ঈশ্বরদীতে হাকিম পোল্ট্রি খামার পরিদর্শন করলেন বঙ্গবন্ধু জাতিয় কৃষি স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত কৃষক নুরুন্নাহার বেগম

ঈশ্বরদীতে হাকিম পোল্ট্রি খামার পরিদর্শন করলেন বঙ্গবন্ধু জাতিয় কৃষি স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত কৃষক নুরুন্নাহার বেগম

ঈশ্বরদী (পাবনা) থেকে সেলিম আহমেদ: ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের পতিরাজপুর গ্রামের হাকিম পোল্ট্রি খামারের স্বত্তাধিকারী আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল হাকিম শেখ পরিশ্রম, ধৈর্য্য, অধ্যাবসায়, সাহস ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল। পরিশ্রম, সংগ্রাম ও সাহসিকতার মধ্য দিয়ে পোল্ট্রি খামার করে তিনি একজন সফল খামারি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। গতকাল শুক্রবার হাকিম পোল্ট্রি খামার পরিদর্শন করলেন বঙ্গবন্ধু জাতিয় কৃষি স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত কৃষক মোছাঃ নুরুন্নাহার বেগম।

হাকিম জানান, উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে বিদেশে চলে যান। দেশে ফিরে এসে বেকারত্বের সাথে লড়াই-সংগ্রামের মধ্যে ২০১০ সালে নিজ বাড়িতেই লেয়ার জাতের ৫০০টি মুরগি দিয়ে পোল্ট্রি খামার করে আজ তিনি সফল পোল্ট্রি খামারি। সেই থেকে আর থেমে থাকেননি হাকিম। মুরগি পালন করে তিনি গোটা বছরের পারিবারিক ডিমের ও মুরগির চাহিদা মিটানোর পর ডিম ও মুরগি বিক্রি করে বাড়তি কিছু আয়ও করতে থাকেন। এরপর তিনি তার খামারকে প্রসারিত করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। বর্তমানে তার খামারে ৮ হাজার মুরগি রয়েছে এর মধ্যে ৫ হাজার মুরগি ডিম দেয় বাকি গুলো ছোট বাচ্চা। প্রতিদিন তিনি খামার থেকে ৪ হাজার ৭’শ ডিম বিক্রি করে থাকেন।

বঙ্গবন্ধু জাতিয় কৃষি স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত কৃষক নুরুন্নাহার বেগম বলেন, হাকিম একজন কঠোর পরিশ্রমী ও কৃষি উদ্যোক্তা। হাকিমের পরামর্শ ও সহযোগিতায় পতিরাজপুর গ্রামের অনেক বেকার যুবক পোল্ট্রির সাথে জড়িত ও পারিবারিক ভাবে আর্থিক লাভবান হয়েছেন। হাকিমের পোল্ট্রি খামারটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে খামারটি পরিপাটি ভাবে সাজানো গোছানো। পোল্ট্রি খামারের পাশাপাশি মাছ, ধান, পাট, সকল প্রকার সবজি ও ফলের গাছ রয়েছে। কঠোর পরিশ্রম করে বেকারত্বকে দু-হাতে পিছে ঠেলে দিয়ে হাকিম একজন মডেল পোল্ট্রি খামারি হিসেবে ইতোমধ্যে ঈশ্বরদীতে পরিচিতি লাভ করেছেন। হাকিম পোল্ট্রি খামার করে কিছুটা হলেও দেশের মুরগি ও ডিমের চাহিদা পূরণ করছেন, সেই সঙ্গে পুষ্টির যোগানও দিচ্ছেন।