়ি অঞ্চলে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে ভূমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা একই সঙ্গে কর্মসংস্থান ও ফসলের ফলন বৃদ্ধি করা সম্ভব। পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় পাহাড়ের ঢালে গাছ-গাছালি কেটে ও আগুনে পুড়িয়ে জমিকে চাষ উপযোগী করার মাধ্যমে যে চাষাবাদ করা হয়, তাই হচ্ছে জুম চাষ। জুম চাষকে

পেয়ারা গাছে অসময়ে ফলধারণের কলাকৌশল

পেয়ারা গাছে অসময়ে ফলধারণের কলাকৌশল পেয়ারা অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ ফল। বাংলাদেশের সর্বত্রই কম বেশি এ ফল জন্মে থাকে। প্রাথমিকভাবে পেয়ারার  বাণিজ্যিক চাষাবাদ পিরোজপুর, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসব জেলায় কিছু কিছু এলাকায় চাষ হয়। বর্তমানে পেয়ারার কতগুলো উন্নতজাত ও নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে পেয়ারা চাষে কৃষক উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। এখন সারা দেশেই এ

জেনে নিন লাউয়ের ফলন বৃদ্ধির উপায়

জেনে নিন লাউয়ের ফলন বৃদ্ধির উপায়

লাউয়ের ফলন বৃদ্ধির উপায় আমাদের সবজির মধ্যে লাউ অন্যতম। বর্তমানে বাজারে লাউয়ের দাম বেশ একটু চড়া। লাউয়ের উৎপাদন বাড়াতে পারলে কৃষক লাভবান হবে পাশাপাশি ক্রেতারাও কম দাম লাউ কিনতে পারবে। লাউ গাছে প্রচুর ফুল ধরে, কিন্তু লাউ ধরে খুব কম। কৌশল জানা থাকলে অধিকাংশ ফুল থেকেই লাউ ধরানো সম্ভব। লাউ, মিষ্টি কুমড়া, করলা, কাঁকরোল, পেঁপে

ফল গাছের জোড় কলম পদ্ধতি

ফল গাছের জোড় কলম পদ্ধতি

ফল গাছের জোড় কলম পদ্ধতি সাধারণ ভাবে একটি গাছ থেকে আরেকটি গাছের জন্ম হওয়ার পদ্ধতিকে গাছের বংশ বিস্তার বলে। অন্য কথায়, যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গাছ যৌন কোষ বা তার অংগজ কোষ থেকে নুতন স্বতন্ত্র গাছ সৃষ্টি করে তাকে বংশ বিস্তার বলে। বংশ বিস্তার দুই প্রকার যথাঃ ১। যৌন বংশ বিস্তার ও ২। অযৌন বংশ বিস্তার।

পানি কচু চাষ পদ্ধতি

পানি কচু চাষ পদ্ধতি

পানি কচুর জাত পরিচিতি জাতের নাম ক্লিক করুন জীবনকাল ও বপন সময় বিঘা প্রতি ফলন (মণে) বারি পানি কচু-১ (লতিরাজ) ১৮০-২৭০ চৈত্র-ভাদ্র (লাগানোর ২ মাস পর থেকে ৭ মাস পর্যন্ত লতি হয়ে থাকে) কান্ডঃ ৫৫-৭০, লতিঃ ৯০-১০৫ এ জাতে কান্ড অপেক্ষা লতির প্রাধান্য বেশি। গাছ মাঝারী, পাতা সবুজ, পাতা ও বোঁটার সংযোগস্থলের উপরিভাগ লাল রং বিশিষ্ট যা জাতটির সনাক্তকারী

ডেইরী খামারীরা তৈরি করুন বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট

ডেইরী খামারীরা তৈরি করুন বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট

বায়ো গ্যাস প্রকল্প প্রস্তুত প্রনালী বায়োগ্যাস প্রকল্প যুগ-যুগ ধরে বাংলাদেশের গ্রামঞ্চলে রান্নাবান্নার কাজে কাঠ, খড়-কুটা, নাড়া, শুকনা গোবর এগুলোই জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। বর্তমানে প্রতিবছর দেশে ৩ কোটি ৯০ লাখ মেট্রিক টন এ জাতীয় জ্বালানির প্রয়োজন। জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহারের ফলে গাছপালা উজাড় হয়ে যাচ্ছে, যার ফলে আমরা শুধু বনজ সম্পদই হারাচ্ছি না, আমাদের

কাঁকরোল চাষ পদ্ধতি

কাঁকরোল চাষ পদ্ধতি

কাকরোলের জাত পরিচিতি কাঁকরোলের বেশ কয়েকটি জাত রয়েছে। সেসব জাতের মধ্যে – আসামি, মণিপুরি, মুকুন্দপুরি ও মধুপুরি উল্লেখযোগ্য। আসামিঃ এ জাতের ফলগুলো গোলাকার ও বেঁটে এবং খেতে সুস্বাদু। মণিপুরিঃ এ জাতের ফল কিছুটা লম্বাটে ও অপেক্ষাকৃত চিকন। তবে তুলনামূলক ফলন বেশি হয় এ জাতে। কাঁকরোলের বপন/রোপণ প্রযুক্তি: জমি তৈরীঃ ১) জমি ৪-৫ টি চাষ ও

    Top