বগুড়ার চরাঞ্চলে মরিচের ফলন ভালো পাওয়ায় চাষীদের মুখে হাসির ঝিলিক

বগুড়ার চরাঞ্চলে মরিচের ফলন ভালো পাওয়ায় চাষীদের মুখে হাসির ঝিলিক

বগুড়ার সারিয়াকান্দির যমুনার চর অঞ্চলে এবার মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। কাঁচা মরিচের দাম কম থাকলেও শুকনা মরিচের ব্যাপক চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় চাষীদের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা দিয়েছে। চরাঞ্চলের চাষীরা অধিকহারে মরিচ চাষ করার পর প্রতিবছর দাম ভালো পেয়ে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বি হয়ে উঠছেন। উপজেলা কৃষি অফিস ও স্থানীয় মরিচ চাষীরা জানিয়েছেন, উপজেলার ১২ ইউনিয়নের সব জায়গায় মরিচ চাষ হয়ে থাকে। তবে সবচেয়ে বেশি চাষ হয়ে থাকে বাঙ্গালী ও যমুনা নদীর চরাঞ্চলে। উর্বর চরাভূমিতে তিল, তিশি, জাউন-কাউন, সরিষা, গম, ভুট্টা সহ বিভিন্ন জাতের কালাই থেকে শুরু করে এমন কোন ফসল নেই যে তার চাষ হচ্ছে না। তবে এরমধ্য সম্প্রতি বছর গুলোতে উল্লেখ যোগ্য হারে চাষ করছেন মরিচ ফসল।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানিতে সৃষ্ট বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাওয়ার পরপরই ভাদ্র মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু করে আশ্বিনের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত মরিচের বীজ বপন করা হয়। যে বছর বন্যায় সমস্ত জমি পানিতে তলিয়ে থাকে সে বছরই সব চেয়ে বেশি মরিচের ফলন পাওয়া যায়। এবছর তেমনটি হওয়ায় চাষীরা ওই সময় অধিক জমিতে মরিচের চাষ করেন। সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে মরিচের লক্ষমাত্রা নির্ধার করা হলেও চাষ করা হয়েছে এবার ৪ হাজার ২শ হেক্টর জমিতে। ফসলও হয়েছে খুব ভালো। প্রতিটি গাছে প্রায় ৫০/৫৫টি করে মরিচ ধরা পড়েছে। মাস দুুয়েক পূর্ব থেকে কাঁচা মরিচ উত্তোলন শুরু করা হলেও মাঝ পথে এসে কাঁচা মরিচের দাম অনেক হ্রাস পেয়েছে। তবে লাল টুকটুকে পাকা মরিচ জমি থেকে তোলার পর ১৬/১৭ দিন রোদ্রে শুকানোর পর তা বাজার জাত করা হচ্ছে। আর এই শুকনা মরিচের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। স্থানীয় হাট-বাজারে খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, প্রতিমন শুকনা মরিচ প্রায় ৪৮শ টাকা থেকে শুরু করে ৫হাজার টাকা মন দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি বিঘা জমি থেকে শুকনা মরিচ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ১০/১১ মন করে। খরচ হচ্ছে প্রতি বিঘায় সর্বসাকুল্যে ৮/৯ হাজার টাকা। ওই দরে বিক্রি করে খরচ বাদে প্রতি বিঘায় প্রায় ৪০ হাজার টাকা ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে। মরিচ চাষের সাথে যুক্ত রয়েছেন প্রায় ১৭ হাজার চাষী। তারা ওই পরিমান জমি থেকে ৪০ ভাগ কাঁচা মরিচ উত্তোলন করবেন। অর্থাৎ চাষীরা ১৭ হাজার মেঃটন কাঁচা মরিচ বাজারে বিক্রি করে ঘরে তুলবেন প্রায় ২৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। আর ৬০ ভাগ পাকা মরিচ উত্তোলনের পর তা শুকিয়ে শুকনা মরিচ পাওয়া যাবে প্রায় ৪ হাজার ৩শ মেঃটন। উল্লেখিত দরে বিক্রি করলে টাকার অংক দাড়াবে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা।

