গরু মোটাতাজা করে ভাগ্য বদল

      No Comments on গরু মোটাতাজা করে ভাগ্য বদল

বগুড়ায় ঈদুল আযহা সামনে রেখে গরু ব্যবসায়ী ও খামারিরা গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তাদের একটাই লক্ষ্য, অল্প সময়ে গরু মোটাতাজা করে বেশি আয় করা।

জানা গেছে, ঈদুল আযহার সামনে বগুড়ার বিভিন্ন স্থানে পশু কেনাবেচার জন্য হাট বসানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সে সব হাটে সবচেয়ে বড় বড় পশু বিক্রি করবেন খামারিরা। সে জন্য তারা গরু-ছাগল ও ভেড়া মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
বেশি মুনাফা লাভের আশায় গরিব বেকার শিক্ষিত যুবক-যুবতীরা অল্পমূল্যে এঁড়ে বাছুর কিনে ২ থেকে ৩ বছর লালনপালন করে করে। এরপর গরু মোটাতাজাকরণ ও শরীরে গোশত বাড়ানোর জন্য খামারি ও ব্যবসায়ীরা অধিক পুষ্টিকর খাবার ভূষি, সবুজ ঘাস, খড়, খৈলসহ নিয়মিত ঔষধ ও চিকিৎসা করছে।

শিবগঞ্জের মোকামতলা চকপাড়া গ্রামের আকবর আলী মন্ডলের ছেলে শাহজাহান আলী মন্ডল ভোলা জানান, গত ১০ বছর আগে বেকার জীবনে স্ত্রী মাহফুজা বেগমের সহযোগিতা ও উৎসাহে শুরু করেন ডেইরি ফার্ম। তার খামারে রয়েছে উন্নতজাতের বিদেশী এঁড়ে (ষাঁড়) গরু বিদেশি ৩টি, ৫টি গাভী ও ২৮টি ছাগল। এতে ভোলা’র সংসারে ফিরে এসেছে সুদিন । তার একটি গরুর দাম ৪ লাখ টাকা চাওয়া হলে দাম বলা হয়েছে ২ লাখ ৫০হাজার টাকা। আর গরুটি দেখতে অনেকে তার বাড়িতে ভিড় জামাচ্ছেন। গরুটি ৩ বছর লালনপালন করতে ব্যয় হয়েছে প্রায় দেড় লাখ টাকা। তবুও ভালো দাম পেলে এক থেকে দেড় লাখ টাকা লাভ হবে।

খামারি মোঃ মাসুদ রানা জানান, গরু মোটাতাজাকরণে প্রতি মাসে খাদ্যের পাশাপাশি খামারকে রোগবালাই থেকে মুক্ত রাখতে নিয়মিত চিকিৎসা করতে হয়। এছাড়া গরুর ওজন বাড়ানোর জন্য নিয়মিত উন্নতমানের খাবার দিতে হয়।