গরু মোটাতাজাকরণ নিয়ে ব্যস্ত খামারিরা

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দিনাজপুরের খামারগুলোতে গরু মোটাতাজাকরণ নিয়ে ব্যস্ত খামারিরা। ভারতীয় গরু আসা বন্ধ থাকায় জেলায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় অসংখ্য পশুর খামার। লাভের আশায় ভেটেরেনারি চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী স্বাস্থ্য সম্মত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ করছেন খামারিরা।

গত বছর থেকে সীমান্ত দিয়ে দিনাজপুরের ভারতীয় গরু আসা বন্ধ হওয়ায় দেশি গরুর চাহিদা বেড়ে গেছে। ফলে দিনাজপুরে গড়ে উঠেছে ছোট বড় অনেক পশুর খামার। জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর কোরবানিতে ১ লাখ ১৬ হাজার গরু মোটাতাজাকরণ হয়। জেলার চাহিদা মিটিয়ে ৩০ শতাংশ গরু বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়। এবারও লাভের আশায় খামারিরা প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী স্বাস্থ্য সম্মত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মোটাতাজাকরণ করছেন। তবে গোখাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় খামারিরা কিছুটা বিপাকে পড়েছেন।

খমারি জানায়, ‘জেলা প্রাণিসম্পদ থেকে সব সময় পরামর্শ নেয়া হচ্ছে। ভারতীয় গরু আসা বন্ধ হলে দেশি গরুর চাহিদা বাড়বে। আর আমরা লাভবান হতে পারবো।’

এদিকে গরু পরিচর্যা ও মোটাতাজাকরণ কাজে জড়িত রয়েছেন শত শত শ্রমিক। মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর নয়, স্বাস্থ্য সম্মত ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মোটাতাজাকরণ এর পরামর্শ দিচ্ছেন ভেটেরনারী চিকিৎসকরা।

ভেটেরনারী সার্জন ড. গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘গরুর গরু পরিচর্যা ও মোটাতাজাকরণ এর জন্য সব ধরনের পরামর্শ ও চিকিৎসার জন্য শ্রমিক রয়েছে। তারা তাদের ঠিকমতো পরিচর্যা করছে।’

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা-দিনাজপুর ডাঃ আবু কালাম আজাদ বলছেন, জেলার চাহিদা মিটিয়ে অন্য জেলায় গরু সরবরাহ করতে পারবে খামারিরা।

দিনাজপুর অঞ্চলে এবার ৮ হাজার ৯৮৮ জন খামারি গরু মোটাতাজরকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত।

সূত্র- সময় নিউজ