অর্থাৎ চলতি মৌসুমে একমাত্র এ উপজেলার চাষীরাই ঘরে তুলেবেন প্রায় ৮০ কোটি টাকা। এব্যাপারে হাটশেরপুর ইউনিয়নের মরিচ চাষী ফজলুল করিম শেখ জানান, তিনি এবার ৮ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। দামও পাচ্ছেন বেশ ভালো। বাড়ি থেকেই ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন পাইকরেরা। ওই দামে বিক্রি করে তিনি অনেক লাভবান হবেন। এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ শাহাদুতজামান বলেন, এ এলাকার চাষীরা অনেক পরিশ্রমি। এজন্য মসলা জাতীয় এ ফসলটি চাষ করে অধিক লাভবান হচ্ছেন। অধিক ফলনের জন্য আমরাও তাদের বিভিন্ন ভাবে পরামর্শ দিয়ে আসছি ।ফলন হয়েছে। কাঁচা মরিচের দাম কম থাকলেও শুকনা মরিচের ব্যাপক চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় চাষীদের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা দিয়েছে। চরাঞ্চলের চাষীরা অধিকহারে মরিচ চাষ করার পর প্রতিবছর দাম ভালো পেয়ে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বি হয়ে উঠছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস ও স্থানীয় মরিচ চাষীরা জানিয়েছেন, উপজেলার ১২ ইউনিয়নের সব জায়গায় মরিচ চাষ হয়ে থাকে। তবে সবচেয়ে বেশি চাষ হয়ে থাকে বাঙ্গালী ও যমুনা নদীর চরাঞ্চলে। উর্বর চরাভূমিতে তিল,তিশি, জাউন-কাউন, সরিষা, গম,ভুট্টা সহ বিভিন্ন জাতের কালাই থেকে শুরু করে এমন কোন ফসল নেই যে তার চাষ হচ্ছে না। তবে এরমধ্য সম্প্রতি বছর গুলোতে উল্লেখ যোগ্য হারে চাষ করছেন মরিচ ফসল।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানিতে সৃষ্ট বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাওয়ার পরপরই ভাদ্র মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু করে আশ্বিনের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত মরিচের বীজ বপন করা হয়। যে বছর বন্যায় সমস্ত জমি পানিতে তলিয়ে থাকে সে বছরই সব চেয়ে বেশি মরিচের ফলন পাওয়া যায়। এবছর তেমনটি হওয়ায় চাষীরা ওই সময় অধিক জমিতে মরিচের চাষ করেন। সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে মরিচের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ করা হয়েছে এবার ৪ হাজার ২শ হেক্টর জমিতে। ফসলও হয়েছে খুব ভালো। প্রতিটি গাছে প্রায় ৫০/৫৫টি করে মরিচ ধরা পড়েছে। মাস দুুয়েক পূর্ব থেকে কাঁচা মরিচ উত্তোলন শুরু করা হলেও মাঝ পথে এসে কাঁচা মরিচের দাম অনেক হ্রাস পেয়েছে। তবে লাল টুকটুকে পাকা মরিচ জমি থেকে তোলার পর ১৬/১৭ দিন রোদ্রে শুকানোর পর তা বাজার জাত করা হচ্ছে। আর এই শুকনা মরিচের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। স্থানীয় হাট-বাজারে খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, প্রতিমন শুকনা মরিচ প্রায় ৪৮শ টাকা থেকে শুরু করে ৫হাজার টাকা মন দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি বিঘা জমি থেকে শুকনা মরিচ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ১০/১১ মন করে। খরচ হচ্ছে প্রতি বিঘায় সর্বসাকুল্যে ৮/৯ হাজার টাকা। ওই দরে বিক্রি করে খরচ বাদে প্রতি বিঘায় প্রায় ৪০ হাজার টাকা ঘরে তোলা সম্ভব হচ্ছে। মরিচ চাষের সাথে যুক্ত রয়েছেন প্রায় ১৭ হাজার চাষী।

তারা ওই পরিমান জমি থেকে ৪০ ভাগ কাঁচা মরিচ উত্তোলন করবেন। অর্থাৎ চাষীরা ১৭ হাজার মেঃটন কাঁচা মরিচ বাজারে বিক্রি করে ঘরে তুলবেন প্রায় ২৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। আর ৬০ ভাগ পাকা মরিচ উত্তোলনের পর তা শুকিয়ে শুকনা মরিচ পাওয়া যাবে প্রায় ৪ হাজার ৩শ মেঃটন। উল্লেখিত দরে বিক্রি করলে টাকার অংক দাড়াবে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি মৌসুমে একমাত্র এ উপজেলার চাষীরাই ঘরে তুলেবেন প্রায় ৮০ কোটি টাকা। এব্যাপারে হাটশেরপুর ইউনিয়নের মরিচ চাষী ফজলুল করিম শেখ জানান, তিনি এবার ৮ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। দামও পাচ্ছেন বেশ ভালো। বাড়ি থেকেই ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন পাইকরেরা। ওই দামে বিক্রি করে তিনি অনেক লাভবান হবেন। এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ শাহাদুতজামান বলেন, এ এলাকার চাষীরা অনেক পরিশ্রমি। এজন্য মসলা জাতীয় এ ফসলটি চাষ করে অধিক লাভবান হচ্ছেন। অধিক ফলনের জন্য আমরাও তাদের বিভিন্ন ভাবে পরামর্শ দিয়ে আসছি ।

Top
%d bloggers like this: