কৃষি বিষয়ক সংবাদ

ঘাস চাষেই কোটিপতি গফুর শেখ, ঘাস চাষেই কোটিপতি

ঘাস চাষেই কোটিপতি গফুর শেখ

ঘাস চাষেই কোটিপতি গফুর শেখ

দারিদ্র্যের কাছে পরাজয় না মেনে অক্লান্ত পরিশ্রম করে অনেকের কাছেই আদর্শ হয়ে উঠেছেন নেপিয়ার জাতের ঘাস চাষ করা আবদুল গফুর শেখ। তার বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ি ইউনিয়নের সুলতানপুর বাড়াইপাড়া গ্রামে। নেপিয়ার ঘাস চাষ করে এখন তিনি হয়েছেন প্রায় কোটি টাকার মালিক। গফুরের পরিবার বলছে, বাবার কাছে থেকে আড়াই বিঘা জমি পেয়েছিলেন তিনি। সেই জমিতে

মরিচ চাষে চরবাসীর ভাগ্য বদল

মরিচ চাষে চরবাসীর ভাগ্য বদল

মরিচ আবাদ করে ভাগ্য বদলে গেছে যমুনা চরের অভাবী মানুষগুলোর। ‘মরিচের ব্যাংক’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে যমুনার চর। এই সময় যমুনার বুকে জেগে উঠে বিশাল চর। এসব চরে ধানের পাশাপাশি আবাদ হচ্ছে মরিচ। বর্তমানে যমুনার চরে ধুম পড়ে মরিচ আবাদের। চরের অনেক কৃষকের নিজস্ব কোন জমি নেই। জেগে উঠা চরের ফাঁকা জমি কাজে লাগিয়ে মরিচ চাষ

কেঁচোতে ভাগ্য বদল কৃষকের

কেঁচোতে ভাগ্য বদল কৃষকের

ল্যাপকিন মারাক, বয়স ৪৮। শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের বাবেলাকোনা গ্রামে তৈরি করেছেন কেঁচো দিয়ে জৈব সার তৈরির কারখানা। এতে ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে তার। দিন দিন বাড়ছে সারের চাহিদা। বাড়ছে কারখানার পরিধি। বাড়ছে উৎপাদন। বদলে যাচ্ছে তার সংসারের অবকাঠামো।ক’বছর আগেও কর্মসংস্থানের অভাবে ল্যাপকিন মারাক ছিল সহায় সম্পদহীন। ১৯৯২ সালে বিয়ে করে আসেন বাবেলাকোনায় শ্বশুর

কচু চাষে ভাগ্য বদল কৃষকের

কচু চাষে ভাগ্য বদল কৃষকের

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের আদর্শ কৃষক জিয়াউল ইসলাম ও ফারুক হাওলাদার এ বছর কচু চাষ করে লাভবান হয়েছেন। তারা দুজনই সৌদি আরব প্রবাসী ছিল। একই স্থানে থেকে জিয়াউল ফারুক সৌদি আরবে ক্ষেতে খামারে কৃষি কাজ করত। দেশে ফেরার পর নিজ জমিতে ধান-পাটের পাশিপাশি পটোল, শসা, কচু চাষ করে লাভের মুখ দেখেছেন। এ

মাটি খুঁড়ে ১৫ লাখ টাকার হিরে পেলেন কৃষক!

নয়া দিল্লী, ২৩ জুলাই- আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে চাষবাস করাই খুব কষ্টের হয়ে যাচ্ছিল সুরেশের। দিন দিন খারাপ হচ্ছিল পরিবারের আর্থিক অবস্থাও। সংসার চালানোটোই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল তার কাছে। বাধ্য হয়ে ছোট্ট কৃষিজমির দায়িত্ব ছেলেকে দিয়ে হিরের খনির এক টুকরো জায়গা লিজ নিয়ে ভাগ্যপরীক্ষা শুরু করেন সুরেশ। অতঃপর দিনের বেলা অন্যের জমিতে কৃষি শ্রমিক হিসেবে কাজ

