পোকামাকড় ও রোগবালাই

গবাদিপশুর গলাফুলা রোগ ও প্রতিকার

গবাদিপশুর গলাফুলা রোগ ও প্রতিকার গলাফুলা একটি তীব্র প্রকৃতির রোগ যা গরু এবং মহিষকে আক্রান্ত করে। এটি একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ যা Pasteurella multocida দ্বারা সংঘটিত হয়। এ রোগে মৃত্যুর হার খুবই বেশি। বর্ষাকালে গলাফুলা রোগ বেশি দেখা যায়। আমাদের দেশে বর্ষার শুরুতে এবং বর্ষার শেষে এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। পশুর শরীরে স্বাভাবিক অবস্থায় এ রোগের জীবাণু

কবুতর পালনের আধুনিক কলাকৌশল

কবুতর পালনের আধুনিক কলাকৌশল গৃহপালিত বা পোষা পাখিদের মধ্যে কবুতর অন্যতম। সুপ্রাচীনকাল থেকে সুস্বাদু মাংস, সংবাদ প্রেরণ ও শখের জন্য কবুতর পালন করা হচ্ছে। ইদানিং অনেক লোক কবুতর পালনকে ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গিতে গ্রহণ করেছেন। কবুতর পালনের গুরুত্ব ঃ কবুতর অত্যন্ত নিরীহ ও শান্ত প্রাণী এবং সহজে পোষ মানে। আমাদের দেশের জলবায়ু ও বিস্তীর্ণ শস্যক্ষেত কবুতর পালনের উপযোগী। কবুতর পালনের

ইউরিয়ার বিকল্প জীবাণু সার : সাশ্রয় হবে ১৩০০ কোটি টাকা

ইউরিয়ার বিকল্প জীবাণু সার : সাশ্রয় হবে ১৩০০ কোটি টাকা কৃষিপণ্যের উধর্বমূল্যের বাজারে আশার আলো দেখাবে জীবাণু সার। ডাল জাতীয় শস্যের জমিতে এ সার ব্যবহার করলে ইউরিয়ার দরকার হবে না। পাশাপাশি ধানের জমিতে জীবাণু সার ব্যবহার করলে ইউরিয়ার সাশ্রয় হবে শতকরা ২৫ ভাগ। প্রায় ৫০ কেজি ইউরিয়া সারের কাজ করে দেয় মাত্র এক কেজি জীবাণু

মুরগির জটিল রোগ নির্ণয়ে দেশি পদ্ধতি

মুরগির জটিল রোগ নির্ণয়ে দেশি পদ্ধতি   মুরগি পালন লাভজনক হলেও বিভিন্ন প্রকার রোগ এ লাভের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। প্রতিবছর বিভিন্ন রোগের কারণে ক্ষতি হয় কোটি কোটি টাকা। তাছাড়াও রোগ নিরাময়, রোগ নির্ণয় করতে বিদেশ থেকে বিভিন্ন ঔষধ আনতে হয়। মুরগির রোগ সঠিকভাবে নির্ণয় করতে পারলে তা নিরাময় করা সহজ হয়। কিন্তু এ রোগ নির্ণয়ের

দেশি মাছ

দেশি মাছ       বাংলাদেশের মাছের তালিকা তেলোটাকি, বাংলাদেশের একটি সংরক্ষিত মাছ বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে চার শত প্রজাতির অধিক মাছ পাওয়া যায়। মাছের দিক দিয়ে বাংলাদেশ খুব সমৃদ্ধ। মাছ উৎপাদনেও বাংলাদেশ সামনের কাতারে অবস্থান করছে। মাছে ভাতে বাঙ্গালী তাই নদী মাতৃক বাংলাদেশের চিরাচরিত প্রবাদ। প্রায় চার শতের অধিক নদী, অসংখ্য খাল, বিল, হাওর, বাওর, ডোবা, নালার বাংলাদেশে পাওয়া

পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পোকার চাষ!

পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পোকার চাষ! নিত্য নতুন খাবার আবিষ্কার হচ্ছে, কিন্তু সেসব খাবারে প্রকৃত পুষ্টি পাচ্ছে না মানুষ। তাই বিজ্ঞানীরা বলছেন, খুব শিগগিরই ইউরোপে পোকা চাষের ফার্ম চালু হবে। পোকা ছাড়া কোনোভাবেই পুষ্টির চাহিদা পূরণ হওয়া সম্ভব নয়। কারণ, শুককীট বা ল্যাদা পোকায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে, যা মানুষের পুষ্টির চাহিদা মেটাবে। জাতিসংঘের খাদ্য ও

নিরাপদ সবজি উৎপাদন ছাদ কৃষির উৎস

নিরাপদ সবজির উৎস হোক ছাদ কৃষি

নিরাপদ সবজি উৎপাদন ছাদ কৃষির উৎস ঢাকাশহর শুধু না বাংলাদেশের প্রায় শহরেই এখন ছাদ কৃষি বহুল আলোচিত। বাংলাদেশের বহুল টিভি চ্যানেল ও এখন হৃদয়ে মাটি ও মানুষের ডাকের পাশাপাশি ছাদ কৃষি নিয়েই আলাদাভাবে টিভি প্রতিবেদন করছে যার ফলশ্রুতিতে দেশের প্রায় অঞ্চলেই বৃদ্ধি পাচ্ছে ছাদে বাগান। অল্প পরিসর জায়গাতেই অনেকেই গড়ে তুলেছে সুন্দর সুন্দর বাগান। কেউ

​পাটের কালো পট্টি রোগে করণীয় 

পাটের কালো পট্টি রোগ কালো পট্রি রোগের লক্ষণ প্রায় কান্ড পচা রোগের মতই। তবে এতে কান্ডে কাল রং এর বেষ্টনীর মত দাগ পড়ে। আক্রান্ত স্থানে ঘষলে হাতে কালো গুড়ার মত দাগ লাগে। সাধারণতঃ গাছের মাঝামাঝি বয়স থেকে রোগ বেশী দেখা দেয়। এ রোগে গাছ ভেঙ্গে পড়ে না তবে গোটা গাছটি শুকিয়ে মরে যায়, ফলে আঁশ

​পাটের বিছা পোকা দমন

​পাটের বিছা পোকা দমন পাতার উল্টো পিঠের সবুজ অংশ খেয়ে পাতাকে সাদা পাতলা পর্দার মত করে ফেলে।এরা সারা মাঠে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো পাতা খেয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।  প্রতিকার: ১. প্রাথমিক পাটের পাতায় ডিমের গাদা বা পোকা দেখলে তা তুলে ধ্বংস করা। ২. ডিম অথবা আক্রমণের প্রথম অবস্থায় কীড়াগুলো যখন পাতায় দলবদ্ধ অবস্থায়

ছাগল ও ভেড়ার পিপিয়ার 

​পি পি আর  ইহা ভাইরাসজনিক একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। সকল বয়সের ছাগল-ভেড়া এ রোগে আক্রান্ত হয় এবং আমাদের দেশে ছাগলের এ রোগ যথেষ্ট হয়ে থাকে।  লক্ষণঃ  আক্রান্ত ছাগলের অবসাদ, ক্ষুদামন্দা হয়। শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। মুখে ক্ষত হয় এবং নাক দিয়ে প্রচুর শ্লেম্মা বের হয়। শ্বাস-প্রশ্বাস কষ্টকর ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়। তীব্র ডায়েরিয়া দেখা দেয় এবং

গবাদিপশুর জলাতঙ্ক লক্ষণ ও করণীয়

জলাতংক  মানুষসহ সকল গবাদিপশুর ভাইরাসজনিত একটি মারত্মক রোগ। আক্রান্ত পশুর লালাতে এ রোগজীবাণু থাকে এবং আক্রান্ত পশুর কামড়ে সুস্থ পশু বা মানুষ এ রোগ জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়। লক্ষণ দেখা দিলে বুঝতে হবে মৃত্যুই এ রোগের নিশ্চিত পরিনতি। শিয়াল ও বাঁদুর এ রোগজীবাণুর বাহক এবং প্রধানতঃ কুকুর আক্রান্ত প্রাণী।  লক্ষণঃ  পশু কান সজাগ ও চোখ

