কম্পোস্ট তৈরিতে ব্যস্ত নকলার দুই গ্রামের কৃষকরা

মাটির উর্বরতা রক্ষায় চাষাবাদে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈব সারের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা। বাড়ি বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে কম্পোস্ট। শেরপুরের নকলা উপজেলার দুই গ্রাম পাইশকা ও পূর্বলাভা এখন ‘কম্পোস্ট গ্রাম’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

Vermy-compost-pic-1এ দুই গ্রামের কৃষকের বাড়িতে বাড়িতে এখন কম্পোস্টের চালা দেখা যায়। কম্পোস্টে তৈরি জৈব সার কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের মধ্যে এক নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করছে। এ দুই গ্রামের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ অন্যান্য গ্রামেও এখন কম্পোস্ট সার তৈরির জন্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছেন।

পাইশকা গ্রামের স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আগে একস্থানে কৃষকরা গরুর গোবর জমাতেন আর বাড়ির ময়লা-আবর্জনা, লতাপাতা, এখানে-সেখানে ছুঁড়ে ফেলতেন। আর এখন বাড়ির এক কোণে একটি-দুটি গর্ত করে পাড় বেঁধে তার ওপর টিন কিংবা পলিথিন কাগজের ছাউনি দিয়ে কম্পোস্ট চালা তৈরি করা হচ্ছে।

গোবর ছাড়াও ওইসব গর্তে একস্থানেই বাড়ির সব ময়লা-আবর্জনা, লতাপাতা, চুলার ছাই, খড় ফেলা হচ্ছে। এতে বাড়ির পরিবেশ যেমন পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকছে তেমনিভাবে সেই কম্পোস্ট চালার ময়লা-আজর্বনা থেকে তৈরি হচ্ছে জৈব সার। এই জৈব সার কৃষকরা তাদের আবাদি জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করছেন।

Compost-Gram-220150708134348কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নকলা উপজেলা কৃষি অফিস কৃষকদের কম্পোস্ট-জৈব সার তৈরির জন্য নানাভাবে উদ্বুদ্ধকরণ এবং প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। আর স্থানীয় গৌড়দ্বার ইউনিয়ন পরিষদ ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচির অর্থ দিয়ে কৃষকদের এসব কম্পোস্