বাকৃবিতে বন্যাসহিষ্ণু ধানের বীজ বিতরণ

বাকৃবিতে বন্যাসহিষ্ণু ধানের বীজ বিতরণ

বাকৃবিতে বন্যাসহিষ্ণু ধানের বীজ বিতরণ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পার্শ্ববর্তী গ্রামের কৃষাণীদের মাঝে বন্যাসহিষ্ণু (বিনা ধান-১১ ও ব্রি ধান-৫২ ) ধানের বীজ বিতরণ করা হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদীয় সম্মেলন কক্ষে এসব বীজ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বয়রা ইউনিয়নের ২০০ জন কৃষাণীর প্রত্যেককে পাঁচ কেজি করে ধানের বীজ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেন, “বিনা ধান ১১ বন্যা সহিষ্ণু ধানের জাত। এ জাতের ধান গাছ টানা তিন সপ্তাহ ধরে পানির নিচে থাকতে পারে। পানি নেমে যাওয়ার পর ১-২ সপ্তাহের মধ্যে আবার নতুন কুশি বের হবে। এর জন্য ফলন কমবে না বরং পূর্বের মতোই ফলন পাওয়া যাবে। তবে বন্যার সময় অনুযায়ী ধান গাছের জীবনকাল ১০-১২ দিন বৃদ্ধি পেতে পারে।

‘স্ট্রেস টলারেন্ট রাইস ফর আফ্রিকা অ্যান্ড সাউথ ইস্ট এশিয়া’ (এসটিআরএসএ) প্রজেক্ট’র কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রেজাউল করিম। বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুবিনা ইয়াসমিন ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রসারণ কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন এসটিআরএসএ এর প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুল হকসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।

Top
%d bloggers like this: