প্রানীসম্পদ

ছাগল ও ভেড়ার পিপিয়ার 

ছাগল ও ভেড়ার পিপিয়ার 

​পি পি আর  ইহা ভাইরাসজনিক একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। সকল বয়সের ছাগল-ভেড়া এ রোগে আক্রান্ত হয় এবং আমাদের দেশে ছাগলের এ রোগ যথেষ্ট হয়ে থাকে।  লক্ষণঃ  আক্রান্ত ছাগলের অবসাদ, ক্ষুদামন্দা হয়। শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। মুখে ক্ষত হয় এবং নাক দিয়ে প্রচুর শ্লেম্মা বের হয়। শ্বাস-প্রশ্বাস কষ্টকর ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়। তীব্র ডায়েরিয়া দেখা দেয় এবং

গবাদিপশুর জলাতঙ্ক লক্ষণ ও করণীয়

জলাতংক  মানুষসহ সকল গবাদিপশুর ভাইরাসজনিত একটি মারত্মক রোগ। আক্রান্ত পশুর লালাতে এ রোগজীবাণু থাকে এবং আক্রান্ত পশুর কামড়ে সুস্থ পশু বা মানুষ এ রোগ জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়। লক্ষণ দেখা দিলে বুঝতে হবে মৃত্যুই এ রোগের নিশ্চিত পরিনতি। শিয়াল ও বাঁদুর এ রোগজীবাণুর বাহক এবং প্রধানতঃ কুকুর আক্রান্ত প্রাণী।  লক্ষণঃ  পশু কান সজাগ ও চোখ

ক্ষুরা রোগ লক্ষন ও করণীয় 

​ক্ষুরা রোগ  ইহা সকল বয়সের গরু-মহিষ ও ছাগল-ভেড়ার ভাইরাসজনিক একটি মারাত্মক অতি ছোঁয়াছে রোগ।  লক্ষণঃ  শরীরের তাপমাত্রা অতি বৃদ্ধি পায়। জিহ্বা, দাঁতের মাড়ি, সম্পূর্ণ মুখ গহ্বর, পায়ের ক্ষুরের মধ্যভাগে ঘা বা ক্ষত সুষ্টি হয়। ক্ষত সৃষ্টির ফলে মুখ থেকে লালা ঝরে, সাদা ফেনা বের হয়। কখনও বা ওলানে ফোসকার সৃষ্টি হয়। পশু খোঁড়াতে থাকে এবং

হরমোনের ব্যবহার ছাড়া গরু মোটাতাজাকরণ

হরমোনের ব্যবহার ছাড়া গরু মোটাতাজাকরণ

গ্রোথ হরমোনের ব্যবহার ছাড়া গরু মোটাতাজাকরণ কোনোভাবেই ইনজেকশন বা কোনো গ্রোথ হরমোন ব্যবহার করে গবাদিপশু মোটাতাজাকরণের উদ্যোগ নেওয়া যাবে না। এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার ছাড়াও স্বাভাবিক ও জৈব পদ্ধতিতেই গরু মোটাতাজাকরণ সম্ভব। এজন্য দরকার শুধু কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলা। কোনো গ্রোথ হরমোন ব্যবহার ছাড়াই যেভাবে গবাদিপশুর বেশি মাংস নিশ্চিত করা যায়, সে সম্পর্কে কিছু পদ্ধতি স্বল্প পরিসরে

পোল্ট্রি খামার পরিকল্পনা

বাণিজ্যিক পোল্ট্রি খামার পরিকল্পনা

আমাদের দেশে প্রাণীজ আমিষের অভাব খুবই প্রকট। আমিষের এ অভাব মেটাতে মুরগি পালনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান বিশেষ জরুরী। খুব অল্প সময়ে অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে সাম্প্রতিক সময়ে মুরগি পালন একটি লাভজনক ও সম্ভাবনাময় কৃষি শিল্প হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সঠিক পরিকল্পনায় মুরগি খামার স্থাপনের মাধ্যমে মুরগি পালনকে লাভজনক করে

স্বল্প পুঁজিতে লাভজনক মুরগির খামার

স্বল্প পুঁজিতে গড়ে উঠতে পারে লাভজনক মুরগির খামার কম সময়, কম পরিশ্রম আর স্বল্প পুঁজিতে মুরগির খামার করা যায়। ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়েই শুরু করা যায় এ ব্যবসা। মাত্র দেড় থেকে তিন মাসের মধ্যে উঠে আসে আয়। মুরগির মাংস ও ডিমের পাশাপাশি মুরগির বিষ্ঠা জৈব সার হিসেবে বিক্রি করা যায়। আর পরিবারের লোকজনের

ডেইরী খামারীরা তৈরি করুন বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট

ডেইরী খামারীরা তৈরি করুন বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট

বায়ো গ্যাস প্রকল্প প্রস্তুত প্রনালী বায়োগ্যাস প্রকল্প যুগ-যুগ ধরে বাংলাদেশের গ্রামঞ্চলে রান্নাবান্নার কাজে কাঠ, খড়-কুটা, নাড়া, শুকনা গোবর এগুলোই জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। বর্তমানে প্রতিবছর দেশে ৩ কোটি ৯০ লাখ মেট্রিক টন এ জাতীয় জ্বালানির প্রয়োজন। জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহারের ফলে গাছপালা উজাড় হয়ে যাচ্ছে, যার ফলে আমরা শুধু বনজ সম্পদই হারাচ্ছি না, আমাদের

চাষ করুন নেপিয়ার ঘাস

চাষ করুন নেপিয়ার ঘাস

চাষ করুন নেপিয়ার ঘাস বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। দেশের প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ কোনো না কোনোভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল। সেক্ষেত্রে হাল চাষের প্রয়োজনে অনেকেই গবাদিপশু পালন করে থাকে। আবার হালের বলদের সাথে অনেকেই ২/১টি গাভীও পালন করে থাকে। এসব গাভীর অধিকাংশই দেশী এবং তাদের দুধ উৎপাদন মোটেই উল্লেখ্যযোগ্য নয়। তবু যতটুকু দুধ পাওয়া যায় তাঁরা

    Top