ভোলার চরফ্যাসনে স্কুলছাদে দৃষ্টিনন্দন বাগান

ভোলার চরফ্যাসনে স্কুলছাদে দৃষ্টিনন্দন বাগান

চরফ্যাসনে স্কুলছাদে দৃষ্টিনন্দন বাগান বিদ্যালয়ের ছাদে সারি সারি ড্রাম আর মাটির টবে বেড়ে উঠা গাছের ডালে ঝাঁকে ঝাঁকে ঝুলে থাকা নানান প্রজাতির ফল, ফুল আর সবজি দর্শনার্থীদের মনোরঞ্জন করছে। বিদ্যালয়ের ছাদজুড়ে ফুল আর ফলের শোভিত বাগান দেখতে ভীর করছে উৎসাহী মানুষ। বিশেষ করে নিজেদের হাতে গড়া বিদ্যালয়ের বাগানে কমলা মালটা আঙ্গুরের মতো ফল দেখে শিশুরাও

লোকসানে ধুঁকছে জয়পুরহাটের পোল্ট্রি শিল্প

লোকসানে ধুঁকছে জয়পুরহাটের পোল্ট্রি শিল্প

লোকসানে ধুঁকছে জয়পুরহাটের পোল্ট্রি শিল্প কখনও আশাতীত লাভ আবার কখনও পুঁজি হারানোর দশা। এভাবেই চলছে জয়পুরহাটের প্রায় ১০ হাজার মুরগির খামার। এ অস্থিতিশীলতার কারণে এ শিল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থানে থাকা অর্ধলক্ষাধিক মানুষের জীবিকায় রয়েছে অনিশ্চয়তা। এ শিল্পকে নানা সমস্যার কথা উল্লেখ করে এ থেকে উত্তরণের পথ খুঁজছেন এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। জামালগঞ্জ সরকারি হাঁস-মুরগি খামারকে

ছোট দেশি মুরগির দাম প্রতি পিসে বেড়েছে ৫০ টাকা

ছোট দেশি মুরগির দাম প্রতি পিসে বেড়েছে ৫০ টাকা

ছোট দেশি মুরগির দাম প্রতি পিসে বেড়েছে ৫০ টাকা রাজধানীর নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারগুলোতে গরু ও খাসির মাংসের দাম এখনও সাধারণ ক্রেতার সামর্থ্যের বাইরে। রোজার আগে সিটি কর্পোরেশন থেকে দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও তা মানেননি রাজধানীর মাংস ব্যবসায়ীরা। এর মধ্যে কয়েক দফায় দাম বাড়ানোও হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যপণ্যের দামও প্রায় প্রতি সপ্তাহেই বাড়ছে। গত এক সপ্তাহে

রংপুরে ১০ বছরে পোলট্রি শিল্প ১০ গুণ

রংপুরে ১০ বছরে পোলট্রি শিল্প ১০ গুণ

রংপুরে ১০ বছরে পোলট্রি শিল্প ১০ গুণ রংপুর বিভাগে পোলট্রি শিল্পের গত ১০ বছরে প্রসার হয়েছে ১০ গুণের বেশি। এ অঞ্চলের বর্তমান বাজারে যে পরিমাণ ডিম, মুরগি, বাচ্চা ও ফিডের প্রয়োজন তার প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ জোগান হচ্ছে এখান থেকে। এ শিল্পে বিভাগে প্রায় এক লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। সেই সঙ্গে ৪০০ কোটি টাকার

দেশি মুরগি বনাম ফার্মের মুরগি

দেশি মুরগি বনাম ফার্মের মুরগি ১. আকারে ছোট। যত্রতত্র ঘুরে বেড়ায়। তবে সন্ধ্যা হলেই দলবল নিয়ে নিজ আস্তানায় ফিরে আসে। ২. প্রায় সর্বভূক। এদের চাল দিলে চাল খাবে, গম দিলে গম। ভাতেও ‘না’ নেই, নুডলসেও নেই। ৩. অল্পস্বল্প উড়তে পারে। ফলে পাখির সঙ্গে ইগো ক্ল্যাশ করে। নিজেকে কখনো কখনো পাখি মনে করলেও বেশি ওড়ার সাধ্য

আকাশপথে গরু এসে পৌঁছুল কাতারে

আকাশপথে গরু এসে পৌঁছুল কাতারে

আকাশপথে গরু এসে পৌঁছুল কাতারে জ্বালানিসমৃদ্ধ দেশ কাতার মূলত এর ২৭ লাখ জনগণের খাদ্যচাহিদা মেটাতে আমদানির উপরেই নির্ভরশীল। গত মাসে সৌদি জোটের আরোপ করা অবরোধের ফলে প্রতিবেশি দেশগুলো থেকে খাদ্য আমদানী বন্ধ আছে কাতারে। তাই দেশে গরুর দুধের সরবরাহ বাড়াতে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র থে