ক্ষুরা রোগ লক্ষন ও করণীয় 

​ক্ষুরা রোগ  ইহা সকল বয়সের গরু-মহিষ ও ছাগল-ভেড়ার ভাইরাসজনিক একটি মারাত্মক অতি ছোঁয়াছে রোগ।  লক্ষণঃ  শরীরের তাপমাত্রা অতি বৃদ্ধি পায়। জিহ্বা, দাঁতের মাড়ি, সম্পূর্ণ মুখ গহ্বর, পায়ের ক্ষুরের মধ্যভাগে ঘা বা ক্ষত সুষ্টি হয়। ক্ষত সৃষ্টির ফলে মুখ থেকে লালা ঝরে, সাদা ফেনা বের হয়। কখনও বা ওলানে ফোসকার সৃষ্টি হয়। পশু খোঁড়াতে থাকে এবং

পেয়ারার ফলছিদ্রকারি পোকা দমন

পেয়ারার ফলছিদ্রকারি পোকা দমন

পেয়ারার ফলছিদ্রকারি পোকা এ পোকা ফল ছিদ্র করে ফলের ভিতরে ঢুকে ফলের মাংসল অংশ খেতে থাকে এবং ফল ভেতরে পঁচে যায় । এর প্রতিকার হল: ১. ফল ব্যাগিং করা বা পলিথিন দিয়ে প্যাচানো ২. নষ্ট ফল বাগান থেকে অপসারণ করা। ৩. টাফগার ২ মি.লি. / লি. হারে পানিতে মিশিয়ে শেষ বিকেলে স্প্রে করা। পরবর্তীতে যা

ডালিমের এনথ্রাকনোজ রোগ সমাধান

ডালিমের এনথ্রাকনোজ রোগ সমাধান

ডালিমের এনথ্রাকনোজ রোগ ডালিমের এনথ্রাকনোজ হলে কচি পাতায় অনিয়মিত দাগ দেখা যায় । কচি ফল কাল হয়ে শুকিয়ে ফেটে যায় এবং কখনও কখনও ঝড়ে যায় । প্রতিকার: ১. সময়মত প্রুনিং করে গাছ ও বাগান পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ২. গাছের নিচে ঝড়ে পড়া পাতা, ফল অপসারণ করা। ৩. কার্বেন্ডাজিম বা ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক ২ গ্রাম /

আদার কন্দ ছিদ্রকারি পোকা, আদার কন্দ, ছিদ্রকারি পোকা

আদার কন্দ ছিদ্রকারি পোকা

আদার কন্দ ছিদ্রকারি পোকা পোকার ডিম থেকে বের হওয়ার পর সদ্যজাত লার্ভা রাইজোম ছিদ্র করে ভেতরে ঢুকে এবং রাইজোমের অভ্যন্তরীণ অংশ খায়। আক্রান্ত গাছ হলুদ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে রাইজোমে পচন ধরে। আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে গাছ থেকে কোনো ফলন পাওয়া যায় না। এ পোকা আদার রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ পোকা ডিম পাড়া এবং বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হওয়ার

মরিচের ফলছিদ্রকারি পোকা দমন

মরিচের ফলছিদ্রকারি পোকা দমন

মরিচের ফলছিদ্রকারি পোকা লক্ষণ : পোকার কীড়া কচি ফল ও ডগা ছিদ্র করে ও ভিতরে কুরে কুরে খায় । এরা ফুলের কুঁড়িও খায় প্রতিকার: •ক্ষেত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা । • আক্রান্ত ডগা ও ফল সংগ্রহ করে নষ্ট করা • চারা রোপনের ১৫ দিন পর থেকে ক্ষেত ঘন ঘন পর্যাবেক্ষন করা । • জৈব বালাইনাশক ব্যবহার

Top